বর্ষায় ত্বকের যত্নে ভুল করছেন না তো?
বর্ষা মৌসুমে ত্বকের আচরণ অনেকটাই বদলে যায়। বাইরে বের হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই মুখে তেলতেলে ভাব দেখা দিতে পারে। এর সঙ্গে যুক্ত হয় লোমকূপ বন্ধ হয়ে যাওয়া, ব্রণ কিংবা ত্বকে অস্বস্তির মতো সমস্যা। বিশেষ করে যাদের ত্বক স্বাভাবিকভাবেই তৈলাক্ত, বর্ষায় তাদের ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। তবে সঠিক পরিচর্যা মেনে চললে এই সময়েও ত্বক রাখা সম্ভব সতেজ ও স্বস্তিদায়ক। বর্ষাকালে ভারী ক্রিমের বদলে হালকা অয়েল-ফ্রি ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা ভালো। ত্বকের প্রয়োজনীয় আর্দ্রতা বজায় রাখতে হবে, তবে তা যেন ঋতুর উপযোগী হয়। একই সঙ্গে জেল-ভিত্তিক সানস্ক্রিন ব্যবহার করলে ত্বক সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে সুরক্ষিত থাকে এবং অতিরিক্ত তেলও নিয়ন্ত্রণে থাকে। আরও পড়ুন অজান্তেই ত্বক বুড়িয়ে দিচ্ছে যে তিন অভ্যাস দিনে দুইবার মুখ ধোয়া জরুরি বর্ষায় ঘাম ও অতিরিক্ত তেল জমে ত্বক আঠালো হয়ে যেতে পারে। এজন্য জেল-বেইজড ফেসওয়াশ ব্যবহার করা উপকারী। এটি ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা নষ্ট না করেই অতিরিক্ত তেল পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। তবে বারবার মুখ ধোয়ার অভ্যাস এড়িয়ে চলুন। দিনে দুইবারের বেশি মুখ পরিষ্কার করলে ত্বকের প্রাকৃতিক তেল কমে গিয়ে উল্টো
বর্ষা মৌসুমে ত্বকের আচরণ অনেকটাই বদলে যায়। বাইরে বের হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই মুখে তেলতেলে ভাব দেখা দিতে পারে। এর সঙ্গে যুক্ত হয় লোমকূপ বন্ধ হয়ে যাওয়া, ব্রণ কিংবা ত্বকে অস্বস্তির মতো সমস্যা। বিশেষ করে যাদের ত্বক স্বাভাবিকভাবেই তৈলাক্ত, বর্ষায় তাদের ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। তবে সঠিক পরিচর্যা মেনে চললে এই সময়েও ত্বক রাখা সম্ভব সতেজ ও স্বস্তিদায়ক।
বর্ষাকালে ভারী ক্রিমের বদলে হালকা অয়েল-ফ্রি ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা ভালো। ত্বকের প্রয়োজনীয় আর্দ্রতা বজায় রাখতে হবে, তবে তা যেন ঋতুর উপযোগী হয়। একই সঙ্গে জেল-ভিত্তিক সানস্ক্রিন ব্যবহার করলে ত্বক সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে সুরক্ষিত থাকে এবং অতিরিক্ত তেলও নিয়ন্ত্রণে থাকে।
দিনে দুইবার মুখ ধোয়া জরুরি
বর্ষায় ঘাম ও অতিরিক্ত তেল জমে ত্বক আঠালো হয়ে যেতে পারে। এজন্য জেল-বেইজড ফেসওয়াশ ব্যবহার করা উপকারী। এটি ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা নষ্ট না করেই অতিরিক্ত তেল পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। তবে বারবার মুখ ধোয়ার অভ্যাস এড়িয়ে চলুন। দিনে দুইবারের বেশি মুখ পরিষ্কার করলে ত্বকের প্রাকৃতিক তেল কমে গিয়ে উল্টো আরও বেশি সিবাম তৈরি হতে পারে।
ওয়াটার-বেইজড সিরাম ব্যবহার করুন
তৈলাক্ত ত্বকের জন্য নায়াসিনামাইড সমৃদ্ধ সিরাম বেশ কার্যকর। সাধারণত ১০ থেকে ১২ শতাংশ নায়াসিনামাইডযুক্ত সিরাম ত্বকের অতিরিক্ত তেল উৎপাদন কমাতে সাহায্য করে। পাশাপাশি ব্রণের কারণে হওয়া প্রদাহও কমায়। মুখ পরিষ্কার করার পর এবং ময়েশ্চারাইজার লাগানোর আগে এটি ব্যবহার করতে পারেন।

কৃতির বিকিনি বডির রহস্য জানালেন তার কোচ
অয়েল-ফ্রি ময়েশ্চারাইজার বেছে নিন
অনেকে মনে করেন বর্ষায় ত্বক এমনিতেই তেলতেলে থাকে, তাই ময়েশ্চারাইজারের দরকার নেই। কিন্তু এটি ভুল ধারণা। ত্বক পানিশূন্য হয়ে গেলে ক্ষতিপূরণ হিসেবে আরও বেশি তেল তৈরি করতে শুরু করে। তাই হায়ালুরোনিক অ্যাসিড বা গ্লিসারিনযুক্ত হালকা অয়েল-ফ্রি ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করলে ত্বক প্রয়োজনীয় আর্দ্রতা পায়, অথচ ভারী অনুভূতি তৈরি হয় না।
জেল সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন
মেঘলা আবহাওয়া থাকলেও বর্ষায় সূর্যের ইউভি রশ্মি পুরোপুরি কমে যায় না। তাই এসপিএফ ৫০ এবং পিএ প্লাস রেটিংযুক্ত জেল সানস্ক্রিন ব্যবহার করা ভালো। এটি দ্রুত ত্বকে মিশে যায় এবং অতিরিক্ত তেল জমতে দেয় না। সকালে স্কিনকেয়ারের শেষ ধাপে এটি লাগান। দীর্ঘ সময় বাইরে থাকলে প্রতি দুই ঘণ্টা পর পুনরায় ব্যবহার করুন।
সপ্তাহে একদিন এক্সফোলিয়েশন করুন
বর্ষার আর্দ্র আবহাওয়ায় ত্বকে ময়লা ও মৃত কোষ জমে ব্ল্যাকহেডসের সমস্যা বাড়তে পারে। এজন্য সপ্তাহে একবার স্যালিসাইলিক অ্যাসিড বা ল্যাকটিক অ্যাসিডযুক্ত এক্সফোলিয়েটর ব্যবহার করতে পারেন। এটি লোমকূপ পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। তবে অতিরিক্ত এক্সফোলিয়েশন ত্বকের সুরক্ষা স্তর ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে, তাই সপ্তাহে একবারই যথেষ্ট।
জেএস/
What's Your Reaction?

