বজ্রপাতে মারা গেল কোরবানির গরু

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে আকস্মিক বজ্রপাতে কোরবানির হাটে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা একটি বড় ষাঁড় গরু মারা গেছে। রোববার (২৪ মে) দুপুরে উপজেলার মায়ানী ইউনিয়নের পূর্ব মায়ানী তেঁতুলতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে প্রায় লাখ টাকার ওপরে ক্ষতির মুখে পড়েছেন খামারি। ক্ষতিগ্রস্ত গরুর মালিক দিদারুল আলম উপজেলার মঘাদিয়া ইউনিয়নের সরকারটোলা এলাকার জিন্নাত আলী মুহুরী বাড়ির বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে বিক্রির জন্য দিদারুল আলম প্রায় ৩ মণ ওজনের একটি ষাঁড় গরু অনেক কষ্টে লালন-পালন করে মোটাতাজা করেছিলেন। রোববার সকালে গরুটি মায়ানী ইউনিয়নের পূর্ব মায়ানী তেঁতুলতলা এলাকার একটি মাঠে ঘাস খাওয়ার জন্য বেঁধে রেখে আসেন। দুপুরে হঠাৎ বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই গরুটি মারা যায়। জানা গেছে, গত শুক্রবার গরুটি বিক্রির জন্য স্থানীয় আবুতোরাব বাজারে তোলা হয়েছিল। সেখানে ক্রেতারা গরুর দাম ১ লাখ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত দিলেও মালিক দিদারুল আলম ১ লাখ ২০ হাজার টাকা দাম পাওয়ার আশায় সেদিন বিক্রি করেননি। এর দুদিনের মাথায় আজ বজ্রপাতে গরুটি মারা গেল। ক্ষতিগ্রস্ত খামারি দিদারুল আলম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, অনেক কষ্টে কোরবা

বজ্রপাতে মারা গেল কোরবানির গরু

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে আকস্মিক বজ্রপাতে কোরবানির হাটে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা একটি বড় ষাঁড় গরু মারা গেছে। রোববার (২৪ মে) দুপুরে উপজেলার মায়ানী ইউনিয়নের পূর্ব মায়ানী তেঁতুলতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে প্রায় লাখ টাকার ওপরে ক্ষতির মুখে পড়েছেন খামারি।

ক্ষতিগ্রস্ত গরুর মালিক দিদারুল আলম উপজেলার মঘাদিয়া ইউনিয়নের সরকারটোলা এলাকার জিন্নাত আলী মুহুরী বাড়ির বাসিন্দা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে বিক্রির জন্য দিদারুল আলম প্রায় ৩ মণ ওজনের একটি ষাঁড় গরু অনেক কষ্টে লালন-পালন করে মোটাতাজা করেছিলেন। রোববার সকালে গরুটি মায়ানী ইউনিয়নের পূর্ব মায়ানী তেঁতুলতলা এলাকার একটি মাঠে ঘাস খাওয়ার জন্য বেঁধে রেখে আসেন। দুপুরে হঠাৎ বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই গরুটি মারা যায়।

জানা গেছে, গত শুক্রবার গরুটি বিক্রির জন্য স্থানীয় আবুতোরাব বাজারে তোলা হয়েছিল। সেখানে ক্রেতারা গরুর দাম ১ লাখ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত দিলেও মালিক দিদারুল আলম ১ লাখ ২০ হাজার টাকা দাম পাওয়ার আশায় সেদিন বিক্রি করেননি। এর দুদিনের মাথায় আজ বজ্রপাতে গরুটি মারা গেল।

ক্ষতিগ্রস্ত খামারি দিদারুল আলম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, অনেক কষ্টে কোরবানি বাজারে বিক্রির জন্য গরুটি তৈরি করেছিলাম। আজ সকালে বাড়ির পাশে মাঠে বেঁধে আসি। দুপুরের পর খবর পাই বজ্রপাতে গরুটি মারা গেছে। গরুর পাশে গিয়ে চোখের পানি ধরে রাখতে পারিনি। ১ লাখ ২০ হাজার টাকার গরুটি এভাবে মারা যাওয়ায় আমার অনেক বড় ক্ষতি হয়ে গেল। 

মিরসরাই উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. জাকিরুল ফরিদ জানান, মায়ানীতে বজ্রপাতে গরু মারা যাওয়ার বিষয়টি এখনো আমাদের অফিশিয়ালি জানানো হয়নি। তবে আমরা মাঠ পর্যায়ে খোঁজখবর নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত খামারির বিষয়ে বিস্তারিত জানার চেষ্টা করছি। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow