বন্দিদের সঙ্গে স্বজনদের সাক্ষাতে ভোগান্তি কমাতে মানবিক উদ্যোগ

গাজীপুরে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আসা স্বজনদের ভোগান্তি কমাতে মানবিক উদ্যোগ নিয়েছে কাশিমপুর কারা কর্তৃপক্ষ। সম্প্রতি কারা কল্যাণ তহবিল থেকে প্রায় ২৬ লাখ টাকা ব্যয়ে আধুনিক গলফকার কিনে তা চালু করা হয়েছে। এরইমধ্যে এই সেবা দর্শনার্থীদের জন্য স্বস্তি বয়ে এনেছে। দীর্ঘদিন ধরে কারাগারের মূল ফটক থেকে সাক্ষাৎ কক্ষ পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে গিয়ে দর্শনার্থীরা নানা ভোগান্তির শিকার হতেন। বিশেষ করে নারী, শিশু, অসুস্থ ও বয়স্কদের জন্য পথটি ছিল অত্যন্ত কষ্টকর। অনেক সময় রিকশার জন্য দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হতো, আবার যানবাহন না পেয়ে হেঁটেই যেতে বাধ্য হতেন অনেকে। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগও ছিল কিছু রিকশাচালকের বিরুদ্ধে। নতুন চালু হওয়া গলফকার সেবার মাধ্যমে এখন দর্শনার্থীরা দ্রুত ও সহজে নির্ধারিত সাক্ষাৎ কক্ষে পৌঁছাতে পারছেন। এতে সময় সাশ্রয়ের পাশাপাশি শারীরিক কষ্টও কমেছে উল্লেখযোগ্যভাবে। সাক্ষাৎ করতে আসা কয়েকজন স্বজন জানান, আগে এখানে আসা মানেই ছিল বাড়তি দুশ্চিন্তা ও কষ্ট। বিশেষ করে বৃদ্ধদের জন্য পথটি ছিল খুবই দুর্ভোগপূর্ণ। এখন গলফকার চালু হওয়ায় সহজে যাতায়াত

বন্দিদের সঙ্গে স্বজনদের সাক্ষাতে ভোগান্তি কমাতে মানবিক উদ্যোগ

গাজীপুরে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আসা স্বজনদের ভোগান্তি কমাতে মানবিক উদ্যোগ নিয়েছে কাশিমপুর কারা কর্তৃপক্ষ।

সম্প্রতি কারা কল্যাণ তহবিল থেকে প্রায় ২৬ লাখ টাকা ব্যয়ে আধুনিক গলফকার কিনে তা চালু করা হয়েছে। এরইমধ্যে এই সেবা দর্শনার্থীদের জন্য স্বস্তি বয়ে এনেছে।

দীর্ঘদিন ধরে কারাগারের মূল ফটক থেকে সাক্ষাৎ কক্ষ পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে গিয়ে দর্শনার্থীরা নানা ভোগান্তির শিকার হতেন। বিশেষ করে নারী, শিশু, অসুস্থ ও বয়স্কদের জন্য পথটি ছিল অত্যন্ত কষ্টকর। অনেক সময় রিকশার জন্য দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হতো, আবার যানবাহন না পেয়ে হেঁটেই যেতে বাধ্য হতেন অনেকে। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগও ছিল কিছু রিকশাচালকের বিরুদ্ধে।

নতুন চালু হওয়া গলফকার সেবার মাধ্যমে এখন দর্শনার্থীরা দ্রুত ও সহজে নির্ধারিত সাক্ষাৎ কক্ষে পৌঁছাতে পারছেন। এতে সময় সাশ্রয়ের পাশাপাশি শারীরিক কষ্টও কমেছে উল্লেখযোগ্যভাবে।

সাক্ষাৎ করতে আসা কয়েকজন স্বজন জানান, আগে এখানে আসা মানেই ছিল বাড়তি দুশ্চিন্তা ও কষ্ট। বিশেষ করে বৃদ্ধদের জন্য পথটি ছিল খুবই দুর্ভোগপূর্ণ। এখন গলফকার চালু হওয়ায় সহজে যাতায়াত করা যাচ্ছে। এতে স্বস্তি মিলছে।

কাশিমপুর কারাগার-২ এর সিনিয়র জেল সুপার আল মামুন বলেন, কারাগারে আসা স্বজনরা যেন অপ্রয়োজনীয় কষ্টের শিকার না হন, সেটাই আমাদের লক্ষ্য। গলফকার সেবা সেই প্রচেষ্টার অংশ। ভবিষ্যতেও আরও জনবান্ধব উদ্যোগ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

আমিনুল ইসলাম/এসআর/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow