বান্দরবানে সাবস্টেশনে ঢুকছে বন্যার পানি, বন্ধ হতে পারে বিদ্যুৎ সরবরাহ
টানা বৃষ্টি ও বন্যার কারণে বান্দরবানের একটি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রে (সাবস্টেশন) পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে। পরিস্থিতির আরও অবনতি হলে নিরাপত্তার স্বার্থে উপকেন্দ্রটির কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে। এতে জেলার অন্তত ১০ হাজারের বেশি গ্রাহক সাময়িকভাবে বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। শনিবার (১১ জুলাই) বান্দরবান সদরের হাসপাতাল এলাকার সাব বিদ্যুৎ কেন্দ্রেটিতে এ বন্যার পানি প্রবেশ করতে শুরু হয়েছে। বান্দরবান বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সাবস্টেশনটি বন্ধ করতে হলে বালাঘাটা, স্বর্ণমন্দির, ঢলুপাড়া, নিউগুলশান, ছাইংগ্যা, কালাঘাটা, হানসামাপাড়াসহ আশপাশের কয়েকটি এলাকার ১০ হাজারের বেশি গ্রাহকের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। এদিকে বান্দরবান-কেরানীহাট সড়কের বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধসের কারণে বিদ্যুৎ বিভাগের ৩৩ কেভি সঞ্চালন লাইনের ওপর গাছ পড়ে তার ছিঁড়ে গেছে। ফলে চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। অবিরাম বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে জেলার বন্যা পরিস্থিতিরও অবনতি হয়েছে। বান্দরবান-কেরানীহাট, বান্দরবান-রোয়াংছড়ি, বান্দরবান-রাঙ্গামাটি এবং লামা-আলীকদম সড়কের বিভিন্ন স্থানে পানি উঠে যাওয়ায় যান চলাচল মারাত্মকভাব
টানা বৃষ্টি ও বন্যার কারণে বান্দরবানের একটি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রে (সাবস্টেশন) পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে। পরিস্থিতির আরও অবনতি হলে নিরাপত্তার স্বার্থে উপকেন্দ্রটির কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে। এতে জেলার অন্তত ১০ হাজারের বেশি গ্রাহক সাময়িকভাবে বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
শনিবার (১১ জুলাই) বান্দরবান সদরের হাসপাতাল এলাকার সাব বিদ্যুৎ কেন্দ্রেটিতে এ বন্যার পানি প্রবেশ করতে শুরু
হয়েছে।
বান্দরবান বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সাবস্টেশনটি বন্ধ করতে হলে বালাঘাটা, স্বর্ণমন্দির, ঢলুপাড়া, নিউগুলশান, ছাইংগ্যা, কালাঘাটা, হানসামাপাড়াসহ আশপাশের কয়েকটি এলাকার ১০ হাজারের বেশি গ্রাহকের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে।
এদিকে বান্দরবান-কেরানীহাট সড়কের বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধসের কারণে বিদ্যুৎ বিভাগের ৩৩ কেভি সঞ্চালন লাইনের ওপর গাছ পড়ে তার ছিঁড়ে গেছে। ফলে চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে।
অবিরাম বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে জেলার বন্যা পরিস্থিতিরও অবনতি হয়েছে। বান্দরবান-কেরানীহাট, বান্দরবান-রোয়াংছড়ি, বান্দরবান-রাঙ্গামাটি এবং লামা-আলীকদম সড়কের বিভিন্ন স্থানে পানি উঠে যাওয়ায় যান চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
এর আগে, ২০২৩ সালের ভয়াবহ বন্যায় বান্দরবান বিদ্যুৎ অফিসের এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি প্লাবিত হয়ে ছোটবড় অন্তত ৬টি ট্রাসফর্মা নষ্ট হয়েছিল। এতে ওই এলাকায় প্রায় ৪ দিন বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন ছিল গ্রাহকরা।
বান্দরবান বিদ্যুৎ অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী আমির হোসেন বলেন, সকাল থেকে সাব স্টেশনটিতে বন্যার পানি প্রবেশ করছে। বিপৎসীমা অতিক্রম করলে এ স্টেশনটি বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
নয়ন চক্রবর্তী/কেএইচকে/এএসএম
What's Your Reaction?