বন্যার পানি নামলেও ময়লা-আবর্জনার দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ নগরবাসী

টানা কয়েক দিনের বন্যার পানি নামতে শুরু করলেও বান্দরবান পৌর এলাকায় কাটেনি জনদুর্ভোগ। বরং বিভিন্ন এলাকায় জমে থাকা কাদা, ময়লা-আবর্জনা ও পচনশীল বর্জ্য থেকে ছড়িয়ে পড়া দুর্গন্ধে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন বাসিন্দারা। একই সঙ্গে পানিবাহিত ও সংক্রামক রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে। সোমবার (১৩ জুলাই) বান্দরবান পৌরসভার আর্মীপাড়া, ক্যাচিংঘাটা, ইসলামপুর ও কালাঘাটা এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বন্যার পানি সরে গেলেও সড়ক, অলিগলি, ড্রেন, বাড়িঘর ও আঙিনাজুড়ে জমে আছে কাদা ও নানা ধরনের বর্জ্য। অনেক স্থানে ড্রেন কাদায় ভরাট হয়ে থাকায় পানি নিষ্কাশনও ব্যাহত হচ্ছে। ফলে পুরো এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে তীব্র দুর্গন্ধ। নগরীর আর্মীপাড়ার বাসিন্দা মো. আবদুল করিম বলেন, পানি নেমে গেলেও ঘরের ভেতর ও বাইরে কাদার স্তূপ জমে আছে। চারদিকে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে। ছোট ছোট শিশুকে নিয়ে খুব উদ্বেগে আছি। স্থানীয়রা জানান, বন্যার পানির সঙ্গে ভেসে আসা প্লাস্টিক, গাছের ডালপালা, গৃহস্থালির বর্জ্য ও পচনশীল আবর্জনা বিভিন্ন স্থানে জমে আছে। এসব দ্রুত অপসারণের পাশাপাশি জীবাণুনাশক ছিটানোর দাবি জানিয়েছেন তারা। বান্দরবান জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক

বন্যার পানি নামলেও ময়লা-আবর্জনার দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ নগরবাসী

টানা কয়েক দিনের বন্যার পানি নামতে শুরু করলেও বান্দরবান পৌর এলাকায় কাটেনি জনদুর্ভোগ। বরং বিভিন্ন এলাকায় জমে থাকা কাদা, ময়লা-আবর্জনা ও পচনশীল বর্জ্য থেকে ছড়িয়ে পড়া দুর্গন্ধে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন বাসিন্দারা। একই সঙ্গে পানিবাহিত ও সংক্রামক রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে।

সোমবার (১৩ জুলাই) বান্দরবান পৌরসভার আর্মীপাড়া, ক্যাচিংঘাটা, ইসলামপুর ও কালাঘাটা এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বন্যার পানি সরে গেলেও সড়ক, অলিগলি, ড্রেন, বাড়িঘর ও আঙিনাজুড়ে জমে আছে কাদা ও নানা ধরনের বর্জ্য। অনেক স্থানে ড্রেন কাদায় ভরাট হয়ে থাকায় পানি নিষ্কাশনও ব্যাহত হচ্ছে। ফলে পুরো এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে তীব্র দুর্গন্ধ।

নগরীর আর্মীপাড়ার বাসিন্দা মো. আবদুল করিম বলেন, পানি নেমে গেলেও ঘরের ভেতর ও বাইরে কাদার স্তূপ জমে আছে। চারদিকে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে। ছোট ছোট শিশুকে নিয়ে খুব উদ্বেগে আছি।

বন্যার পানি নামলেও ময়লা-আবর্জনার দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ নগরবাসী

স্থানীয়রা জানান, বন্যার পানির সঙ্গে ভেসে আসা প্লাস্টিক, গাছের ডালপালা, গৃহস্থালির বর্জ্য ও পচনশীল আবর্জনা বিভিন্ন স্থানে জমে আছে। এসব দ্রুত অপসারণের পাশাপাশি জীবাণুনাশক ছিটানোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

বান্দরবান জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ও আর্মীপাড়া এলাকার বাসিন্দা রিটল বিশ্বাস বলেন, বন্যার সময়ের চেয়ে এখন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিয়ে বেশি কষ্ট হচ্ছে। ময়লা আবর্জনার পচা দুর্গন্ধে পরিবেশ ভারি হয়ে ওঠায় শ্বাস নেওয়াও কষ্টসাধ্য হয়ে গেছে।

তিনি বলেন, দ্রুত ময়লা অপসারণ না গেলে কলেরা, ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন মহামারি ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করেন তিনি। পাশাপাশি এসব ময়লা অতিদ্রুত অপসারণের জন্য পৌরসভার কর্মকর্তাদের আহ্বান জানান তিনি।

বন্যার পানি নামলেও ময়লা-আবর্জনার দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ নগরবাসী

বান্দরবান পৌরসভার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পরপরই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বিভিন্ন ওয়ার্ডে পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা কাদা ও আবর্জনা অপসারণে কাজ করছেন। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় জীবাণুনাশক ছিটানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলবে বলে জানান তারা।

বান্দরবান পৌরসভার কনজারভেন্সি ইন্সপেক্টর দিদারুল হক চৌধুরী বলেন, বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্র ও দুর্যোগকবলিত এলাকায় খাদ্য সহায়তা অব্যাহত থাকার কারণে বর্তমানে লোকবল ও লজিস্টিক সাপোর্ট সংকট থাকায় বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম কিছুটা ব্যহত হচ্ছে। পানি সম্পূর্ণ কমে গেলে অপসারণের কাজ শুরু করা হবে বলে জানান তিনি।

নয়ন চক্রবর্তী/কেএইচকে/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow