বাকলিয়ায় পুলিশ ভ্যানে হামলার ঘটনায় মামলা, আসামি ৫ শতাধিক
চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়া এলাকায় শিশু ধর্ষণ মামলার এক আসামিকে গ্রেফতারকে কেন্দ্র করে পুলিশের গাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ৫৮ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেছে পুলিশ। এ মামলায় আরও ৪০০ থেকে ৫০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৬ মে) চাক্তাই পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) মোবারক হোসেন বাদী হয়ে বাকলিয়া থানায় মামলাটি দায়ের করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোলাইমান জানান, সরকারি কাজে বাধা, হত্যাচেষ্টা, অগ্নিসংযোগ এবং সরকারি সম্পত্তি নষ্টের অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। ঘটনার পর অভিযান চালিয়ে কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পাশাপাশি ভিডিও ফুটেজ ও অন্যান্য তথ্যপ্রমাণ বিশ্লেষণ করে ঘটনায় জড়িত আরও ব্যক্তিদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২১ মে চার বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তাকে থানায় নেওয়ার সময় উত্তেজিত জনতা পুলিশের গাড়ি ঘিরে ধরে আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। পুলিশের দাবি, শুরুতে বাকলিয়া থানা পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। তবে পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে
চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়া এলাকায় শিশু ধর্ষণ মামলার এক আসামিকে গ্রেফতারকে কেন্দ্র করে পুলিশের গাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ৫৮ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেছে পুলিশ। এ মামলায় আরও ৪০০ থেকে ৫০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৬ মে) চাক্তাই পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) মোবারক হোসেন বাদী হয়ে বাকলিয়া থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোলাইমান জানান, সরকারি কাজে বাধা, হত্যাচেষ্টা, অগ্নিসংযোগ এবং সরকারি সম্পত্তি নষ্টের অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। ঘটনার পর অভিযান চালিয়ে কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পাশাপাশি ভিডিও ফুটেজ ও অন্যান্য তথ্যপ্রমাণ বিশ্লেষণ করে ঘটনায় জড়িত আরও ব্যক্তিদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২১ মে চার বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তাকে থানায় নেওয়ার সময় উত্তেজিত জনতা পুলিশের গাড়ি ঘিরে ধরে আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে।
পুলিশের দাবি, শুরুতে বাকলিয়া থানা পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। তবে পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠলে অতিরিক্ত পুলিশ, গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি), র্যাবসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়।
এজাহারে বলা হয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা জনতাকে শান্ত করার চেষ্টা করলে তাদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয়। এতে কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্য আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড ও রাবার বুলেট ব্যবহার করে। পরে গ্রেফতার আসামিকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়।
পুলিশের দাবি, সংঘর্ষের সময় পুলিশের একটি পিকআপ ভাঙচুর করা হয় এবং একটি ট্রাকে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এ ছাড়া আরও কয়েকটি সরকারি যানবাহন ও একটি কমিউনিটি সেন্টারেও ভাঙচুর চালানো হয়। এতে সরকারি সম্পদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
ঘটনায় আহত পুলিশ সদস্যদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। আহতদের মধ্যে দক্ষিণ বিভাগের উপপুলিশ কমিশনারও রয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এমআরএএইচ/এমএএইচ/
What's Your Reaction?