বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে ঢাকা কলেজে ছাত্রশিবিরের প্রকাশনা উৎসব
বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে ‘প্রকাশনা উৎসব ২০২৬’ আয়োজন করছে ইসলামী ছাত্রশিবিরের ঢাকা কলেজ শাখা। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকাল ১০টায় ঢাকা কলেজ শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। এতে সংগঠনটির প্রকাশিত বিভিন্ন বই, স্টিকার, ক্যালেন্ডার, নোটবুকসহ নানা প্রকাশনা সামগ্রী প্রদর্শন করা হয়। এসব দেখতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ লক্ষ্য করা যায়। শিক্ষার্থী মোহাম্মদ রাফি বলেন, ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে তিনি একটি প্রকাশনা স্টল দেখতে পান, যেখানে বিভিন্ন বই, ডায়েরি, চাবির রিং ও ক্যালেন্ডার প্রদর্শিত হচ্ছিল। তিনি মনে করেন, অতীতে একক আধিপত্যের কারণে অন্যান্য ছাত্রসংগঠন এমন কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারেনি, তবে বর্তমানে তুলনামূলকভাবে উন্মুক্ত পরিবেশ তৈরি হয়েছে। সংগঠনটির কলেজ শাখার সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক তাওহীদুল ইসলাম বলেন, ছাত্রশিবিরের সব প্রকাশনা উন্মুক্ত করার মাধ্যমে তাদের সম্পর্কে প্রচলিত ভুল ধারণা দূর করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি জানান, সংগঠনের চারটি ধাপ- সমর্থক, কর্মী, সাথী ও সদস্য- অনুযায়ী পৃথক সিলেবাস ও বই রয়েছে, যা উৎসবে প্রদর্শন করা হয়েছে। এছাড়া ‘ইউথ ওয়েভ’, ‘ছাত্র সংবাদ’, ‘কিশোরকণ্ঠ,’, ‘প্র
বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে ‘প্রকাশনা উৎসব ২০২৬’ আয়োজন করছে ইসলামী ছাত্রশিবিরের ঢাকা কলেজ শাখা।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকাল ১০টায় ঢাকা কলেজ শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। এতে সংগঠনটির প্রকাশিত বিভিন্ন বই, স্টিকার, ক্যালেন্ডার, নোটবুকসহ নানা প্রকাশনা সামগ্রী প্রদর্শন করা হয়। এসব দেখতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ লক্ষ্য করা যায়।
শিক্ষার্থী মোহাম্মদ রাফি বলেন, ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে তিনি একটি প্রকাশনা স্টল দেখতে পান, যেখানে বিভিন্ন বই, ডায়েরি, চাবির রিং ও ক্যালেন্ডার প্রদর্শিত হচ্ছিল। তিনি মনে করেন, অতীতে একক আধিপত্যের কারণে অন্যান্য ছাত্রসংগঠন এমন কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারেনি, তবে বর্তমানে তুলনামূলকভাবে উন্মুক্ত পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
সংগঠনটির কলেজ শাখার সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক তাওহীদুল ইসলাম বলেন, ছাত্রশিবিরের সব প্রকাশনা উন্মুক্ত করার মাধ্যমে তাদের সম্পর্কে প্রচলিত ভুল ধারণা দূর করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
তিনি জানান, সংগঠনের চারটি ধাপ- সমর্থক, কর্মী, সাথী ও সদস্য- অনুযায়ী পৃথক সিলেবাস ও বই রয়েছে, যা উৎসবে প্রদর্শন করা হয়েছে। এছাড়া ‘ইউথ ওয়েভ’, ‘ছাত্র সংবাদ’, ‘কিশোরকণ্ঠ,’, ‘প্রেসপেক্টিভ’সহ বিভিন্ন নিয়মিত প্রকাশনাও উপস্থাপন করা হয়।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীরা যেন এসব প্রকাশনা পড়ে সংগঠন সম্পর্কে নিজস্ব ধারণা গড়ে তোলে। ভুল মনে হলে বয়কট করার আহ্বান জানালেও সঠিক মনে হলে প্রচলিত নেতিবাচক ধারণা থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানান।
সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিরুল ইসলাম বলেন, প্রতি বছরই তারা এ ধরনের প্রকাশনা উৎসব আয়োজন করে থাকেন। এ বছর কিছুটা বিলম্ব হলেও সারাদেশে একযোগে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে নতুন প্রকাশনাগুলো উন্মুক্ত করা হয়েছে।
তিনি দাবি করেন, ছাত্রশিবির কেবল রাজনৈতিক কার্যক্রমেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা বিকাশে কাজ করে এবং নতুন ধারণা ও উদ্যোগের মাধ্যমে সমাজে অবদান রাখতে চায়।
What's Your Reaction?