বহিষ্কার নয়, আমাকে সংবর্ধনা দেওয়া উচিত ছিলো : রিয়াজুল রিজু

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সদস্যপদ থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কারের সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নির্মাতা রিয়াজুল রিজু। তাঁর দাবি, সংগঠন তাঁকে বহিষ্কার না করে বরং সংবর্ধনা দেওয়া উচিত ছিল। শনিবার (৪ জুলাই) অনুষ্ঠিত পরিচালক সমিতির সাধারণ সভায় সংগঠনের তিন সদস্য- বদিউল আলম খোকন, রিয়াজুল রিজু ও মঞ্জুরুল ইসলাম মেঘকে আজীবনের জন্য বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আরও পড়ুন শাকিব খানের নির্মাতাসহ তিনজনকে সমিতি থেকে আজীবন বহিষ্কার সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য গাজী মাহবুব জানান, সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার অভিযোগে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন রিয়াজুল রিজু। তিনি দাবি করেন, বহিষ্কারের আগে তার সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ করা হয়নি। এমনকি এ বিষয়ে কোনো নোটিশও পাননি। রিজু বলেন, ‘গণমাধ্যমের খবর দেখে বিষয়টি জানতে পেরেছি। সমিতির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কোনো সদস্যকে বহিষ্কার করতে হলে একাধিকবার নোটিশ ও আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিতে হয়। কিন্তু আমাকে কিছুই জানানো হয়নি।’ তিনি মনে করেন, পরিচালক বদিউল আলম খোকনের করা একটি মামলার জের ধরেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া

বহিষ্কার নয়, আমাকে সংবর্ধনা দেওয়া উচিত ছিলো : রিয়াজুল রিজু

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সদস্যপদ থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কারের সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নির্মাতা রিয়াজুল রিজু। তাঁর দাবি, সংগঠন তাঁকে বহিষ্কার না করে বরং সংবর্ধনা দেওয়া উচিত ছিল।

শনিবার (৪ জুলাই) অনুষ্ঠিত পরিচালক সমিতির সাধারণ সভায় সংগঠনের তিন সদস্য- বদিউল আলম খোকন, রিয়াজুল রিজু ও মঞ্জুরুল ইসলাম মেঘকে আজীবনের জন্য বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য গাজী মাহবুব জানান, সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার অভিযোগে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন রিয়াজুল রিজু। তিনি দাবি করেন, বহিষ্কারের আগে তার সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ করা হয়নি। এমনকি এ বিষয়ে কোনো নোটিশও পাননি।

রিজু বলেন, ‘গণমাধ্যমের খবর দেখে বিষয়টি জানতে পেরেছি। সমিতির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কোনো সদস্যকে বহিষ্কার করতে হলে একাধিকবার নোটিশ ও আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিতে হয়। কিন্তু আমাকে কিছুই জানানো হয়নি।’

তিনি মনে করেন, পরিচালক বদিউল আলম খোকনের করা একটি মামলার জের ধরেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

‘বাপজানের বায়স্কোপ’খ্যাত এই নির্মাতা আরও বলেন, ‘জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের সময় যারা এর বিরোধিতা করেছিল, তাদের বিরুদ্ধে আমি প্রকাশ্যে কথা বলেছি। আমি জুলাই অভ্যুত্থানে আহত গেজেটভুক্ত একমাত্র চলচ্চিত্র পরিচালক। সেই বিবেচনায় আমাকে বহিষ্কার নয়, বরং সংবর্ধনা দেওয়া উচিত ছিলো।’

বর্তমান পরিচালক সমিতির কমিটির বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন রিজু। তার ভাষ্য, ‘যারা নিজেরাই বিতর্কের মধ্যে রয়েছে, তারা কীভাবে অন্য সদস্যকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করে? এই সিদ্ধান্ত আমি মেনে নিতে পারছি না।’

তিনি আরও অভিযোগ করেন, পরিচালক সমিতি চলচ্চিত্রের উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না। তার মতে, সংগঠনটি এখন মূল উদ্দেশ্য থেকে অনেকটাই সরে গেছে।

বর্তমান সভাপতি শাহীন সুমনের প্রসঙ্গ টেনে রিজু বলেন, ‘শাহীন সুমন ভাইয়ের সঙ্গে আমার দীর্ঘদিনের সম্পর্ক। অতীতে বিভিন্ন সময় তার পাশে দাঁড়িয়েছি। অথচ এত বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তিনি একবারও আমাকে ফোন করার প্রয়োজন মনে করেননি। এতে আমি কষ্ট পেয়েছি।’

উল্লেখ্য, গত বছর পরিচালক সমিতির নির্বাচন বাতিলের দাবিতে আদালতে মামলা করেছিলেন বদিউল আলম খোকন। সেই মামলাকে কেন্দ্র করেই সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে সমিতির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে বদিউল আলম খোকনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

এলআইএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow