বল যখন ভেতরে ঢুকতে চায় না, তখন কোনোভাবেই ঢুকবে না : স্পেন কোচ

প্রথমাভিষেক ম্যাচেই পরাশক্তি স্পেনের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করে বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম সেরা অঘটনের জন্ম দিয়েছে আফ্রিকার দেশ কেপ ভার্দে। পুরো ম্যাচজুড়ে স্প্যানিশ ফরোয়ার্ডরা একের পর এক আক্রমণ করেও ভাঙতে পারেনি আফ্রিকানদের ডিফেন্স। ম্যাচজুড়ে মোট ২৭টি শট নিয়েও গোলের দেখা না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত ভাগ্যকেই কাঠগড়ায় দাঁড় করালেন স্পেনের কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে ইউরো জয়ী স্প্যানিশ কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে নিজের হতাশা প্রকাশ করে বলেন, এটাই আসলে ফুটবল এবং এই ম্যাচ আমাদের শিক্ষা দেয় যে, এখানে দুর্বল কোনো প্রতিপক্ষ নেই। আমাদের আরও কঠোর পরিশ্রম করতে হবে এবং ফিনিশিংয়ের ক্ষেত্রে অনেক বেশি মনোযোগী হতে হবে। আমরা জানি, ম্যাচে আমরা যে পরিমাণ সুযোগ তৈরি করেছি তাতে আমাদের জেতা উচিত ছিল। কিন্তু এই ধরনের হাই-ভোল্টেজ ম্যাচে আপনাকে অবশ্যই শতভাগ নিখুঁত হতে হবে। শত চেষ্টা করেও কেপ ভার্দের জালে বল ঢোকাতে না পারার পেছনে প্রতিপক্ষের জমাট রক্ষণভাগ ও ভাগ্যকে দায়ী করেন কোচ। তিনি বলেন, তারা অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ফুটবল খেলেছে এবং শারীরিকভাবে তারা বেশ শক্তিশালী। ম্যাচের প্রথম থেকেই তাদের ১০ জন খেলোয়

বল যখন ভেতরে ঢুকতে চায় না, তখন কোনোভাবেই ঢুকবে না : স্পেন কোচ
প্রথমাভিষেক ম্যাচেই পরাশক্তি স্পেনের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করে বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম সেরা অঘটনের জন্ম দিয়েছে আফ্রিকার দেশ কেপ ভার্দে। পুরো ম্যাচজুড়ে স্প্যানিশ ফরোয়ার্ডরা একের পর এক আক্রমণ করেও ভাঙতে পারেনি আফ্রিকানদের ডিফেন্স। ম্যাচজুড়ে মোট ২৭টি শট নিয়েও গোলের দেখা না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত ভাগ্যকেই কাঠগড়ায় দাঁড় করালেন স্পেনের কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে ইউরো জয়ী স্প্যানিশ কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে নিজের হতাশা প্রকাশ করে বলেন, এটাই আসলে ফুটবল এবং এই ম্যাচ আমাদের শিক্ষা দেয় যে, এখানে দুর্বল কোনো প্রতিপক্ষ নেই। আমাদের আরও কঠোর পরিশ্রম করতে হবে এবং ফিনিশিংয়ের ক্ষেত্রে অনেক বেশি মনোযোগী হতে হবে। আমরা জানি, ম্যাচে আমরা যে পরিমাণ সুযোগ তৈরি করেছি তাতে আমাদের জেতা উচিত ছিল। কিন্তু এই ধরনের হাই-ভোল্টেজ ম্যাচে আপনাকে অবশ্যই শতভাগ নিখুঁত হতে হবে। শত চেষ্টা করেও কেপ ভার্দের জালে বল ঢোকাতে না পারার পেছনে প্রতিপক্ষের জমাট রক্ষণভাগ ও ভাগ্যকে দায়ী করেন কোচ। তিনি বলেন, তারা অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ফুটবল খেলেছে এবং শারীরিকভাবে তারা বেশ শক্তিশালী। ম্যাচের প্রথম থেকেই তাদের ১০ জন খেলোয়াড় পেনাল্টি বক্সের ভেতর অবস্থান নিয়েছিল। এত ঘন রক্ষণভাগের মাঝে জায়গা তৈরি করে শট নেওয়াটা খুবই কঠিন ছিল। একইসঙ্গে বলের গতিবিধিও আমাদের হতাশ করেছে। আসলে বল যখন ভেতরে ঢুকতে চায় না, তখন কোনোভাবেই ঢুকবে না। এই ম্যাচে স্পেনের দুই প্রধান তারকা লামিন ইয়ামাল ও নিকো উইলিয়ামস শুরুর একাদশে ছিলেন না। ম্যাচের ৭০ মিনিটে ইয়ামাল এবং ৮৬ মিনিটে উইলিয়ামসকে মাঠে নামান কোচ। তাদের শারীরিক অবস্থা ও চোটের আপডেট জানিয়ে কোচ বলেন, আমাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে ধীরে ধীরে তাদের খেলার সময় (গেম টাইম) বাড়ানো, যাতে তারা পুরোপুরি ছন্দ ফিরে পায়। আমাদের পরবর্তী লক্ষ্য এখন সৌদি আরব ম্যাচ। আমি আশা করি সেই ম্যাচের আগেই তারা দুজন শতভাগ ফিট হয়ে উঠবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow