বাসা থেকে ডেকে নিয়ে গণপিটুনি দিয়ে যুবককে হত্যা

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ছিনতাইকাইকারী আখ্যা দিয়ে সিজান (২৫) নামে এক যুবককে গণপিটুনি দিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৪ জুলাই) রাতে ফতুল্লার পশ্চিম মাসদাইর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত সিজান পশ্চিম মাসদাইর এলাকার ইউনুছ ওরফে ইন্নু মিযার ছেলে। স্থানীয়রা জানান, এলাকার মসজিদের ইমাম কাউছার সম্প্রতি এলাকায় একটি সামাজিক সংগঠন করেছেন। এ সংগঠনে অন্তত ৩০ থেকে ৪০ জন সদস্য রয়েছেন। তারা সামাজিকভাবে এলাকার বিভিন্ন অপকর্মের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে থাকেন। একই সঙ্গে বিভিন্নজনের বিরুদ্ধে তারা ব্যবস্থাও নিয়েছেন। তারই অংশ হিসেবে এলাকাবাসী মিলে সিজানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়। সিজানের বাবা ইন্নু মিয়া অভিযোগ করে বলেন, আমার ছেলেকে বাসা থেকে কাউছারের নেতৃত্বে অন্তত ৩০ থেকে ৪০ জন ধরে নিয়ে যায়। এরপর মাসদাইর মোড়ে বিদ্যুতের খুটির সঙ্গে বেঁধে বেধরক পেটানো হয়। তার ডান পায়ে পাইপ দিয়ে পিটিয়ে ভেঙে দেওয়া হয়। তখন নিথর হয়ে পড়লে মসজিদের ইমাম কাউছার খুঁটি থেকে হাতের বাঁধন খুলে আমার কাছে দিয়ে বলেন ‘চিকিৎসা করো’। এরপর খানপুর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। মসজিদের ইমাম কাছাসার বলেন, সিজানের নামে ছিনতাইসহ অনেক অভিযোগ আছে। তাক

বাসা থেকে ডেকে নিয়ে গণপিটুনি দিয়ে যুবককে হত্যা

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ছিনতাইকাইকারী আখ্যা দিয়ে সিজান (২৫) নামে এক যুবককে গণপিটুনি দিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার (৪ জুলাই) রাতে ফতুল্লার পশ্চিম মাসদাইর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত সিজান পশ্চিম মাসদাইর এলাকার ইউনুছ ওরফে ইন্নু মিযার ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, এলাকার মসজিদের ইমাম কাউছার সম্প্রতি এলাকায় একটি সামাজিক সংগঠন করেছেন। এ সংগঠনে অন্তত ৩০ থেকে ৪০ জন সদস্য রয়েছেন। তারা সামাজিকভাবে এলাকার বিভিন্ন অপকর্মের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে থাকেন। একই সঙ্গে বিভিন্নজনের বিরুদ্ধে তারা ব্যবস্থাও নিয়েছেন। তারই অংশ হিসেবে এলাকাবাসী মিলে সিজানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়।

সিজানের বাবা ইন্নু মিয়া অভিযোগ করে বলেন, আমার ছেলেকে বাসা থেকে কাউছারের নেতৃত্বে অন্তত ৩০ থেকে ৪০ জন ধরে নিয়ে যায়। এরপর মাসদাইর মোড়ে বিদ্যুতের খুটির সঙ্গে বেঁধে বেধরক পেটানো হয়। তার ডান পায়ে পাইপ দিয়ে পিটিয়ে ভেঙে দেওয়া হয়। তখন নিথর হয়ে পড়লে মসজিদের ইমাম কাউছার খুঁটি থেকে হাতের বাঁধন খুলে আমার কাছে দিয়ে বলেন ‘চিকিৎসা করো’। এরপর খানপুর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

মসজিদের ইমাম কাছাসার বলেন, সিজানের নামে ছিনতাইসহ অনেক অভিযোগ আছে। তাকে বাসা থেকে আনা হয়েছিল বোঝানোর জন্য। সে যেন খারাপ কাজ ছেড়ে দেয়। তখন কিছু উত্তেজিত লোকজন সিজানকে গণপিটুনি দেয়। যারা পিটুনি দিয়েছে তারা আমাদের কেউ না।

ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলম বলেন, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের শরীরে আঘাতের দাগ রয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে অপরাধীদের গ্রেফতার করা হবে।

মোবাশ্বির শ্রাবণ/এমকেআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow