বরিশালে হাতের টানেই উঠে যাচ্ছে সড়কের পিচ
বরিশালের মুলাদীতে হাতের টানেই একটি সড়কের পিচ উঠে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার মুলাদী পৌরসভার তেরচর পাইতিখোলা থেকে সদর ইউনিয়নের কুতুবপুর বাজার পর্যন্ত সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের পুরাতন ইট, কম পরিমানে বিটুমিন, প্রয়োজনীয় প্রাইম কোট ছাড়াই সড়ক পাকা করায় অল্প টানেই ঢালাই করা পিচ উঠে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এঘটনায় গত বৃহস্পতিবার দুপুরে বিক্ষুদ্ধ জনতা সড়কের কাজ বন্ধ করে দেন। তবে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের মুলাদী উপজেলা প্রকৌশলী মো. জিয়াউল হক ও ঠিকাদার মো. রফিকুল ইসলাম সড়কে নিম্নমানের কাজ করার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় জানায়, মুলাদী পৌরসভার ২ নম্বর ওর্য়াডের তেরচর পাইতিখোলা খেয়াঘাট থেকে সদর ইউনিয়নের কুতুবপুর বাজার পর্যন্ত ২ হাজার ৪০০ মিটার সড়ক সংস্কারের জন্য প্রায় ৪ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়। ঠিকাদার মো. রফিকুল ইসলাম এই কাজ করছেন। মুলাদী সদর ইউনিয়নের কুতবপুর বাজার এলাকার বাসিন্দা আব্দুল জলিল সিকদার জানান, প্রায় আড়াই কিলোমিটার সড়ক সংস্কারের কাজে ঠিকাদার নিম্নমানের ইট দিয়েছেন। বিষয়টি উপজেলা প্রকৌশলীকে জানালেও কোন ব্যবস্
বরিশালের মুলাদীতে হাতের টানেই একটি সড়কের পিচ উঠে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার মুলাদী পৌরসভার তেরচর পাইতিখোলা থেকে সদর ইউনিয়নের কুতুবপুর বাজার পর্যন্ত সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের পুরাতন ইট, কম পরিমানে বিটুমিন, প্রয়োজনীয় প্রাইম কোট ছাড়াই সড়ক পাকা করায় অল্প টানেই ঢালাই করা পিচ উঠে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
এঘটনায় গত বৃহস্পতিবার দুপুরে বিক্ষুদ্ধ জনতা সড়কের কাজ বন্ধ করে দেন। তবে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের মুলাদী উপজেলা প্রকৌশলী মো. জিয়াউল হক ও ঠিকাদার মো. রফিকুল ইসলাম সড়কে নিম্নমানের কাজ করার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় জানায়, মুলাদী পৌরসভার ২ নম্বর ওর্য়াডের তেরচর পাইতিখোলা খেয়াঘাট থেকে সদর ইউনিয়নের কুতুবপুর বাজার পর্যন্ত ২ হাজার ৪০০ মিটার সড়ক সংস্কারের জন্য প্রায় ৪ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়। ঠিকাদার মো. রফিকুল ইসলাম এই কাজ করছেন।
মুলাদী সদর ইউনিয়নের কুতবপুর বাজার এলাকার বাসিন্দা আব্দুল জলিল সিকদার জানান, প্রায় আড়াই কিলোমিটার সড়ক সংস্কারের কাজে ঠিকাদার নিম্নমানের ইট দিয়েছেন।
বিষয়টি উপজেলা প্রকৌশলীকে জানালেও কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। গত বুধবার (১৫ এপ্রিল) পিচ ঢালাই কাজ শুরু করেন ঠিকাদার। কম বিটুমিন দিয়ে ঢালাই করায় শিশুদের হাতের টানে পিচ উঠে যাচ্ছে। এতে অল্প দিনের মধ্যেই সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই স্থানীয় বাসিন্দারা বৃহস্পতিবার দুপুরে কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন।
এ ব্যাপারে ঠিকাদার মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, মূল ঠিকাদারের কাছ থেকে কাজ কিনে সঠিক নিয়মে সড়কের কাজ করা হচ্ছে। নিম্ন মানের কাজ করার সুযোগ নেই। জামানত রয়েছে এবং কাজের মান নিয়ন্ত্রণের জন্য উর্ধ্বতন কতৃপক্ষের ল্যাব রয়েছে। সড়কে পিচ ঢালাই করার পর পূর্ণাঙ্গ ‘কিউরিং’ হতে কমপক্ষে ৮-১০দিন সময় লাগে। গত বুধবার পাইতিখোলা থেকে কুতুবপুর সড়কের কিছু অংশে পিচ ঢালাই করা হয়েছে। স্থানীয় একটি মহল ষড়যন্ত্র করে বৃহস্পতিবার হাত দিয়ে পিচ উঠিয়ে ভিডিও করেছেন।
উপজেলা প্রকৌশলী মো. জিয়াউল হক বলেন, পাইতিখোলা থেকে কুতুবপুর সড়কের কাজ সন্তোষজনক হওয়া সত্ত্বেও কিছু লোক কাজে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। বিষয়টি নিয়ে উর্ধ্বতন কর্তপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
What's Your Reaction?