বাংলাদেশে আসছে না ভারত? সিরিজ নিয়ে বড় শঙ্কা

২০২৫ সালের জুলাই মাসে বাংলাদেশ সফরে আসার কথা ছিল ভারতের। কিন্তু সেই সফর আর হয়নি। তবে সেই সিরিজ নিয়ে দুই বোর্ডের কথা চলছে মাসখানেক ধরে। ই-মেইলে আলোচনা হচ্ছিল নানা বিষয়াদি নিয়ে। ভারত স্থগিত হওয়া সিরিজ খেলতে বাংলাদেশে আসবে তা আলোর মুখ দেখতে শুরু করেছিল। ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড অপেক্ষায় ছিল সরকারের সবুজ সংকেতের। কিন্তু সেই সবুজ সংকেত সহসাই আসছে না তা বেশ ভালোভাবেই বুঝতে পারছে দুই বোর্ড।  বৈরিতা ভুলে প্রতিবেশী দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ডের বরফ গলতে শুরু করলেও রাজনৈতিক উত্তেজনায় দুই দেশের সরকারের দূরত্ব আগের মতোই। বরং টানাপোড়েন আরও বেড়েছে। দিল্লিতে শেখ হাসিনাকে সাংবাদিকদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ের সুযোগ দেয়াকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যেই আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ পর্বে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অংশ না নেওয়ার বিষয়টি প্রায় নিশ্চিত হয়ে গেছে বলে জানা গেছে। সরকারের একাধিক সূত্র গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছে। তাতে ক্রিকেটীয় কূটনীতিতেও পড়েছে প্রভাব।  ২০২৪ সালে সরকার পতনের পর ভ

বাংলাদেশে আসছে না ভারত? সিরিজ নিয়ে বড় শঙ্কা

২০২৫ সালের জুলাই মাসে বাংলাদেশ সফরে আসার কথা ছিল ভারতের। কিন্তু সেই সফর আর হয়নি। তবে সেই সিরিজ নিয়ে দুই বোর্ডের কথা চলছে মাসখানেক ধরে। ই-মেইলে আলোচনা হচ্ছিল নানা বিষয়াদি নিয়ে। ভারত স্থগিত হওয়া সিরিজ খেলতে বাংলাদেশে আসবে তা আলোর মুখ দেখতে শুরু করেছিল। ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড অপেক্ষায় ছিল সরকারের সবুজ সংকেতের। কিন্তু সেই সবুজ সংকেত সহসাই আসছে না তা বেশ ভালোভাবেই বুঝতে পারছে দুই বোর্ড। 

বৈরিতা ভুলে প্রতিবেশী দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ডের বরফ গলতে শুরু করলেও রাজনৈতিক উত্তেজনায় দুই দেশের সরকারের দূরত্ব আগের মতোই। বরং টানাপোড়েন আরও বেড়েছে। দিল্লিতে শেখ হাসিনাকে সাংবাদিকদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ের সুযোগ দেয়াকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যেই আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ পর্বে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অংশ না নেওয়ার বিষয়টি প্রায় নিশ্চিত হয়ে গেছে বলে জানা গেছে। সরকারের একাধিক সূত্র গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছে। তাতে ক্রিকেটীয় কূটনীতিতেও পড়েছে প্রভাব। 


২০২৪ সালে সরকার পতনের পর ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক টানাপোড়েন শুরু হয়। পরবর্তীতে অন্তবর্তী সরকার সেই সম্পর্ক ভালো অবস্থানে নিয়ে যেতে পারেনি। উল্টো মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেয়ার পর থেকে দুই বোর্ডের সম্পর্কে আরও দূরত্ব বেড়ে যায়।


বাংলাদেশ পরবর্তীতে ভারতে বিশ্বকাপও খেলতে যায়নি নিরাপত্তা ইস্যুতে। যা দুই দেশের ক্রিকেট সম্পর্কে ফাটল সৃষ্টি করে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড সরকারের বাইরে গিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি। ক্রিকেটারদের কথাও শুনেনি। সব মিলিয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত মেনে নিতে একপ্রকার বাধ্য হয়েছিল বিসিবি।  নতুন সরকার পেছনের তিক্ততা ভুলে সম্পর্ক উন্নয়নের কাজ চালিয়ে যাচ্ছিল। 


কিন্তু বুধবার নয়া দিল্লিতে আওয়ামী লীগের সংবাদ সম্মেলন ও এরপর বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিক্রিয়ার পর ব্যাপারটি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। দুই বোর্ডও এখন অনুভব করতে পারছে, এই সময়ে আর সিরিজটি সম্ভব নয়।


তবে বিসিবির বিভিন্ন সূত্রের দাবি, আরও এক দফা সিরিজটি স্থগিত হতে যাচ্ছে। অন্তত ছয় মাসের জন্য সিরিজটি স্থগিত হতে চলছে। আগামী বছরের শুরুর দিকে সিরিজ আয়োজনের জোর চেষ্টা চালাবে বোর্ড। মূলত ২০২৪ সালে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে সিরিজটি স্থগিত করা হয়েছিল। আরও একবার তা পিছিয়ে যাচ্ছে। 

বিসিবির বছরের শুরুতে দেয়া সূচি অনুযায়ী, এ বছরের ২৮ সেপ্টেম্বর ভারত বাংলাদেশে আসবে। তিন ওয়ানডে হবে ১, ৩ ও ৬ সেপ্টেম্বর। তিন টি-টোয়েন্টি ৯, ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর। ওয়ানডে সিরিজ হওয়ার কথা ঢাকায়। টি-টোয়েন্টি চট্টগ্রামে।


 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow