বর্জ্য থেকে বায়োগ্যাস ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে : চসিক মেয়র
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, বর্জ্য থেকে বায়োগ্যাস ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে, যা পরিবেশবান্ধব নগর ব্যবস্থাপনায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) কর্ণফুলী নদীর দূষণ রোধ, পলিথিন ব্যবহার কমানো এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করে এক সেমিনারে এ কথা বলেন তিনি। জাতীয়তাবাদী গবেষণা পরিষদ, চট্টগ্রাম এ সেমিনারের আয়োজন করে। চট্টগ্রামে ‘একটি জাতির জন্ম, স্বাধীনতা যুদ্ধ ও জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচি’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান বক্তা ছিলেন সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান। প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচি দেশের কৃষি উন্নয়ন ও জলাবদ্ধতা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ও ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। তিনি আরও বলেন, খাল খনন ও পুনঃখননের মাধ্যমে পানি প্রবাহ স্বাভাবিক রাখা গেলে কৃষিতে সেচ সুবিধা বৃদ্ধি পায়, ফলে উৎপাদনশীলতা বাড়ে এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সহজ হয়। একই সঙ্গে নগর এলাকায় পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়নের মাধ্যমে জলাবদ্ধতা নিরসনেও এই কর্মসূচি কার্যকর ভূমিকা র
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, বর্জ্য থেকে বায়োগ্যাস ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে, যা পরিবেশবান্ধব নগর ব্যবস্থাপনায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে।
শনিবার (১১ এপ্রিল) কর্ণফুলী নদীর দূষণ রোধ, পলিথিন ব্যবহার কমানো এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করে এক সেমিনারে এ কথা বলেন তিনি।
জাতীয়তাবাদী গবেষণা পরিষদ, চট্টগ্রাম এ সেমিনারের আয়োজন করে। চট্টগ্রামে ‘একটি জাতির জন্ম, স্বাধীনতা যুদ্ধ ও জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচি’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান বক্তা ছিলেন সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচি দেশের কৃষি উন্নয়ন ও জলাবদ্ধতা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ও ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।
তিনি আরও বলেন, খাল খনন ও পুনঃখননের মাধ্যমে পানি প্রবাহ স্বাভাবিক রাখা গেলে কৃষিতে সেচ সুবিধা বৃদ্ধি পায়, ফলে উৎপাদনশীলতা বাড়ে এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সহজ হয়। একই সঙ্গে নগর এলাকায় পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়নের মাধ্যমে জলাবদ্ধতা নিরসনেও এই কর্মসূচি কার্যকর ভূমিকা রাখছে।
প্রধান বক্তার বক্তব্যে আবু সুফিয়ান বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধ ছিল সমগ্র জাতির ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম এবং এর সঠিক ইতিহাস সংরক্ষণ করা জরুরি। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন এবং তার অবদান ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
মূল প্রবন্ধে অ্যাডভোকেট মঈনুদ্দীন উল্লেখ করেন, জাতির ক্রান্তিকালে মেজর জিয়া পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ২৫ মার্চ রাতে রিভোল্ট ঘোষণা করেন। ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঐতিহাসিক ঘোষণা দেন। তিনি প্রথমে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট, পরে জেড ফোর্সের অধিনায়ক হিসেবে যুদ্ধে নেতৃত্ব দেন।
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রফেসর ড. মোজাফফর আহমেদ চৌধুরী। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ মঈনুদ্দীন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- বীর মুক্তিযোদ্ধা একরামুল করিম, মো. হারুন জামান, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আনোয়ার হোসেন লিপু, খোরশেদ আলম, খোরশেদুর রহমান ও শামসুল আনোয়ার খান। সঞ্চালনা করেন আবদুল আওয়াল।
এছাড়া অধ্যাপক আব্বাস আহমেদ, কে এম সেলিম খান, মোহাম্মদ নুরুল আজাদ, মো. শাহ আলম, সালাউদ্দীন কায়সার লাভু, জাকির হোসেন, মো. গিয়াস উদ্দিন, শফিক আহমেদ, রফিক সর্দার, অ্যাডভোকেট এরশাদুর রহমান, , জসিমউদদীন হিমেল, মো. নাছির উদ্দীন, মো. হাসান, আতিকুর রহমান, নজরুল ইসলাম নিয়াজি, শেখ আলাউদ্দিন বক্তব্য রাখেন।
What's Your Reaction?