বাকপ্রতিবন্ধী সন্তানকে পিটিয়ে হত্যা, মায়ের মামলায় গ্রেফতার ৩
চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে চোর সন্দেহে হাসমত আলী নামে এক বাকপ্রতিবন্ধী যুবককে হত্যার ঘটনায় ভুক্তভোগীর মায়ের করা মামলায় তিনজনকে গ্রেফতার দেখিয়েছে পুলিশ। গতকাল রোববার তাদের আটক করা হলেও সোমবার এ মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এর আগে রোববার রাতে হাসমত আলীর মা মাজমা বেগম বাদী হয়ে ১০ জনের নামোল্লেখ এবং আরও ২০-২৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে বোয়ালখালী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। হাসমত আলী পটিয়া উপজেলার কোলাগাঁও ইউনিয়নের লাখেরা গ্রামের ইয়াকুব আলীর ছেলে। তার তিন ছেলে সন্তান রয়েছে। তিনি পেশায় দিনমজুর ছিলেন। জানা গেছে, রোববার ভোরে উপজেলার শাকপুরা এলাকার বিসমিল্লাহ ফেব্রিক্স লিমিটেড কারখানায় চোর অপবাদ দিয়ে বাকপ্রতিবন্ধী হাসমত আলীকে দড়ি দিয়ে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে বেধড়ক পিটুনি দেওয়া হয়। একপর্যায়ে নিস্তেজ হয়ে পড়লে দুপুর ১২টার দিকে পুলিশের পরামর্শে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। এসময় বোয়ালখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বর থেকে কারখানার দায়িত্বরত তিনজনকে আটক করে হেফাজতে নেয় পুলিশ। এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভোর রাতে বিসমিল্লাহ ফেব্রিক্স ফ্যাক্টরিতে প্রবেশ করায় হা
চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে চোর সন্দেহে হাসমত আলী নামে এক বাকপ্রতিবন্ধী যুবককে হত্যার ঘটনায় ভুক্তভোগীর মায়ের করা মামলায় তিনজনকে গ্রেফতার দেখিয়েছে পুলিশ।
গতকাল রোববার তাদের আটক করা হলেও সোমবার এ মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এর আগে রোববার রাতে হাসমত আলীর মা মাজমা বেগম বাদী হয়ে ১০ জনের নামোল্লেখ এবং আরও ২০-২৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে বোয়ালখালী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
হাসমত আলী পটিয়া উপজেলার কোলাগাঁও ইউনিয়নের লাখেরা গ্রামের ইয়াকুব আলীর ছেলে। তার তিন ছেলে সন্তান রয়েছে। তিনি পেশায় দিনমজুর ছিলেন।
জানা গেছে, রোববার ভোরে উপজেলার শাকপুরা এলাকার বিসমিল্লাহ ফেব্রিক্স লিমিটেড কারখানায় চোর অপবাদ দিয়ে বাকপ্রতিবন্ধী হাসমত আলীকে দড়ি দিয়ে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে বেধড়ক পিটুনি দেওয়া হয়। একপর্যায়ে নিস্তেজ হয়ে পড়লে দুপুর ১২টার দিকে পুলিশের পরামর্শে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।
এসময় বোয়ালখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বর থেকে কারখানার দায়িত্বরত তিনজনকে আটক করে হেফাজতে নেয় পুলিশ।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভোর রাতে বিসমিল্লাহ ফেব্রিক্স ফ্যাক্টরিতে প্রবেশ করায় হাসমত আলীকে চোর অপবাদ দিয়ে আটক করা হয়। এক পর্যায়ে তার হাত-পা বেঁধে বেধড়ক মারধর করা হয় এবং আহত অবস্থায় হাত-পা বেঁধে দীর্ঘ সময় ফেলে রাখা হয়। ঘটনাটি ভোরে ঘটলেও দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বোয়ালখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বোয়ালখালী থানার ওসি মাহাফুজুর রহমান বলেন, মামলা দায়েরের পর এজাহারভুক্ত আসামি কারখানার ম্যানেজার (মানব সম্পদ) মোশারফ হোসেন, জেনারেল অ্যাডমিন হাফেজ মনিরুল ইসলাম ও সিকিউরিটি শিফট ইনচার্জ আমির হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এমডিআইএইচ/এমকেআর
What's Your Reaction?