বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি স্বাক্ষর

বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব (ইপিএ) চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর আওতায় বাংলাদেশের সাত হাজার ৩৭৯টি পণ্য জাপানের বাজারে এবং জাপানের এক হাজার ৩৯টি পণ্য বাংলাদেশের বাজারে তাৎক্ষণিক বিনা শুল্কে প্রবেশাধিকার পাবে। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আজ অন্তর্বর্তী সরকারের বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন ও জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোতেগি তোশিমিতসু এ চুক্তিতে সই করেন। স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে বাংলাদেশ এই প্রথম বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ জাপানের সঙ্গে এমন চুক্তি করেছে। সরকারের আশা, এতে শুধু পণ্য বাণিজ্য নয়, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রের বাজারনির্ভরতা কিছুটা কমে জাপান বাংলাদেশের একটি বড় বাজারে পরিণত হতে পারে। তবে চুক্তি বাস্তবায়নে কিছু ঝুঁকিও থাকতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বাংলাদেশ-জাপান ইপিএর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল গত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে। তখন দর-কষাকষির ভিত্তি তৈরিতে একটি যৌথ গ

বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি স্বাক্ষর

বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব (ইপিএ) চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর আওতায় বাংলাদেশের সাত হাজার ৩৭৯টি পণ্য জাপানের বাজারে এবং জাপানের এক হাজার ৩৯টি পণ্য বাংলাদেশের বাজারে তাৎক্ষণিক বিনা শুল্কে প্রবেশাধিকার পাবে।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আজ অন্তর্বর্তী সরকারের বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন ও জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোতেগি তোশিমিতসু এ চুক্তিতে সই করেন। স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে বাংলাদেশ এই প্রথম বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ জাপানের সঙ্গে এমন চুক্তি করেছে।

সরকারের আশা, এতে শুধু পণ্য বাণিজ্য নয়, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রের বাজারনির্ভরতা কিছুটা কমে জাপান বাংলাদেশের একটি বড় বাজারে পরিণত হতে পারে। তবে চুক্তি বাস্তবায়নে কিছু ঝুঁকিও থাকতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

বাংলাদেশ-জাপান ইপিএর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল গত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে। তখন দর-কষাকষির ভিত্তি তৈরিতে একটি যৌথ গবেষণা দল গঠন করা হয়। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে ১৭টি খাত চিহ্নিত করে সমন্বিতভাবে আলোচনা এগোনোর সুপারিশ করা হয়।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এর আগে জানিয়েছিল, চুক্তি সইয়ের দিন থেকেই বাংলাদেশের সাত হাজার ৩৭৯টি পণ্য জাপানের বাজারে তাৎক্ষণিকভাবে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাবে। অন্যদিকে, জাপানের এক হাজার ৩৯টি পণ্য বাংলাদেশের বাজারে একই সুবিধা পাবে। ইপিএর মাধ্যমে বাংলাদেশের ৯৭টি উপখাত জাপানের জন্য উন্মুক্ত হবে। অন্যদিকে, জাপানের ১২০টি উপখাত উন্মুক্ত হবে বাংলাদেশের জন্য। পণ্যের পাশাপাশি সেবা, বিনিয়োগ এবং সহযোগিতাও এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এমইউ/একিউএফ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow