বরিশালে ভাইরাল ছবিকে কেন্দ্র করে শিক্ষককে পিটিয়ে আহত
চার মাস আগের ‘কিস’ (চুম্মা) সংক্রান্ত একটি ভাইরাল ছবিকে কেন্দ্র করে এক স্কুল শিক্ষককে নির্মমভাবে পিটিয়ে গুরুত্বর আহত করা হয়েছে। হামলার ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পরলে এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পরেছে। ঘটনাটি বরিশালের উজিরপুর উপজেলার হারতা বাজারের। স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে হারতা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম ফরাজীর নেতৃত্বে কয়েকজন ব্যক্তি হারতা স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক উত্তম কুমারের ওপর অতর্কিতভাবে হামলা চালায়। হামলার ভিডিও ধারণ করে তা সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে। হামলার শিকার শিক্ষক উত্তম কুমার বলেন, তিনি বিকেলে বাজারে গেলে দক্ষিণ হারতা গ্রামের আবদুর রব ফরাজীর ছেলে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম ফরাজী, হাবিবুর রহমান তালুকদারের ছেলে বাদশা তালুকদার, মহিউদ্দিন তালুকদারের ছেলে রিয়ান তালুকদার ও আইয়ুব আলীসহ তাদের আরও ৪/৫ জন সহযোগিরা তার (উত্তম) ওপর অতর্কিতভাবে হামলা চালিয়ে গুরুত্বর আহত করেন। অভিযুক্ত সিরাজুল ইসলাম ফরাজী জানিয়েছেন, চার মাস আগে শিক্ষকের সাথে এক তরুণীর ‘কিস’ করার একটি ছব
চার মাস আগের ‘কিস’ (চুম্মা) সংক্রান্ত একটি ভাইরাল ছবিকে কেন্দ্র করে এক স্কুল শিক্ষককে নির্মমভাবে পিটিয়ে গুরুত্বর আহত করা হয়েছে। হামলার ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পরলে এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পরেছে। ঘটনাটি বরিশালের উজিরপুর উপজেলার হারতা বাজারের।
স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে হারতা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম ফরাজীর নেতৃত্বে কয়েকজন ব্যক্তি হারতা স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক উত্তম কুমারের ওপর অতর্কিতভাবে হামলা চালায়। হামলার ভিডিও ধারণ করে তা সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে।
হামলার শিকার শিক্ষক উত্তম কুমার বলেন, তিনি বিকেলে বাজারে গেলে দক্ষিণ হারতা গ্রামের আবদুর রব ফরাজীর ছেলে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম ফরাজী, হাবিবুর রহমান তালুকদারের ছেলে বাদশা তালুকদার, মহিউদ্দিন তালুকদারের ছেলে রিয়ান তালুকদার ও আইয়ুব আলীসহ তাদের আরও ৪/৫ জন সহযোগিরা তার (উত্তম) ওপর অতর্কিতভাবে হামলা চালিয়ে গুরুত্বর আহত করেন।
অভিযুক্ত সিরাজুল ইসলাম ফরাজী জানিয়েছেন, চার মাস আগে শিক্ষকের সাথে এক তরুণীর ‘কিস’ করার একটি ছবি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পরে। তার দাবি, ওই তরুণী শিক্ষকের ছাত্রী ছিলেন এবং এমন কর্মকান্ডে এলাকার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছিল। এ কারণেই তাকে “উত্তম-মাধ্যম” দেওয়া হয়েছে।
এ অভিযোগ অস্বীকার করে শিক্ষক উত্তম কুমার বলেন, সংশ্লিষ্ট তরুণী তার ছাত্রী নন। উভয় পরিবারের সম্মতিতে তাদের বিয়ের প্রস্তুতি চলছিল। একটি ব্যক্তিগত বিষয়কে কেন্দ্র করে তাকে পরিকল্পিতভাবে মারধর করা হয়েছে।
উজিরপুর মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম বলেন, ভাইরাল ভিডিওটি তারা দেখেছেন এবং ঘটনাস্থল যৌথ বাহিনী পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
What's Your Reaction?