বাবাকে তুলে নেওয়ার ঘটনায় মাদুরোপুত্রের হুংকার

যুক্তরাষ্ট্রের হাতে আটক ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে দেশটির বাইরে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তার ছেলে নিকোলাস মাদুরো গুয়েরা। এক ভিডিও বার্তায় তিনি ভেনেজুয়েলার জনগণকে রাজপথে নামার আহ্বান জানান। মার্কিন বাহিনী বিশেষ অভিযান চালিয়ে তার বাবাকে ক্ষমতাচ্যুত করে নিউইয়র্কের একটি কারাগারে পাঠানোর পর এই বার্তা দেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ওই ভিডিওতে ৩৫ বছর বয়সী মাদুরো গুয়েরা বলেন, আপনারা আমাদের রাজপথে দেখতে পাবেন, জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখবেন, মর্যাদার পতাকা উড়াতে দেখবেন। তিনি আরও বলেন, তারা আমাদের দুর্বল দেখতে চায়, কিন্তু আমরা কোনো দুর্বলতা দেখাব না। বার্তা সংস্থা এএফপিকে গুয়েরার সহযোগীরা ভিডিও বার্তাটির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। প্রেসিডেন্ট মাদুরো কারাকাসে সুরক্ষিত অবস্থায় থাকার পরও কীভাবে তাকে আটক করে দেশের বাইরে নিয়ে যাওয়া হলো—এ নিয়ে দেশজুড়ে নানা প্রশ্ন ও জল্পনা তৈরি হয়েছে। অনেকের ধারণা, মাদুরোর ঘনিষ্ঠ কেউ হয়তো বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। এ বিষয়ে মাদুরোর ছেলে বলেন, কারা বিশ্বাসঘাতক ছিল, তা ইতিহাসই বলবে। ইতিহাসই সব উন্মোচন করবে।

বাবাকে তুলে নেওয়ার ঘটনায় মাদুরোপুত্রের  হুংকার

যুক্তরাষ্ট্রের হাতে আটক ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে দেশটির বাইরে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তার ছেলে নিকোলাস মাদুরো গুয়েরা।

এক ভিডিও বার্তায় তিনি ভেনেজুয়েলার জনগণকে রাজপথে নামার আহ্বান জানান। মার্কিন বাহিনী বিশেষ অভিযান চালিয়ে তার বাবাকে ক্ষমতাচ্যুত করে নিউইয়র্কের একটি কারাগারে পাঠানোর পর এই বার্তা দেন তিনি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ওই ভিডিওতে ৩৫ বছর বয়সী মাদুরো গুয়েরা বলেন, আপনারা আমাদের রাজপথে দেখতে পাবেন, জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখবেন, মর্যাদার পতাকা উড়াতে দেখবেন।

তিনি আরও বলেন, তারা আমাদের দুর্বল দেখতে চায়, কিন্তু আমরা কোনো দুর্বলতা দেখাব না।

বার্তা সংস্থা এএফপিকে গুয়েরার সহযোগীরা ভিডিও বার্তাটির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। প্রেসিডেন্ট মাদুরো কারাকাসে সুরক্ষিত অবস্থায় থাকার পরও কীভাবে তাকে আটক করে দেশের বাইরে নিয়ে যাওয়া হলো—এ নিয়ে দেশজুড়ে নানা প্রশ্ন ও জল্পনা তৈরি হয়েছে। অনেকের ধারণা, মাদুরোর ঘনিষ্ঠ কেউ হয়তো বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন।

এ বিষয়ে মাদুরোর ছেলে বলেন, কারা বিশ্বাসঘাতক ছিল, তা ইতিহাসই বলবে। ইতিহাসই সব উন্মোচন করবে।

উল্লেখ্য, শনিবার ভেনেজুয়েলায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে আটক করে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা বাহিনী। পরে তাদের নিউইয়র্কের ব্রুকলিনে অবস্থিত মেট্রোপলিটন ডিটেনশন সেন্টারে নেওয়া হয়। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে শনিবার রাতেই তাদের সেখানে বন্দি রাখা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র মাদুরো ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে মাদক পাচার এবং অবৈধ অস্ত্র চোরাচালানের অভিযোগ এনেছে। একই সঙ্গে মাদুরোর ছেলে নিকোলাস মাদুরো গুয়েরার বিরুদ্ধেও মাদক পাচারের অভিযোগে মামলা করা হয়েছে।

ভেনেজুয়েলার পার্লামেন্ট সদস্য নিকোলাস মাদুরো গুয়েরা ‘নিকোলাসিতো’ বা ‘রাজপুত্র’ নামেও পরিচিত বলে মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow