বান্দরবানে পাহাড় ধসে ৫ বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত
চারদিনের টানা বর্ষণে বান্দরবান শহরে পাহাড় ধসে পাঁচটি বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাত ১০টার দিকে কালাঘাটা বড়ুয়াটেক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বুধবার (৮ জুলাই) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বান্দরবান সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মারুফা সুলতানা খান হিরা মনি। ক্ষতিগ্রস্তরা হলেন- নিপুন বড়ুয়া, রন বড়ুয়া, অঞ্জনা বড়ুয়া ও সুমন বড়ুয়াসহ পাঁচজন। স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস জানায়, কয়েকদিন ধরে পাহাড়ে ভারী বর্ষণ হচ্ছে। রাত ১০টার দিকে পাহাড়ের মাটি নরম হয়ে ঘরের ওপর এসে পড়ে। মাটির চাপে আধা পাকা একটি ঘরের দেয়াল ভেঙে ঘরে পাহাড়ের মাটি প্রবেশ করে। বিকট শব্দের আওয়াজ পেয়ে ঘর থেকে সবাই বাইরে বেরিয়ে যায়। এছাড়াও কয়েকটি ঘরবাড়ির আসবাবপত্র কাদামাটির নিচে চলে যায়। ফায়ার সার্ভিস সহকারী পরিচালক আব্দুল আনসারী জানান, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় আমাদের মাইকিং অব্যাহত আছে। অনেকে সাড়া দিয়ে নিরাপদ স্থানে চলে যাচ্ছেন। বান্দরবান সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মারুফা সুলতানা খান হিরা মনি বলেন, এখন পর্যন্ত বান্দরবান পৌরসভার কালাঘাটা বড়ুয়া পাড়া ও সুয়ালক এলাকার ৭টি বসতঘর পাহাড়ধস
চারদিনের টানা বর্ষণে বান্দরবান শহরে পাহাড় ধসে পাঁচটি বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাত ১০টার দিকে কালাঘাটা বড়ুয়াটেক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বুধবার (৮ জুলাই) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বান্দরবান সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মারুফা সুলতানা খান হিরা মনি।
ক্ষতিগ্রস্তরা হলেন- নিপুন বড়ুয়া, রন বড়ুয়া, অঞ্জনা বড়ুয়া ও সুমন বড়ুয়াসহ পাঁচজন।
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস জানায়, কয়েকদিন ধরে পাহাড়ে ভারী বর্ষণ হচ্ছে। রাত ১০টার দিকে পাহাড়ের মাটি নরম হয়ে ঘরের ওপর এসে পড়ে। মাটির চাপে আধা পাকা একটি ঘরের দেয়াল ভেঙে ঘরে পাহাড়ের মাটি প্রবেশ করে। বিকট শব্দের আওয়াজ পেয়ে ঘর থেকে সবাই বাইরে বেরিয়ে যায়। এছাড়াও কয়েকটি ঘরবাড়ির আসবাবপত্র কাদামাটির নিচে চলে যায়।
ফায়ার সার্ভিস সহকারী পরিচালক আব্দুল আনসারী জানান, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় আমাদের মাইকিং অব্যাহত আছে। অনেকে সাড়া দিয়ে নিরাপদ স্থানে চলে যাচ্ছেন।
বান্দরবান সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মারুফা সুলতানা খান হিরা মনি বলেন, এখন পর্যন্ত বান্দরবান পৌরসভার কালাঘাটা বড়ুয়া পাড়া ও সুয়ালক এলাকার ৭টি বসতঘর পাহাড়ধসের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার তথ্য পেয়েছি।
এদিকে বুধবার (৮ জুলাই) দুপুরে বান্দরবানের কালাঘাটা এলাকায় পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারী পরিবারগুলোকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিতে অভিযান শুরু করেছে জেলা প্রশাসন। অভিযানে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসরত ৭টি পরিবারকে সরিয়ে নিকটবর্তী আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস. এম. হাসান শাহরিয়ার। তিনি জানান, জেলার ৯টি ওয়ার্ডে আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। টানা ভারী বর্ষণ অব্যাহত থাকায় পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারীদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, আমরা নিয়মিত মাইকিং করে মানুষকে সচেতন করছি এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা ছেড়ে নিকটস্থ আশ্রয়কেন্দ্রে চলে যাওয়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
অভিযানে জেলা প্রশাসনের পাশাপাশি পুলিশ, সেনাবাহিনী, তথ্য অফিস, পরিবেশ অধিদপ্তর, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা অংশ নেন।
এদিকে আজ সকাল থেকে সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে নতুন জায়গা প্লাবিত হচ্ছে।
বান্দরবান পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অপু দেব জানিয়েছেন, অব্যাহত বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সাঙ্গু, মাতামুহুরী ও বাকখালী তিনটি নদীর পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বুধবার সকাল ৯টায় বিপৎসীমা অতিক্রম করে ১৫.৭৫ উচ্চতায় প্রবাহিত হচ্ছে।
What's Your Reaction?