বাংলাদেশসহ ১৩ দেশের প্রতিরক্ষা জোটের কমান্ডার নিয়োগ দিলো সৌদি
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্যপথ বাব আল-মান্দেব প্রণালি, লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরে নৌ চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে গঠিত বহুজাতিক সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা জোটের নেতৃত্বে নতুন কমান্ডার নিয়োগ দিয়েছে সৌদি আরব। এদিকে, আরও কয়েকটি দেশ এই জোটে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে বলে জানা গেছে। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) এক বিবৃতিতে সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, রিয়ার অ্যাডমিরাল আবদুল্লাহ বিন সালেম আল-শেহরিকে এই বহুজাতিক সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা জোটের কমান্ডার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। জোট গঠনের এক সপ্তাহের মাথায় তার এই নিয়োগ চূড়ান্ত করা হলো। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া বিবৃতিতে সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, আল-শেহরি সদস্য দেশগুলোর যৌথ নৌ প্রতিরক্ষা কার্যক্রম তদারকি করবেন। পাশাপাশি তিনি জোটভুক্ত দেশগুলোর পাশাপাশি অন্যান্য সামুদ্রিক জোটের সঙ্গে সমন্বয় করবেন এবং জোটের সনদ অনুযায়ী নির্ধারিত দায়িত্ব ও অভিযান পরিচালনা করবেন। গত ৩০ জুলাই সৌদি আরব, বাংলাদেশ, বাহরাইন, কোমোরোস, জিবুতি, মিশর, জর্ডান, কুয়েত, পাকিস্তান, কাতার, সোমালিয়া, সুদান, তুরস্ক ও ইয়েমেন- এই ১৪টি
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্যপথ বাব আল-মান্দেব প্রণালি, লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরে নৌ চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে গঠিত বহুজাতিক সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা জোটের নেতৃত্বে নতুন কমান্ডার নিয়োগ দিয়েছে সৌদি আরব। এদিকে, আরও কয়েকটি দেশ এই জোটে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে বলে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) এক বিবৃতিতে সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, রিয়ার অ্যাডমিরাল আবদুল্লাহ বিন সালেম আল-শেহরিকে এই বহুজাতিক সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা জোটের কমান্ডার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। জোট গঠনের এক সপ্তাহের মাথায় তার এই নিয়োগ চূড়ান্ত করা হলো।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া বিবৃতিতে সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, আল-শেহরি সদস্য দেশগুলোর যৌথ নৌ প্রতিরক্ষা কার্যক্রম তদারকি করবেন। পাশাপাশি তিনি জোটভুক্ত দেশগুলোর পাশাপাশি অন্যান্য সামুদ্রিক জোটের সঙ্গে সমন্বয় করবেন এবং জোটের সনদ অনুযায়ী নির্ধারিত দায়িত্ব ও অভিযান পরিচালনা করবেন।
গত ৩০ জুলাই সৌদি আরব, বাংলাদেশ, বাহরাইন, কোমোরোস, জিবুতি, মিশর, জর্ডান, কুয়েত, পাকিস্তান, কাতার, সোমালিয়া, সুদান, তুরস্ক ও ইয়েমেন- এই ১৪টি দেশ বহুজাতিক সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা জোট গঠনের ঘোষণা দেয়।
সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আরও কয়েকটি দেশ এই জোটে যোগ দেওয়ার আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছে। এর মধ্যে কিছু দেশ এরই মধ্যে যৌথ ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করেছে। অন্য কয়েকটি দেশ প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেওয়ার আগে ঘোষণাপত্র ও জোটের সনদে স্বাক্ষরের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
মন্ত্রণালয় জোটটিকে একটি ‘উন্মুক্ত আন্তর্জাতিক জোট’ ঘোষণা করেছে। তাদের ভাষ্য, জোটের লক্ষ্য ও নীতির সঙ্গে একমত এমন সব দেশের জন্য এই জোট উন্মুক্ত। নতুন সদস্যপদের আবেদনও নিয়মিত গ্রহণ করা হচ্ছে।
সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, আগামী ১২ ও ১৩ আগস্ট জোটের একটি পরিকল্পনা বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। ওই বৈঠকে জোটের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো চূড়ান্ত করা হবে এবং আরও নতুন দেশকে অন্তর্ভুক্ত করার পথ তৈরি করা হবে।
গত ৩০ জুলাই জোট গঠনের ঘোষণা দেওয়া ১৪টি দেশ জানিয়েছিল, তাদের লক্ষ্য হলো বাব আল-মান্দেব প্রণালি, লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরে নৌ চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ নিরাপদ রাখা।
এই সামুদ্রিক করিডর ভারত মহাসাগরের সঙ্গে ভূমধ্যসাগরের সংযোগ স্থাপনকারী বিশ্বের অন্যতম কৌশলগত নৌপথ হিসেবে বিবেচিত হয়।
এদিকে এমন সময়ে এই উদ্যোগ নেওয়া হলো, যখন যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে হরমুজ প্রণালি।
সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালিতে কার্যত নৌ চলাচল ব্যাহত হয়েছে। যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হতো। ফলে এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথের অচলাবস্থা বৈশ্বিক অর্থনীতির ওপরও বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করছে।
সূত্র: আল-জাজিরা, আরব নিউজ
এসএএইচ
What's Your Reaction?