বাহরাইন-কুয়েত পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে মিশরের মন্ত্রীর ফোনালাপ
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান আঞ্চলিক সামরিক উত্তেজনা নিয়ে বাহরাইন ও কুয়েতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে পৃথক ফোনালাপ করেছেন মিশরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আবদেলাত্তি। রোববার (১৫ মার্চ) মিসরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, আলোচনায় আবদেলাত্তি দ্রুত সামরিক উত্তেজনা বন্ধের ওপর জোর দেন এবং সতর্ক করেন যে পরিস্থিতি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে রূপ নিলে এর পরিণতি হবে ‘ভয়াবহ’। তিনি বলেন, উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর ধারাবাহিক হামলা ‘অগ্রহণযোগ্য’ এবং এর কোনো যৌক্তিকতা নেই। একই সঙ্গে তিনি আরব দেশগুলোর জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় যৌথ ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার আহ্বান জানান। মিশর উপসাগরীয় দেশগুলোর নেওয়া সতর্কতামূলক পদক্ষেপ—যেমন আকাশসীমা বন্ধ রাখা—সমর্থন করেছেন বলেও জানান তিনি। অন্যদিকে, কুয়েতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জারাহ জাবের আল-আহমেদ আল-সাবাহ এবং বাহরাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুললাতিফ বিন রাশিদ আল-জায়ানি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে মিশর পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েলে-যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে ইরানের ওপর হামলা চালানোর পর থেকেই উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করে। এসব হামলায় প্রায় ১ হাজার ৩০০ জন নিহত হয়েছেন বলে দাবি কর
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান আঞ্চলিক সামরিক উত্তেজনা নিয়ে বাহরাইন ও কুয়েতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে পৃথক ফোনালাপ করেছেন মিশরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আবদেলাত্তি।
রোববার (১৫ মার্চ) মিসরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, আলোচনায় আবদেলাত্তি দ্রুত সামরিক উত্তেজনা বন্ধের ওপর জোর দেন এবং সতর্ক করেন যে পরিস্থিতি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে রূপ নিলে এর পরিণতি হবে ‘ভয়াবহ’।
তিনি বলেন, উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর ধারাবাহিক হামলা ‘অগ্রহণযোগ্য’ এবং এর কোনো যৌক্তিকতা নেই। একই সঙ্গে তিনি আরব দেশগুলোর জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় যৌথ ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
মিশর উপসাগরীয় দেশগুলোর নেওয়া সতর্কতামূলক পদক্ষেপ—যেমন আকাশসীমা বন্ধ রাখা—সমর্থন করেছেন বলেও জানান তিনি।
অন্যদিকে, কুয়েতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জারাহ জাবের আল-আহমেদ আল-সাবাহ এবং বাহরাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুললাতিফ বিন রাশিদ আল-জায়ানি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে মিশর পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েলে-যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে ইরানের ওপর হামলা চালানোর পর থেকেই উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করে। এসব হামলায় প্রায় ১ হাজার ৩০০ জন নিহত হয়েছেন বলে দাবি করা হচ্ছে, যার মধ্যে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আহাতুল্লাহ আলি খামেনিও রয়েছেন।
এর জবাবে ইরান ইসরায়েল, জর্ডান, ইরাক এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে আসছে ইরান। পাশাপাশি মার্চের শুরু থেকে হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
সূত্র: সিনহুয়া
কেএম
What's Your Reaction?