ফ্লাইট বিলম্বিত হওয়ায় ইকুয়েডর কোচের ক্ষোভ

ইকুয়েডরের কোচ সেবাস্তিয়ান বেকাচেচে মেক্সিকো সিটিতে দলের ফ্লাইট পৌঁছাতে দীর্ঘ বিলম্বের কারণে আয়োজক ব্যবস্থাপনার প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। সেখানে ২০২৬ বিশ্বকাপের ‘রাউন্ড অব ৩২’-এ স্বাগতিক দেশের মুখোমুখি হবে তার দল। আর্জেন্টাইন কোচের সংবাদ সম্মেলনটি নির্ধারিত সময়ের দেড় ঘণ্টা পরে শুরু হয়। এর মূল কারণ ছিল ওহাইও-র কলম্বাসে দলের ঘাঁটি থেকে মেক্সিকোয় যাওয়ার অপ্রত্যাশিত দীর্ঘ যাত্রা। বেকাচেচে ব্যাখ্যা করেন, ‘নির্ধারিত সময়ের চেয়ে আমাদের পৌঁছাতে ৩ ঘণ্টা দেরি হয়েছে। কেন এমনটা হলো তা আমরা জানি না। মেক্সিকোর স্থানীয় সময় অনুযায়ী বিকেল ছয়টায় হোটেলে পৌঁছানোর কথা ছিল, কিন্তু খেলোয়াড়রা তখনও এসে পৌঁছায়নি। যে ফ্লাইটটি সাড়ে ৩ ঘণ্টার হওয়ার কথা ছিল। যার সাথে হোটেলে যাওয়ার আরও ১ ঘণ্টা ২০ মিনিটের পথ যুক্ত হওয়ার কথা, তা শেষ পর্যন্ত ৯ ঘণ্টার যাত্রায় পরিণত হয়।’ এই জটিলতা সত্ত্বেও কোচ বিষয়টিকে খুব বড় করে দেখতে চাননি। তিনি আশ্বস্ত করেন যে, ক্লান্তি দলের মনোবলকে প্রভাবিত করবে না। তিনি বলেন, ‘আমি বিরক্ত নই বরং অত্যন্ত কৃতজ্ঞ ও আনন্দিত। স্বাভাবিকভাবেই আমরা বেশ ক্লান্ত। কিন্তু বিশ্বকাপে অংশ নিতে পেরে আমি কীভাবে বিরক্

ফ্লাইট বিলম্বিত হওয়ায় ইকুয়েডর কোচের ক্ষোভ

ইকুয়েডরের কোচ সেবাস্তিয়ান বেকাচেচে মেক্সিকো সিটিতে দলের ফ্লাইট পৌঁছাতে দীর্ঘ বিলম্বের কারণে আয়োজক ব্যবস্থাপনার প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। সেখানে ২০২৬ বিশ্বকাপের ‘রাউন্ড অব ৩২’-এ স্বাগতিক দেশের মুখোমুখি হবে তার দল।

আর্জেন্টাইন কোচের সংবাদ সম্মেলনটি নির্ধারিত সময়ের দেড় ঘণ্টা পরে শুরু হয়। এর মূল কারণ ছিল ওহাইও-র কলম্বাসে দলের ঘাঁটি থেকে মেক্সিকোয় যাওয়ার অপ্রত্যাশিত দীর্ঘ যাত্রা।

বেকাচেচে ব্যাখ্যা করেন, ‘নির্ধারিত সময়ের চেয়ে আমাদের পৌঁছাতে ৩ ঘণ্টা দেরি হয়েছে। কেন এমনটা হলো তা আমরা জানি না। মেক্সিকোর স্থানীয় সময় অনুযায়ী বিকেল ছয়টায় হোটেলে পৌঁছানোর কথা ছিল, কিন্তু খেলোয়াড়রা তখনও এসে পৌঁছায়নি। যে ফ্লাইটটি সাড়ে ৩ ঘণ্টার হওয়ার কথা ছিল। যার সাথে হোটেলে যাওয়ার আরও ১ ঘণ্টা ২০ মিনিটের পথ যুক্ত হওয়ার কথা, তা শেষ পর্যন্ত ৯ ঘণ্টার যাত্রায় পরিণত হয়।’

এই জটিলতা সত্ত্বেও কোচ বিষয়টিকে খুব বড় করে দেখতে চাননি। তিনি আশ্বস্ত করেন যে, ক্লান্তি দলের মনোবলকে প্রভাবিত করবে না।

তিনি বলেন, ‘আমি বিরক্ত নই বরং অত্যন্ত কৃতজ্ঞ ও আনন্দিত। স্বাভাবিকভাবেই আমরা বেশ ক্লান্ত। কিন্তু বিশ্বকাপে অংশ নিতে পেরে আমি কীভাবে বিরক্ত হতে পারি? তা হলে সেটা অকৃতজ্ঞতা হতো। পরিস্থিতি এমনটাই দাঁড়িয়েছে। তাই আমাদের যদি ক্লান্ত দেখায় তবে আমি ক্ষমা চাইছি।’

তিনি ফিলাডেলফিয়া, কানসাস এবং নিউ ইয়র্কে আগের ম্যাচগুলোর আয়োজনের সাথে এই অভিজ্ঞতার তুলনা করেন, যেখানে ‘সবকিছু ছিল নিখুঁত এবং অত্যন্ত সুশৃঙ্খল।’

বেকাচেচে ঘোষণা করেন, ‘আমাদের দল ইতিহাস গড়তে প্রস্তুত। যে কাজের মাধ্যমে আমরা এখানে এসেছি, তার ওপর আমার আস্থা আছে। আমরা আমাদের লড়াকু ও অদম্য মানসিকতা তুলে ধরতে চাই।’

তিনি আরও যোগ করেন, দলটি যেকোনো জায়গায় খেলতে সক্ষম এবং উচ্চতার কারণে বিশেষ কোনো প্রস্তুতির প্রয়োজন নেই। তাদের লক্ষ্য স্পষ্ট। ইকুয়েডর কোচ বলেন, ‘দলের সাথে আমরা বিশ্বকাপটা এতটাই উপভোগ করছি যে, আরও কিছুদিন এখানে থেকে যেতে চাই।’

আরআর/এমএমআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow