বগুড়ার গাবতলীতে মধ্যরাতে গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যা

বগুড়ার গাবতলী উপজেলায় মধ্যরাতে ঘরে ঢুকে রীতা রানী মজুমদার (৪৫) নামের এক গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। গত বুধবার দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে উপজেলার মমিনহাটা দক্ষিণপাড়া এলাকায় এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত রীতা রানী মজুমদার ওই এলাকার বিধান চন্দ্র রায়ের স্ত্রী। এই দম্পতির এক ছেলে ও এক মেয়ে পড়াশোনার জন্য ঢাকায় থাকেন। বাড়িতে স্বামী-স্ত্রী দুজনই বসবাস করতেন।নিহতের স্বামী বিধান চন্দ্র রায় ঘটনার বিবরণ দিয়ে জানান, বুধবার রাত ১০টার দিকে স্ত্রী রীতা রানীর সাথে রাতের খাওয়া-দাওয়া শেষ করে অন্যান্য দিনের মতো আমরা দুজন আলাদা ঘরে শুয়ে পড়ি। রাত সোয়া ১২টার দিকে হঠাৎ নিজের ঘরের দরজায় জোরে ধাক্কার শব্দে আমার ঘুম ভেঙে যায়। এরপর স্ত্রীর ঘর থেকে অস্বাভাবিক গোঙানির শব্দ শুনে দ্রুত তার ঘরে ঢুকি। ঘরে ঢুকেই দেখতে পাই মেঝেতে রীতা রানীর গলাকাটা নিথর মরদেহ পড়ে আছে। আমার চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা ছুটে আসে। পরে দেখতে পাই বাড়ির সদর দরজাও খোলা। তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পুলিশ। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জেলা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (গাব

বগুড়ার গাবতলীতে মধ্যরাতে গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যা

বগুড়ার গাবতলী উপজেলায় মধ্যরাতে ঘরে ঢুকে রীতা রানী মজুমদার (৪৫) নামের এক গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। গত বুধবার দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে উপজেলার মমিনহাটা দক্ষিণপাড়া এলাকায় এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত রীতা রানী মজুমদার ওই এলাকার বিধান চন্দ্র রায়ের স্ত্রী। এই দম্পতির এক ছেলে ও এক মেয়ে পড়াশোনার জন্য ঢাকায় থাকেন। বাড়িতে স্বামী-স্ত্রী দুজনই বসবাস করতেন।

নিহতের স্বামী বিধান চন্দ্র রায় ঘটনার বিবরণ দিয়ে জানান, বুধবার রাত ১০টার দিকে স্ত্রী রীতা রানীর সাথে রাতের খাওয়া-দাওয়া শেষ করে অন্যান্য দিনের মতো আমরা দুজন আলাদা ঘরে শুয়ে পড়ি। রাত সোয়া ১২টার দিকে হঠাৎ নিজের ঘরের দরজায় জোরে ধাক্কার শব্দে আমার ঘুম ভেঙে যায়। এরপর স্ত্রীর ঘর থেকে অস্বাভাবিক গোঙানির শব্দ শুনে দ্রুত তার ঘরে ঢুকি। ঘরে ঢুকেই দেখতে পাই মেঝেতে রীতা রানীর গলাকাটা নিথর মরদেহ পড়ে আছে। আমার চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা ছুটে আসে। পরে দেখতে পাই বাড়ির সদর দরজাও খোলা। তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।

হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পুলিশ। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জেলা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (গাবতলী সার্কেল) হুমায়ুন কবীর বলেন, হত্যাকাণ্ডের পরপরই মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পুলিশ বিষয়টি জানতে পারে। দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে রীতা রানীর রক্তাক্ত মরদেহ শয়নকক্ষের মেঝে থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের পেছনে কী রহস্য রয়েছে তা উন্মোচন করতে এবং এই ঘটনার সাথে জড়িত অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow