বাজেটকে স্বাগত জানিয়ে ঢাকায় স্বেচ্ছাসেবক দলের পদবঞ্চিতদের মিছিল
২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটকে স্বাগত জানিয়ে ঢাকায় মিছিল করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের পদবঞ্চিত নেতারা। বাজেটকে ‘জনবান্ধব ও গণমুখী’ আখ্যা দিয়ে তারা আনন্দ মিছিল ও সমাবেশ করেছে। এসময় তারা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। সোমবার (১৫ জুন) মিছিলটি ঢাকার কাকরাইল মোড় থেকে শুরু হয়ে ফকিরাপুল হয়ে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। এসময় নেতাকর্মীরা ‘৩১ দফার অঙ্গীকার—বাজেট হলো চমৎকার’, ‘জনগণের পক্ষ থেকে—ধন্যবাদ, ধন্যবাদ’সহ বিভিন্ন স্লোগানে মুখর করে তোলেন পুরো এলাকা। মিছিল পরবর্তী সমাবেশে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসের সর্ববৃহৎ বাজেট ঘোষণার পরও বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের অস্বাভাবিক ঊর্ধ্বগতি না হওয়া প্রমাণ করে- এটি একটি বাস্তবমুখী, জনবান্ধব ও জনগণের স্বস্তির বাজেট। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সহ-সভাপতি আযহারুল হক মুকুল, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও সমন্বয়ক আশরাফ উদ্দিন রুবেল, যুগ্ম সম্পাদক মাহবুবুর রশিদ মাহবুব, সাবেক সহ-দপ্তর সম্পাদক আকরামুজ্জামান খান টুকন, সা
২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটকে স্বাগত জানিয়ে ঢাকায় মিছিল করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের পদবঞ্চিত নেতারা। বাজেটকে ‘জনবান্ধব ও গণমুখী’ আখ্যা দিয়ে তারা আনন্দ মিছিল ও সমাবেশ করেছে। এসময় তারা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
সোমবার (১৫ জুন) মিছিলটি ঢাকার কাকরাইল মোড় থেকে শুরু হয়ে ফকিরাপুল হয়ে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। এসময় নেতাকর্মীরা ‘৩১ দফার অঙ্গীকার—বাজেট হলো চমৎকার’, ‘জনগণের পক্ষ থেকে—ধন্যবাদ, ধন্যবাদ’সহ বিভিন্ন স্লোগানে মুখর করে তোলেন পুরো এলাকা।
মিছিল পরবর্তী সমাবেশে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসের সর্ববৃহৎ বাজেট ঘোষণার পরও বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের অস্বাভাবিক ঊর্ধ্বগতি না হওয়া প্রমাণ করে- এটি একটি বাস্তবমুখী, জনবান্ধব ও জনগণের স্বস্তির বাজেট।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সহ-সভাপতি আযহারুল হক মুকুল, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও সমন্বয়ক আশরাফ উদ্দিন রুবেল, যুগ্ম সম্পাদক মাহবুবুর রশিদ মাহবুব, সাবেক সহ-দপ্তর সম্পাদক আকরামুজ্জামান খান টুকন, সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সালেহ আহমেদ কাঞ্চন, সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ডালিম সিকদার প্রমুখ। সমাবেশ পরিচালনা করেন সাবেক প্রকাশনা সম্পাদক হুমায়ুন কবির। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন সাবেক সম্পাদক সোলায়মান সোহেল, মুশফিকুল লেলিনসহ অন্য নেতারা।
সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন পদবঞ্চিত সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক বাদল, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বেলাল আহমেদ, সম্পাদক ও সহ-সম্পাদকবৃন্দ, সদস্য হেলাল উদ্দীন, ওমর ফারুক, জরিরুল ইসলাম, ওমর সানি শহিদুল বারী ও জিয়াউর রহমান জিয়াসহ বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।
সভায় ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি ও স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির বলেন, এবারের নির্বাচনের অন্যতম স্লোগান ছিল—‘নেতার আগে জনতা, করবো কাজ গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।’ এই স্লোগানের ধারাবাহিকতায় গত ১৭ বছর রাজপথের প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে আজকের এ নেতারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় নেতা ও সাবেক ছাত্রনেতা আযহারুল হক মুকুল বলেন, স্বেচ্ছাসেবক দলের পদবঞ্চিত নেতারা অতীতে আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ছিলেন, বর্তমানে আছেন এবং ভবিষ্যতেও দলের স্বার্থে কাজ করে যাবেন।
কেএইচ/এমকেআর
What's Your Reaction?