বগুড়ায় তুলে নিয়ে হাত-পা ভেঙে দেওয়া সেই ব্যবসায়ী মারা গেছেন

বগুড়া শহরের ফতেহ আলী বাজার কাঁচামাল ব্যবসায়ী বহুমুখী সমবায় সমিতির নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী আলাল শেখ (৪৬) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ভোর ৫টার দিকে ঢাকার একটি হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। গত ২৮ মার্চ ভোট চলাকালে তাকে তুলে নিয়ে গিয়ে হাত-পা ভেঙে দেওয়ার ঘটনা ঘটে। বগুড়া জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার আলাল শেখের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে ও বাকি আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। নিহত আলাল শেখ শহরের চকসূত্রাপুর এলাকার মেরু শেখের ছেলে। তিনি শহর যুবলীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মতিন শেখের শ্যালক ছিলেন। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার (২৮ মার্চ) ফতেহ আলী বাজারে সমিতির ভোট গ্রহণ চলাকালে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে হরিণ প্রতীকের প্রার্থী আলাল শেখকে একদল যুবক মোটরসাইকেলে করে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। পরে মালগ্রাম ডাবতলা এলাকার একটি নির্জন বাগানে নিয়ে তাকে রশি দিয়ে বেঁধে লাঠি ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হ

বগুড়ায় তুলে নিয়ে হাত-পা ভেঙে দেওয়া সেই ব্যবসায়ী মারা গেছেন

বগুড়া শহরের ফতেহ আলী বাজার কাঁচামাল ব্যবসায়ী বহুমুখী সমবায় সমিতির নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী আলাল শেখ (৪৬) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ভোর ৫টার দিকে ঢাকার একটি হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। গত ২৮ মার্চ ভোট চলাকালে তাকে তুলে নিয়ে গিয়ে হাত-পা ভেঙে দেওয়ার ঘটনা ঘটে।

বগুড়া জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার আলাল শেখের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে ও বাকি আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

নিহত আলাল শেখ শহরের চকসূত্রাপুর এলাকার মেরু শেখের ছেলে। তিনি শহর যুবলীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মতিন শেখের শ্যালক ছিলেন।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার (২৮ মার্চ) ফতেহ আলী বাজারে সমিতির ভোট গ্রহণ চলাকালে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে হরিণ প্রতীকের প্রার্থী আলাল শেখকে একদল যুবক মোটরসাইকেলে করে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। পরে মালগ্রাম ডাবতলা এলাকার একটি নির্জন বাগানে নিয়ে তাকে রশি দিয়ে বেঁধে লাঠি ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। এতে তার দুই পা ও এক হাত ভেঙে যায়।

খবর পেয়ে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে প্রথমে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে ওই দিন বিকেলেই তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। গত কয়েকদিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে আজ ভোরে ঢাকার সিটি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

এ ঘটনায় আলাল শেখের বাবা মেরু শেখ বাদী হয়ে ২৮ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২০-৩০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। ঘটনার দিন বিকেলেই পুলিশ অভিযান চালিয়ে মালগ্রাম এলাকার রনি শেখ (৩০), তৌফিক খান (২৬), গোলাম রসুল ওরফে নাহিদ (৩০) ও সুমন মিয়াকে (৩৮) গ্রেফতার করে।

বগুড়া জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইকবাল বাহার জানান, হামলা ও গুরুতর জখমের ঘটনায় দায়ের করা মামলাটি এখন হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হবে। মামলার প্রধান আসামিসহ অন্যদের গ্রেফতারে গোয়েন্দা পুলিশের একাধিক দল মাঠে কাজ করছে।

এমএন/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow