বাংলাদেশ সীমান্তে নতুন ৬ থানা-ফাঁড়ি নির্মাণ করছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ

পশ্চিমবঙ্গের মালদহ জেলার বাংলাদেশ সীমান্তে নতুন তিনটি থানা ও ৩টি পুলিশ ফাঁড়ি নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। রাজ্য পুলিশের দাবি, স্থানীয় বাসিন্দা ও দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই পদক্ষেপ। এই বিষয়ে মালদহ জেলার পুলিশ সুপার অনুপম সিং জানিয়েছেন, মালদহ জেলার কালিয়াচক থানার গোপালগঞ্জ, বৈষ্ণবনগর থানার কুম্ভীরা ও হাবিবপুর থানার বুলবুল চণ্ডী- এই তিনটি ফাঁড়িকে উন্নত করে নতুন থানা গড়ে তোলা হবে। এছাড়া হবিবপুরের জাজইল ও বামনগোলা থানার জগদল্লা এলাকায় ২টি নতুন ফাঁড়ি ও ইংরেজ বাজারের লুকোচুরি পুলিশ ফাঁড়িকে উন্নীত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।  মালদহ জেলার পুলিশ সুপার অনুপম সিং আরও বলেন, আমরা যাতে সীমান্ত অঞ্চলে নজরদারি বাড়াতে পারি ও পুলিশের সঙ্গে জনগণের একটি সম্পর্ক তৈরি করতে পারি, সেই উদ্দেশ্যে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি আমরা পুলিশের সংখ্যার বিষয়েও একটি প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, যেহেতু আমাদের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে কাজ করতে হয় ও প্রায় সব থানা-ই সীমান্ত অঞ্চল থেকে অনেক দূরে, তাই সেখানে পুলিশের সব ঠিকঠাক রাখা উচিৎ। এতে মানুষ নিরাপদ থাকে। আধা-সামরিক শক্তির সঙ্গে আমাদের সম

বাংলাদেশ সীমান্তে নতুন ৬ থানা-ফাঁড়ি নির্মাণ করছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ

পশ্চিমবঙ্গের মালদহ জেলার বাংলাদেশ সীমান্তে নতুন তিনটি থানা ও ৩টি পুলিশ ফাঁড়ি নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। রাজ্য পুলিশের দাবি, স্থানীয় বাসিন্দা ও দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই পদক্ষেপ।

এই বিষয়ে মালদহ জেলার পুলিশ সুপার অনুপম সিং জানিয়েছেন, মালদহ জেলার কালিয়াচক থানার গোপালগঞ্জ, বৈষ্ণবনগর থানার কুম্ভীরা ও হাবিবপুর থানার বুলবুল চণ্ডী- এই তিনটি ফাঁড়িকে উন্নত করে নতুন থানা গড়ে তোলা হবে। এছাড়া হবিবপুরের জাজইল ও বামনগোলা থানার জগদল্লা এলাকায় ২টি নতুন ফাঁড়ি ও ইংরেজ বাজারের লুকোচুরি পুলিশ ফাঁড়িকে উন্নীত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। 

মালদহ জেলার পুলিশ সুপার অনুপম সিং আরও বলেন, আমরা যাতে সীমান্ত অঞ্চলে নজরদারি বাড়াতে পারি ও পুলিশের সঙ্গে জনগণের একটি সম্পর্ক তৈরি করতে পারি, সেই উদ্দেশ্যে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি আমরা পুলিশের সংখ্যার বিষয়েও একটি প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, যেহেতু আমাদের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে কাজ করতে হয় ও প্রায় সব থানা-ই সীমান্ত অঞ্চল থেকে অনেক দূরে, তাই সেখানে পুলিশের সব ঠিকঠাক রাখা উচিৎ। এতে মানুষ নিরাপদ থাকে। আধা-সামরিক শক্তির সঙ্গে আমাদের সমন্বয় বাড়বে। আমরা সীমান্ত এলাকায় নজরদারি বাড়াতে পারবো।

এছাড়া অনুপ্রবেশের যেসব ঘটনা ঘটছে, সেগুলো আটকাতে সক্ষম হবো। চোরা চালান আটকাতে পারবো। সামগ্রিকভাবে পুলিশ ও সাধারণ জনগণের সম্পর্কটাও ঠিক থাকবে।

এ বিষয়ে সীমান্ত অঞ্চলের স্থানীয় বাসিন্দারাদের ভাষ্য, নতুন করে পুলিশ ফাঁড়ি হলে তাদের সুবিধা হবে। রাজ্য পুলিশ ও সীমান্তরক্ষী বাহিনী যৌথভাবে কাজ করবে। সাধারণ মানুষ প্রশাসনের কাছ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা পাবে।

ডিডি/এসএএইচ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow