বঙ্গোপসাগরে বিকল ট্রলার, চারদিন পর ১৫ জেলেকে উদ্ধার করলো নৌবাহিনী
সেন্টমার্টিন সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে ১৫ জন জেলেসহ একটি ফিশিং ট্রলার বিকল হয়ে চারদিন ধরে ভাসছিল। এ ঘটনার খবর পেয়ে নৌবাহিনী তাদের উদ্ধার করে। বুধবার (১ এপ্রিল) রাত ৯টার দিকে নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়। নৌবাহিনী জানায়, বাংলাদেশ নৌবাহিনী সমুদ্র সীমার সুরক্ষা ও সমুদ্র সুশাসন বজায় রাখতে সমুদ্রে নিয়মিত টহল কার্যক্রম পরিচালনা করছে। নিয়মিত টহল কার্যক্রম পরিচালনাকালে গত ৩১ মার্চ বিকেলে নৌবাহিনীর একটি টহল দল সেন্টমার্টিন লাইট হাউস থেকে প্রায় ৬ নটিক্যাল মাইল পশ্চিমে একটি ট্রলারকে ভাসমান অবস্থায় দেখতে পায়। তাৎক্ষণিকভাবে টহল দলটি ঘটনাস্থলে পৌঁছে আরোহীসহ ট্রলারটি উদ্ধার করে। এ সময় উদ্ধার জেলেরা জানান, গত ২৭ মার্চ ট্রলারটির ইঞ্জিন বিকল হয়ে গেলে তারা দিকভ্রান্ত হয়ে গভীর সমুদ্রে ভাসতে থাকেন। একপর্যায়ে খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দেয়, ফলে তারা চরম দুর্ভোগে পড়েন। নৌবাহিনীর সদস্যরা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে নৌবাহিনী ফরোয়ার্ড বেইজ সেন্টমার্টিনে নিয়ে যায়। সেখানে তাদের প্রয়োজনীয় খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। বর্তমানে সব জেলে সুস্থ রয়েছেন এবং নিরাপদ অবস্থানে আছেন। তাদের পরিবারের কাছে
সেন্টমার্টিন সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে ১৫ জন জেলেসহ একটি ফিশিং ট্রলার বিকল হয়ে চারদিন ধরে ভাসছিল। এ ঘটনার খবর পেয়ে নৌবাহিনী তাদের উদ্ধার করে। বুধবার (১ এপ্রিল) রাত ৯টার দিকে নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
নৌবাহিনী জানায়, বাংলাদেশ নৌবাহিনী সমুদ্র সীমার সুরক্ষা ও সমুদ্র সুশাসন বজায় রাখতে সমুদ্রে নিয়মিত টহল কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
নিয়মিত টহল কার্যক্রম পরিচালনাকালে গত ৩১ মার্চ বিকেলে নৌবাহিনীর একটি টহল দল সেন্টমার্টিন লাইট হাউস থেকে প্রায় ৬ নটিক্যাল মাইল পশ্চিমে একটি ট্রলারকে ভাসমান অবস্থায় দেখতে পায়। তাৎক্ষণিকভাবে টহল দলটি ঘটনাস্থলে পৌঁছে আরোহীসহ ট্রলারটি উদ্ধার করে।
এ সময় উদ্ধার জেলেরা জানান, গত ২৭ মার্চ ট্রলারটির ইঞ্জিন বিকল হয়ে গেলে তারা দিকভ্রান্ত হয়ে গভীর সমুদ্রে ভাসতে থাকেন।
একপর্যায়ে খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দেয়, ফলে তারা চরম দুর্ভোগে পড়েন। নৌবাহিনীর সদস্যরা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে নৌবাহিনী ফরোয়ার্ড বেইজ সেন্টমার্টিনে নিয়ে যায়। সেখানে তাদের প্রয়োজনীয় খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
বর্তমানে সব জেলে সুস্থ রয়েছেন এবং নিরাপদ অবস্থানে আছেন। তাদের পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়।
জাহাঙ্গীর আলম/এনএইচআর/জেআইএম
What's Your Reaction?