বরিশালে তীব্র গ্যাস সংকট : থমকে গেছে হাজারো সিএনজি চালকের জীবন-জীবিকা!

বরিশাল নগরীতে এলপিজি গ্যাসের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। এর ফলে স্থবির হয়ে পড়েছে সিএনজিচালিত থ্রি-হুইলারের চাকা, যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে হাজার হাজার চালকের আয়ের ওপর। দীর্ঘ সময় পাম্পে লাইনে দাঁড়িয়েও মিলছে না পর্যাপ্ত গ্যাস, ফলে পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন শ্রমজীবী মানুষ। নগরীর নথুল্লাবাদ এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রাজ্জাক, যিনি ছয় সদস্যের পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। গত কয়েকদিন ধরে গ্যাস না পেয়ে তার আয়ের পথ বন্ধ হয়ে গেছে। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, "জমানো টাকা ভেঙে এখন বাজার করতে হচ্ছে। গ্যাস না পেলে সামনে পরিবার নিয়ে না খেয়ে থাকতে হবে। সরেজমিনে সিএন্ডবি রোডের কেডি এলপিজি ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায় সিএনজির দীর্ঘ লাইন। চালকরা জানান, গত ৩-৪ দিন ধরে কোনো পাম্পেই পর্যাপ্ত গ্যাস নেই। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করে কোথাও কোথাও মাত্র ৪০০ টাকার গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে, যা দিয়ে সারা দিন গাড়ি চালানো অসম্ভব। ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ এই সংকটের জন্য এলপিজি আমদানি হ্রাস পাওয়াকে দায়ী করছেন। তাদের দাবি, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ অত্যন্ত কম এবং অনেকদিন পরপর গ্যাসের গাড়ি আসছে। অন্যদিকে, বিষয়টি গুরুত্বের সাথে নিয়েছ

বরিশালে তীব্র গ্যাস সংকট : থমকে গেছে হাজারো সিএনজি চালকের জীবন-জীবিকা!

বরিশাল নগরীতে এলপিজি গ্যাসের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। এর ফলে স্থবির হয়ে পড়েছে সিএনজিচালিত থ্রি-হুইলারের চাকা, যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে হাজার হাজার চালকের আয়ের ওপর। দীর্ঘ সময় পাম্পে লাইনে দাঁড়িয়েও মিলছে না পর্যাপ্ত গ্যাস, ফলে পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন শ্রমজীবী মানুষ।

নগরীর নথুল্লাবাদ এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রাজ্জাক, যিনি ছয় সদস্যের পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। গত কয়েকদিন ধরে গ্যাস না পেয়ে তার আয়ের পথ বন্ধ হয়ে গেছে।

তিনি আক্ষেপ করে বলেন, "জমানো টাকা ভেঙে এখন বাজার করতে হচ্ছে। গ্যাস না পেলে সামনে পরিবার নিয়ে না খেয়ে থাকতে হবে।

সরেজমিনে সিএন্ডবি রোডের কেডি এলপিজি ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায় সিএনজির দীর্ঘ লাইন। চালকরা জানান, গত ৩-৪ দিন ধরে কোনো পাম্পেই পর্যাপ্ত গ্যাস নেই। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করে কোথাও কোথাও মাত্র ৪০০ টাকার গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে, যা দিয়ে সারা দিন গাড়ি চালানো অসম্ভব।

ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ এই সংকটের জন্য এলপিজি আমদানি হ্রাস পাওয়াকে দায়ী করছেন। তাদের দাবি, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ অত্যন্ত কম এবং অনেকদিন পরপর গ্যাসের গাড়ি আসছে।

অন্যদিকে, বিষয়টি গুরুত্বের সাথে নিয়েছেন বরিশালের জেলা প্রশাসক খায়রুল আলম সুমন। তিনি জানান, কোনো ব্যবসায়ী বা সিন্ডিকেট যদি কৃত্রিম সংকট তৈরি করে থাকে, তবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরিস্থিতি যাচাইয়ে একজন ম্যাজিস্ট্রেটকে দায়িত্ব দেওয়ার কথাও নিশ্চিত করেন তিনি।

সংশ্লিষ্টদের মতে, এই গ্যাস সংকট দ্রুত সমাধান না হলে বরিশালের পরিবহন খাতের ওপর নির্ভরশীল প্রায় ৫০ হাজার মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়তে পারেন। সাধারণ চালকদের দাবি, দ্রুত সরবরাহ স্বাভাবিক করে তাদের আয়ের পথ সচল করতে সরকার যেন কার্যকর পদক্ষেপ নেয়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow