বগুড়ায় পচা ডিম দিয়ে খাদ্যপণ্য তৈরি: ৭০ হাজার টাকা জরিমানা

বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় পচা ও নষ্ট ডিম দিয়ে খাদ্যপণ্য তৈরি এবং বিএসটিআই-এর লাইসেন্স না থাকাসহ নানা অপরাধে ‘মডার্ন ব্রেড এন্ড বিস্কুট’ ফ্যাক্টরিকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। রবিবার সকাল ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত উপজেলার শেরুয়া ও হামছায়াপুর এলাকায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এবং নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের যৌথ অভিযানে এই দণ্ড প্রদান করা হয়।অভিযান চলাকালীন ফ্যাক্টরিটিতে ক্ষতিকারক নষ্ট ও পচা ডিমের ব্যবহার, বিএসটিআই-এর অনুমোদনহীন প্যাকেট ব্যবহার করে পণ্য বাজারজাতকরণ, অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে খাবার সংরক্ষণ এবং বিএসটিআই-এর লাইসেন্স হালনাগাদ না থাকায় ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মেহেদী হাসান এবং নিরাপদ খাদ্য অফিসার মো. রাসেল এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন। তারা জানান, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানটিকে নগদ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং তা তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়। এসময় প্রতিষ্ঠানের মালিক ভবিষ্যতে এ ধরনের জনস্বাস্থ্যবিরোধী কাজ করবেন না মর্মে লিখিত অঙ্গীকার প্রদান করেন।অভিযানে কনজুমারস অ্

বগুড়ায় পচা ডিম দিয়ে খাদ্যপণ্য তৈরি: ৭০ হাজার টাকা জরিমানা

বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় পচা ও নষ্ট ডিম দিয়ে খাদ্যপণ্য তৈরি এবং বিএসটিআই-এর লাইসেন্স না থাকাসহ নানা অপরাধে ‘মডার্ন ব্রেড এন্ড বিস্কুট’ ফ্যাক্টরিকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। রবিবার সকাল ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত উপজেলার শেরুয়া ও হামছায়াপুর এলাকায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এবং নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের যৌথ অভিযানে এই দণ্ড প্রদান করা হয়।

অভিযান চলাকালীন ফ্যাক্টরিটিতে ক্ষতিকারক নষ্ট ও পচা ডিমের ব্যবহার, বিএসটিআই-এর অনুমোদনহীন প্যাকেট ব্যবহার করে পণ্য বাজারজাতকরণ, অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে খাবার সংরক্ষণ এবং বিএসটিআই-এর লাইসেন্স হালনাগাদ না থাকায় ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মেহেদী হাসান এবং নিরাপদ খাদ্য অফিসার মো. রাসেল এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন। তারা জানান, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানটিকে নগদ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং তা তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়। এসময় প্রতিষ্ঠানের মালিক ভবিষ্যতে এ ধরনের জনস্বাস্থ্যবিরোধী কাজ করবেন না মর্মে লিখিত অঙ্গীকার প্রদান করেন।

অভিযানে কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)-এর সাধারণ সম্পাদক ফজিলাতুন্নেছা ফৌজিয়া উপস্থিত ছিলেন। জেলা পুলিশের একটি চৌকস দল নিরাপত্তার খাতিরে পুরো অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে। তারা আরো বলেন, জনস্বার্থে খাদ্যের মান নিয়ন্ত্রণে এ ধরনের কঠোর মনিটরিং কার্যক্রম আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow