বগুড়ায় নকল জুস কারখানায় অভিযান: জুস ধ্বংস ও সুপারভাইজারকে কারাদণ্ড
বগুড়ায় নকল জুস কারখানায় অভিযান: জুস ধ্বংস, সুপারভাইজারের কারাদণ্ড আব্দুল ওয়াদুদ, বগুড়া সদরের চাঁদপুরে সম্পূর্ণ অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ক্ষতিকর কেমিক্যাল দিয়ে জুস তৈরির অপরাধে ‘ড্রাগন ফুড এন্ড বেভারেজ, বাংলাদেশ’ নামের একটি কারখানায় অভিযান চালিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় আইন লঙ্ঘনের দায়ে কারখানার সুপারভাইজার আরিফুর রহমানকে (৩১) এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। একইসঙ্গে জব্দকৃত ৩৭০ কেস ভেজাল জুস জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয়। বুধবার (৬ মে) দুপুর থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বগুড়া জেলা প্রশাসন এবং বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের জেলা কার্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে এই অভিযান পরিচালিত হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, কারখানাটিতে দীর্ঘ দিন ধরে সম্পূর্ণ অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে অনুমোদনহীন রাসায়নিক মিশিয়ে জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ জুস তৈরি করা হচ্ছিল। বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) কোনো বৈধ মানসনদ বা আইনি নিবন্ধন ছাড়াই অবৈধভাবে খাদ্যপণ্য উৎপাদন করছিল তারা। এমনকি মানসনদ না থাকা সত্ত্বেও গ্রাহকদের সাথে প্রতারণা করতে জুসের মোড়কে ভুয়া সিল ও লোগো ব্যবহার করা
বগুড়ায় নকল জুস কারখানায় অভিযান: জুস ধ্বংস, সুপারভাইজারের কারাদণ্ড আব্দুল ওয়াদুদ, বগুড়া সদরের চাঁদপুরে সম্পূর্ণ অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ক্ষতিকর কেমিক্যাল দিয়ে জুস তৈরির অপরাধে ‘ড্রাগন ফুড এন্ড বেভারেজ, বাংলাদেশ’ নামের একটি কারখানায় অভিযান চালিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় আইন লঙ্ঘনের দায়ে কারখানার সুপারভাইজার আরিফুর রহমানকে (৩১) এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। একইসঙ্গে জব্দকৃত ৩৭০ কেস ভেজাল জুস জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয়।
বুধবার (৬ মে) দুপুর থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বগুড়া জেলা প্রশাসন এবং বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের জেলা কার্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে এই অভিযান পরিচালিত হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, কারখানাটিতে দীর্ঘ দিন ধরে সম্পূর্ণ অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে অনুমোদনহীন রাসায়নিক মিশিয়ে জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ জুস তৈরি করা হচ্ছিল। বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) কোনো বৈধ মানসনদ বা আইনি নিবন্ধন ছাড়াই অবৈধভাবে খাদ্যপণ্য উৎপাদন করছিল তারা। এমনকি মানসনদ না থাকা সত্ত্বেও গ্রাহকদের সাথে প্রতারণা করতে জুসের মোড়কে ভুয়া সিল ও লোগো ব্যবহার করা হচ্ছিল। অভিযান চলাকালে এসব মারাত্মক অনিয়ম ও অপরাধের প্রমাণ হাতেনাতে ধরা পড়ে। পরে কারখানার সুপারভাইজার আরিফুর রহমান নিজের অপরাধ স্বীকার করে নেন।
এর ভিত্তিতে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফয়সাল আহমাদের নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত ‘নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩’-এর ২৫, ৩২(ক), ৩২(খ) ও ৩৯ ধারায় তাকে ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। অভিযানে প্রসিকিউটর হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বগুড়ার নিরাপদ খাদ্য অফিসার রাসেল এবং বগুড়া পৌরসভার নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক সিদ্দিকুর রহমান। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও সার্বিক নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন করে জেলা পুলিশের একটি চৌকস দল।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের পক্ষ থেকে অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানটিকে পরবর্তীতে সরকারের সকল আইন ও বিধি মেনে শতভাগ নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। জনস্বার্থে ভেজাল ও অস্বাস্থ্যকর খাদ্যের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
What's Your Reaction?