বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতায় বিএনপি সরকার কখনো বাধা দেয়নি: ব্যারিস্টার বাদল
বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে বিএনপি সরকার কখনো বাধা সৃষ্টি করেনি বলে মন্তব্য করেছেন দলটির আইনবিষয়ক সম্পাদক ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সম্পাদক ব্যারিস্টার এম. বদরুদ্দোজা বাদল। শনিবার (২০ জুন) রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে সুপ্রিম কোর্ট রিপোর্টার্স ফোরামের বার্ষিক সাধারণ সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন তিনি। ব্যারিস্টার বাদল বলেন, গত ১৬-১৭ বছরে গণমাধ্যমের ওপর বিভিন্ন ধরনের বিধিনিষেধ ছিল। প্রিন্ট মিডিয়ায় কী প্রকাশ করা যাবে, ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কার সাক্ষাৎকার নেওয়া যাবে বা কাকে টকশোতে ডাকা যাবে— এসব বিষয়ে সীমাবদ্ধতা ছিল। তবে সাংবাদিকদের ওপর এ ধরনের কোনো বাধা বর্তমান সরকারের আমলে নেই, ভবিষ্যতেও থাকবে না। অনুষ্ঠানে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক সিনিয়র অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী বলেন, এখন প্রত্যেকটা টেলিভিশন ও পত্রিকায় প্রতিদিন সুপ্রিম কোর্টের এক বা একাধিক নিউজ থাকে। এটা আপনারা (সাংবাদিকরা) গ্রহণযোগ্য করে তুলেছেন। এসময় সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক বলে, প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নবনির্বাচনী কমিটি সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানে অবশ্যই আমরা আপনাদের (সাংবাদিক
বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে বিএনপি সরকার কখনো বাধা সৃষ্টি করেনি বলে মন্তব্য করেছেন দলটির আইনবিষয়ক সম্পাদক ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সম্পাদক ব্যারিস্টার এম. বদরুদ্দোজা বাদল।
শনিবার (২০ জুন) রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে সুপ্রিম কোর্ট রিপোর্টার্স ফোরামের বার্ষিক সাধারণ সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন তিনি।
ব্যারিস্টার বাদল বলেন, গত ১৬-১৭ বছরে গণমাধ্যমের ওপর বিভিন্ন ধরনের বিধিনিষেধ ছিল। প্রিন্ট মিডিয়ায় কী প্রকাশ করা যাবে, ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কার সাক্ষাৎকার নেওয়া যাবে বা কাকে টকশোতে ডাকা যাবে— এসব বিষয়ে সীমাবদ্ধতা ছিল। তবে সাংবাদিকদের ওপর এ ধরনের কোনো বাধা বর্তমান সরকারের আমলে নেই, ভবিষ্যতেও থাকবে না।
অনুষ্ঠানে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক সিনিয়র অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী বলেন, এখন প্রত্যেকটা টেলিভিশন ও পত্রিকায় প্রতিদিন সুপ্রিম কোর্টের এক বা একাধিক নিউজ থাকে। এটা আপনারা (সাংবাদিকরা) গ্রহণযোগ্য করে তুলেছেন।
এসময় সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক বলে, প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নবনির্বাচনী কমিটি সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানে অবশ্যই আমরা আপনাদের (সাংবাদিকদের) আপিল বিভাগে প্রবেশের বিষয়ে কথা বলবো। কারণ, বিচার ব্যবস্থার স্বচ্ছতার জন্য সাংবাদিকদের উপস্থিতি অত্যন্ত জরুরি।
সুপ্রিম কোর্ট রিপোর্টার্স ফোরামের কার্যনির্বাহী কমিটির বিদায়ী সভাপতি মাসউদুর রহমান রহমান রানার সভাপতিত্বে বার্ষিক সাধারণ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।
এছাড়া বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম, সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।
এফএইচ/এমএএইচ/
What's Your Reaction?