বরগুনায় ইরানি স্ত্রী হত্যায় স্বামী গ্রেফতার

বরগুনা সদর উপজেলার গৌরিচন্না ইউনিয়নের লাকুরতলা গ্রামের ইরানি স্ত্রী (২০) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তার স্বামী মো. আফজাল হোসেনকে রোববার (১২ এপ্রিল) রাতে গ্রেফতার করেছে বরগুনা থানা পুলিশ। থানা পুলিশ সুত্রে জানা যায়, পারিবারিক কলহ ও দাম্পত্য দ্বন্দ্বের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মামলার প্রধান সন্দেহভাজন আফজালকে গ্রেপ্তারের পর অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। নিহত ইরানি গৌরিচন্না ইউনিয়নের মো. আবজাল হাওলাদারের মেয়ে। কয়েক বছর আগে পারিবারিকভাবে আফজালের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। তাদের সংসারে একটি শিশু সন্তান রয়েছে। স্থানীয় ও স্বজনদের দাবি, বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল। তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ১১ এপ্রিল বিকেলের দিকে ইরানি ও তার স্বামীকে মনসাতলী এলাকার একটি দোকানে চা পান করতে দেখেন স্থানীয়রা। এর কিছুক্ষণ পরই ইরানি নিখোঁজ হন। সন্ধ্যার দিকে বাড়ির পাশের একটি খালে তার গলাকাটা মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেন গ্রামবাসী। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে এক জোড়া জুতা ও একটি টুপি উদ্ধার করেছে, যা আফজালের বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার পর থেকেই আফজাল পলাতক ছিলে

বরগুনায় ইরানি স্ত্রী হত্যায় স্বামী গ্রেফতার

বরগুনা সদর উপজেলার গৌরিচন্না ইউনিয়নের লাকুরতলা গ্রামের ইরানি স্ত্রী (২০) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তার স্বামী মো. আফজাল হোসেনকে রোববার (১২ এপ্রিল) রাতে গ্রেফতার করেছে বরগুনা থানা পুলিশ।

থানা পুলিশ সুত্রে জানা যায়, পারিবারিক কলহ ও দাম্পত্য দ্বন্দ্বের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মামলার প্রধান সন্দেহভাজন আফজালকে গ্রেপ্তারের পর অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।

নিহত ইরানি গৌরিচন্না ইউনিয়নের মো. আবজাল হাওলাদারের মেয়ে। কয়েক বছর আগে পারিবারিকভাবে আফজালের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। তাদের সংসারে একটি শিশু সন্তান রয়েছে। স্থানীয় ও স্বজনদের দাবি, বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ১১ এপ্রিল বিকেলের দিকে ইরানি ও তার স্বামীকে মনসাতলী এলাকার একটি দোকানে চা পান করতে দেখেন স্থানীয়রা। এর কিছুক্ষণ পরই ইরানি নিখোঁজ হন। সন্ধ্যার দিকে বাড়ির পাশের একটি খালে তার গলাকাটা মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেন গ্রামবাসী।

পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে এক জোড়া জুতা ও একটি টুপি উদ্ধার করেছে, যা আফজালের বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার পর থেকেই আফজাল পলাতক ছিলেন। পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে গতকাল গ্রেপ্তার করে।

নিহতের ভাই এনায়েত হোসেনের দাবি, এটি একটি পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। বোনকে নির্জন স্থানে নিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। তিনি দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান।

বরগুনা থানা-পুলিশ জানায়, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া আফজালকে জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ও আলামত বিশ্লেষণ শেষে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

এদিকে এমন বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডে পুরো লাকুরতলা গ্রামে শোক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এলাকায় পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow