বগুড়ায় ভুয়া ফুড ইন্সপেক্টর সেজে চাঁদা দাবি, অতঃপর...  

বগুড়ার সদর উপজেলার সাবগ্রাম ইউনিয়নের উদ্দিগোলা বাজারে ভুয়া ফুড ইন্সপেক্টর সেজে এক হোটেল মালিকের কাছ থেকে চাঁদা দাবির অভিযোগে মেহেদী হাসান নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টার দিকে উদ্দিগোলা বাজারের শাহিন হোটেলে এ ঘটনা ঘটে। আটক মেহেদী হাসান সদর উপজেলার নারুলীর মনির উদ্দিনের ছেলে।  স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মেহেদী হাসান একটি রিকশাযোগে উদ্দিগোলা বাজারে এসে শাহিনের হোটেলের সামনে নামেন। পরে তিনি হোটেলের ভেতর ঢুকে মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করতে থাকেন এবং নিজেকে ফুড ইন্সপেক্টর পরিচয় দেন। একপর্যায়ে তিনি হোটেল মালিক শাহিনের কাছে এক লাখ টাকা দাবি করেন এবং টাকা না দিলে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে জরিমানা করবেন বলে হুমকি দেন। হোটেল মালিক প্রথমে বিষয়টি এড়িয়ে যেতে পাঁচ হাজার টাকা দিতে চাইলে মেহেদী আরও উত্তেজিত হন। এ সময় স্থানীয় লোকজন তার পরিচয়পত্র দেখতে চাইলে মেহেদী বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর পরিচয় দিতে থাকেন। এতে সন্দেহ হলে স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তাকে হেফাজতে নেয়। হোটেল মালিক শাহিন বলেন, সে আমার দোকানে এসে ভিড

বগুড়ায় ভুয়া ফুড ইন্সপেক্টর সেজে চাঁদা দাবি, অতঃপর...   
বগুড়ার সদর উপজেলার সাবগ্রাম ইউনিয়নের উদ্দিগোলা বাজারে ভুয়া ফুড ইন্সপেক্টর সেজে এক হোটেল মালিকের কাছ থেকে চাঁদা দাবির অভিযোগে মেহেদী হাসান নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টার দিকে উদ্দিগোলা বাজারের শাহিন হোটেলে এ ঘটনা ঘটে। আটক মেহেদী হাসান সদর উপজেলার নারুলীর মনির উদ্দিনের ছেলে।  স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মেহেদী হাসান একটি রিকশাযোগে উদ্দিগোলা বাজারে এসে শাহিনের হোটেলের সামনে নামেন। পরে তিনি হোটেলের ভেতর ঢুকে মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করতে থাকেন এবং নিজেকে ফুড ইন্সপেক্টর পরিচয় দেন। একপর্যায়ে তিনি হোটেল মালিক শাহিনের কাছে এক লাখ টাকা দাবি করেন এবং টাকা না দিলে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে জরিমানা করবেন বলে হুমকি দেন। হোটেল মালিক প্রথমে বিষয়টি এড়িয়ে যেতে পাঁচ হাজার টাকা দিতে চাইলে মেহেদী আরও উত্তেজিত হন। এ সময় স্থানীয় লোকজন তার পরিচয়পত্র দেখতে চাইলে মেহেদী বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর পরিচয় দিতে থাকেন। এতে সন্দেহ হলে স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তাকে হেফাজতে নেয়। হোটেল মালিক শাহিন বলেন, সে আমার দোকানে এসে ভিডিও করে এক লাখ টাকা দাবি করে। টাকা না দিলে জরিমানা করবে বলে ভয় দেখায়। আমার সন্দেহ হলে তাকে ধরে ফেলি। এ বিষয়ে বগুড়া সদর থানার ওসি মনিরুল ইসলাম বলেন, তা‌কে থানা হেফাজ‌তে নি‌য়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হ‌চ্ছে। তার বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলমান র‌য়ে‌ছে। মামলা হ‌লে তা‌কে আদাল‌তের মাধ‌্যমে কারাগা‌রে প্রেরণ করা হ‌বে।  

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow