বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা বন্ড নিয়ে মার্কিন দূতাবাসের নতুন বার্তা
যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণেচ্ছু বাংলাদেশিসহ ৩৮ দেশের নাগরিকদের জন্য ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রে নতুন আর্থিক শর্ত আরোপ করেছে মার্কিন প্রশাসন। এর অংশ হিসেবে ব্যবসা ও পর্যটন ভিসা (বি১/বি২) অনুমোদনের শর্ত হিসেবে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দেওয়ার বিধান কার্যকর হতে যাচ্ছে। এ বিষয়ে ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস সোমবার (১৯ জানুয়ারি) এক বার্তায় জানায়, ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে নতুন এই নিয়ম কার্যকর হবে। তবে এর আগে ইস্যু করা বৈধ বি১/বি২ ভিসাধারীদের ক্ষেত্রে এ বিধান প্রযোজ্য হবে না। বার্তায় বলা হয়, ভিসা সাক্ষাৎকারে কনসুলার কর্মকর্তা আবেদনকারীকে যোগ্য বিবেচনা করলে তার ঝুঁকি মূল্যায়নের ভিত্তিতে ৫ হাজার, ১০ হাজার অথবা ১৫ হাজার মার্কিন ডলার বন্ড নির্ধারণ করা হবে। কনসুলার কর্মকর্তার স্পষ্ট নির্দেশনা ছাড়া কোনো আবেদনকারী বন্ড জমা দিতে পারবেন না। দূতাবাস আরও জানায়, সাক্ষাৎকারের আগে আগাম অর্থ পরিশোধ করলে তা ভিসা পাওয়ার নিশ্চয়তা দেয় না এবং এ ধরনের অর্থ ফেরতযোগ্যও নয়। অনুমোদন পাওয়া গেলে আবেদনকারীকে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের নির্ধারিত অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমেই বন্ড জমা দিতে হবে। তৃতীয় পক্ষের ওয়েব
যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণেচ্ছু বাংলাদেশিসহ ৩৮ দেশের নাগরিকদের জন্য ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রে নতুন আর্থিক শর্ত আরোপ করেছে মার্কিন প্রশাসন। এর অংশ হিসেবে ব্যবসা ও পর্যটন ভিসা (বি১/বি২) অনুমোদনের শর্ত হিসেবে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দেওয়ার বিধান কার্যকর হতে যাচ্ছে।
এ বিষয়ে ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস সোমবার (১৯ জানুয়ারি) এক বার্তায় জানায়, ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে নতুন এই নিয়ম কার্যকর হবে। তবে এর আগে ইস্যু করা বৈধ বি১/বি২ ভিসাধারীদের ক্ষেত্রে এ বিধান প্রযোজ্য হবে না।
বার্তায় বলা হয়, ভিসা সাক্ষাৎকারে কনসুলার কর্মকর্তা আবেদনকারীকে যোগ্য বিবেচনা করলে তার ঝুঁকি মূল্যায়নের ভিত্তিতে ৫ হাজার, ১০ হাজার অথবা ১৫ হাজার মার্কিন ডলার বন্ড নির্ধারণ করা হবে। কনসুলার কর্মকর্তার স্পষ্ট নির্দেশনা ছাড়া কোনো আবেদনকারী বন্ড জমা দিতে পারবেন না।
দূতাবাস আরও জানায়, সাক্ষাৎকারের আগে আগাম অর্থ পরিশোধ করলে তা ভিসা পাওয়ার নিশ্চয়তা দেয় না এবং এ ধরনের অর্থ ফেরতযোগ্যও নয়। অনুমোদন পাওয়া গেলে আবেদনকারীকে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের নির্ধারিত অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমেই বন্ড জমা দিতে হবে। তৃতীয় পক্ষের ওয়েবসাইটে পরিশোধ করা অর্থের দায় যুক্তরাষ্ট্র সরকার নেবে না।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ করলে বা ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই ভ্রমণ না করলে বন্ডের অর্থ ফেরত দেওয়া হবে। তবে অনুমোদিত সময়ের বেশি অবস্থান, সময়মতো দেশত্যাগে ব্যর্থতা কিংবা ভিসার শর্ত ভঙ্গের ক্ষেত্রে বন্ডের অর্থ বাজেয়াপ্ত হতে পারে বলে সতর্ক করেছে দূতাবাস।
What's Your Reaction?