বন্যার পানিতে নৌকাডুবে ২ বোনের মৃত্যু
কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের রসুলাবাদ এলাকায় বন্যার পানিতে ডুবে হাসনাতুল জন্নাত ঝর্ণা (১২) ও জেরিন (৭) নামের দুই বোনের মৃত্যু হয়েছে। তারা স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল মালেকের মেয়ে। শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে নৌকাযোগে যাওয়ার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রবল স্রোতে নৌকাটি ডুবে যায়। এতে নৌকায় থাকা ঝর্ণা, তার দুই বোন সাওরিন মনি ও জেরিন পানিতে তলিয়ে যায়। স্থানীয় লোকজন সাওরিন ও জেরিনকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। তবে ঝর্ণা প্রবল স্রোতে ভেসে গিয়ে নিখোঁজ হয়। খবর পেয়ে চকরিয়া ফায়ার সার্ভিসের একটি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় ছয় ঘণ্টা টানা উদ্ধার অভিযান চালায়। দুপুর ২টার দিকে নদী থেকে ঝর্ণার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এদিকে, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর ১টার দিকে জেরিনও মারা যায় বলে নিশ্চিত করেছেন তার বাবা আবদুল মালেক। বর্তমানে সাওরিন মনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। বরইতলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছালেকুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বন্যার পানিতে পার হওয়ার সময় প্রবল স্রোতের কারণে নৌকাটি ডুবে যায়। দুই শিশুকে তাৎক্ষণিক জীবিত উদ্ধার
কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের রসুলাবাদ এলাকায় বন্যার পানিতে ডুবে হাসনাতুল জন্নাত ঝর্ণা (১২) ও জেরিন (৭) নামের দুই বোনের মৃত্যু হয়েছে। তারা স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল মালেকের মেয়ে।
শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে নৌকাযোগে যাওয়ার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রবল স্রোতে নৌকাটি ডুবে যায়। এতে নৌকায় থাকা ঝর্ণা, তার দুই বোন সাওরিন মনি ও জেরিন পানিতে তলিয়ে যায়। স্থানীয় লোকজন সাওরিন ও জেরিনকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। তবে ঝর্ণা প্রবল স্রোতে ভেসে গিয়ে নিখোঁজ হয়। খবর পেয়ে চকরিয়া ফায়ার সার্ভিসের একটি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় ছয় ঘণ্টা টানা উদ্ধার অভিযান চালায়। দুপুর ২টার দিকে নদী থেকে ঝর্ণার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এদিকে, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর ১টার দিকে জেরিনও মারা যায় বলে নিশ্চিত করেছেন তার বাবা আবদুল মালেক। বর্তমানে সাওরিন মনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
বরইতলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছালেকুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বন্যার পানিতে পার হওয়ার সময় প্রবল স্রোতের কারণে নৌকাটি ডুবে যায়। দুই শিশুকে তাৎক্ষণিক জীবিত উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হলেও শেষ পর্যন্ত জেরিনকে বাঁচানো যায়নি। আর নিখোঁজ ঝর্ণার মরদেহ ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার করেছে। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় প্রশাসনের আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ দুটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
What's Your Reaction?