বার্সার কাছে হার, তবু নিরাপদ জাবির চেয়ার
স্প্যানিশ সুপার কাপের ফাইনালে এফসি বার্সেলোনার কাছে হারের পরও আপাতত স্বস্তিতে রয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। জেদ্দায় পাওয়া এই পরাজয় কোচ জাবি আলোনসোর ভবিষ্যৎকে প্রশ্নের মুখে ফেলেনি। বরং ক্লাবের ভেতরে এই ম্যাচটিকে দেখা হচ্ছে বিশ্লেষণ ও সংশোধনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে।
রিয়াল মাদ্রিদে হার কখনোই ইতিবাচক হিসেবে ধরা হয় না—বিশেষ করে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনার বিপক্ষে। তবুও সুপার কাপ ফাইনালের পারফরম্যান্স বোর্ডকে আশ্বস্ত করেছে। ক্লাব সূত্রের মতে, আলোনসোর চাকরি নিয়ে কোনো আল্টিমেটাম নেই; বরং দলের সামগ্রিক উন্নতির দিকেই এখন মনোযোগ।
ফাইনালে আগের ম্যাচগুলোর তুলনায় কৌশলগত কিছু পরিবর্তন আনেন আলোনসো, যার ফলে মাঠের খেলায় উন্নতির ছাপ দেখা যায়। খেলোয়াড়দের মানসিকতা নিয়েও সন্তুষ্ট ক্লাব—শারীরিক সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও তারা কোচের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন। এর বড় উদাহরণ ছিলেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। ম্যাচজুড়ে বার্সার রক্ষণকে চাপে রাখেন তিনি, শেষ পর্যন্ত ক্লান্ত হয়ে নিজেই বদলির ইঙ্গিত দেন।
তবে এখন আলোনসোর সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ দলের ফিটনেস। পুরো মৌসুমজুড়েই ইনজুরি সমস্যায় ভুগছে রিয়াল। প্রায় প্রতি
স্প্যানিশ সুপার কাপের ফাইনালে এফসি বার্সেলোনার কাছে হারের পরও আপাতত স্বস্তিতে রয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। জেদ্দায় পাওয়া এই পরাজয় কোচ জাবি আলোনসোর ভবিষ্যৎকে প্রশ্নের মুখে ফেলেনি। বরং ক্লাবের ভেতরে এই ম্যাচটিকে দেখা হচ্ছে বিশ্লেষণ ও সংশোধনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে।
রিয়াল মাদ্রিদে হার কখনোই ইতিবাচক হিসেবে ধরা হয় না—বিশেষ করে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনার বিপক্ষে। তবুও সুপার কাপ ফাইনালের পারফরম্যান্স বোর্ডকে আশ্বস্ত করেছে। ক্লাব সূত্রের মতে, আলোনসোর চাকরি নিয়ে কোনো আল্টিমেটাম নেই; বরং দলের সামগ্রিক উন্নতির দিকেই এখন মনোযোগ।
ফাইনালে আগের ম্যাচগুলোর তুলনায় কৌশলগত কিছু পরিবর্তন আনেন আলোনসো, যার ফলে মাঠের খেলায় উন্নতির ছাপ দেখা যায়। খেলোয়াড়দের মানসিকতা নিয়েও সন্তুষ্ট ক্লাব—শারীরিক সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও তারা কোচের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন। এর বড় উদাহরণ ছিলেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। ম্যাচজুড়ে বার্সার রক্ষণকে চাপে রাখেন তিনি, শেষ পর্যন্ত ক্লান্ত হয়ে নিজেই বদলির ইঙ্গিত দেন।
তবে এখন আলোনসোর সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ দলের ফিটনেস। পুরো মৌসুমজুড়েই ইনজুরি সমস্যায় ভুগছে রিয়াল। প্রায় প্রতি ম্যাচেই নতুন করে কেউ না কেউ চোটে পড়ছেন। সেমিফাইনালে ফারলাঁ মেন্ডি ইনজুরিতে ছিটকে যান, আর ফাইনালে গুরুতর মাংসপেশির সমস্যায় পড়েন হুইজসেন।
এই পরিস্থিতিতে মেডিকেল বিভাগের ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। নিকো মিহিচের ফেরাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে ক্লাব, পাশাপাশি কোচিং স্টাফের কাছ থেকে প্রত্যাশা—এমন একটি ফিটনেস কাঠামো গড়া, যাতে ইনজুরি কমে এবং দল শারীরিকভাবে শক্ত হয়। ভালদেবেবাসে বিশ্বাস, মৌসুম ঘুরে দাঁড়ানোর সময় এখনও রয়েছে—শর্ত একটাই, ফিটনেস সমস্যার সমাধান।
জানুয়ারির ট্রান্সফার উইন্ডো নিয়েও এখনই বড় সিদ্ধান্তে যাচ্ছে না রিয়াল। শীতকালীন দলবদলে ক্লাবের আস্থা কম, যেমনটা তারা যুব একাডেমির ওপরও সীমিতভাবে ভরসা করে। কোপা দেল রের ম্যাচে কয়েকজন তরুণ সুযোগ পেতে পারেন, তবে চলতি মৌসুমের সমাধান হিসেবে একমাত্র গনজালো ছাড়া কাউকে বড় ভূমিকায় দেখা হচ্ছে না।
সব মিলিয়ে, সুপার কাপের হার জাবি আলোনসোর জন্য সতর্কবার্তা হলেও তাৎক্ষণিক কোনো বিপদের সংকেত নয়। ক্লাবের আস্থা এখনো তার ওপর অটুট—এবং সেই আস্থার মূল্য দিতে হলে রিয়াল মাদ্রিদকে দ্রুতই ফিটনেস সংকট কাটিয়ে আবার শিরোপার লড়াইয়ে ফিরতে হবে।