বাঁধ নির্মাণের দাবিতে ফেনীর এমপিকে খোলা চিঠি
বন্যা ও নদী ভাঙন রোধে জরুরি ভিত্তিতে নদী ও খাল খনন এবং বাঁধ নির্মাণের দাবিতে ফেনী-১ আসনের জনগণের পক্ষ থেকে স্থানীয় সংসদ সদস্য (এমপি) মুন্সী রফিকুল আলম মজনুকে খোলা চিঠি দিয়েছে শিক্ষামূলক সামাজিক সংগঠন ‘রাহবার’।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) রাতে পরশুরাম উপজেলা প্রাঙ্গণে এমপির হাতে এ চিঠি তুলে দেওয়া হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাহবারের কার্যকরী পর্ষদের সাবেক সভাপতি ইয়াসিন আরাফাত, সাধারণ সম্পাদক এনামুল করিম আজাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল কাদির মজুমদার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পারভেজ উদ্দিন, অর্থ সম্পাদক কাজী হাবিবুর রহমান, দপ্তর সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন নাঈম, সহ-প্রচার সম্পাদক সোলায়মান উদ্দিন রাসেল, স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ইফতেখার উদ্দিন আবির, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক শাহরিয়ার মজুমদার সিয়াম, কার্যনির্বাহী সদস্য আজমির হোসেন প্রমুখ।
খোলা চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ‘চব্বিশের বন্যার পর আরও এক বন্যার মুখোমুখি হওয়ার পরও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো স্থায়ী প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা, বিশেষ করে বাঁধ নির্মাণ বাস্তবায়ন করা হয়নি।
উল্লেখ্য যে, ২৪-এর বন্যার মূল উৎপত্তিস্থল বল্লামুখা বাঁধ নির্মাণের কাজ করা হলেও যথাযথ সংস্কার করা হয়ন
বন্যা ও নদী ভাঙন রোধে জরুরি ভিত্তিতে নদী ও খাল খনন এবং বাঁধ নির্মাণের দাবিতে ফেনী-১ আসনের জনগণের পক্ষ থেকে স্থানীয় সংসদ সদস্য (এমপি) মুন্সী রফিকুল আলম মজনুকে খোলা চিঠি দিয়েছে শিক্ষামূলক সামাজিক সংগঠন ‘রাহবার’।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) রাতে পরশুরাম উপজেলা প্রাঙ্গণে এমপির হাতে এ চিঠি তুলে দেওয়া হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাহবারের কার্যকরী পর্ষদের সাবেক সভাপতি ইয়াসিন আরাফাত, সাধারণ সম্পাদক এনামুল করিম আজাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল কাদির মজুমদার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পারভেজ উদ্দিন, অর্থ সম্পাদক কাজী হাবিবুর রহমান, দপ্তর সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন নাঈম, সহ-প্রচার সম্পাদক সোলায়মান উদ্দিন রাসেল, স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ইফতেখার উদ্দিন আবির, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক শাহরিয়ার মজুমদার সিয়াম, কার্যনির্বাহী সদস্য আজমির হোসেন প্রমুখ।
খোলা চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ‘চব্বিশের বন্যার পর আরও এক বন্যার মুখোমুখি হওয়ার পরও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো স্থায়ী প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা, বিশেষ করে বাঁধ নির্মাণ বাস্তবায়ন করা হয়নি।
উল্লেখ্য যে, ২৪-এর বন্যার মূল উৎপত্তিস্থল বল্লামুখা বাঁধ নির্মাণের কাজ করা হলেও যথাযথ সংস্কার করা হয়নি। ফলে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে আমরা আবারও একই বিপদের আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছি।
নদী ও খালগুলোতে পলি জমে ভরাট হয়ে যাওয়ায় পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে ভয়াবহ বন্যা ও নদী ভাঙনের ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।’
এমতাবস্থায় খোলা চিঠিতে এই অঞ্চলকে পুনরায় পানিতে তলিয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করতে জরুরি ভিত্তিতে নদী ও খাল খনন এবং বাঁধ নির্মাণের জোর দাবি জানানো হয়।