বিএনপির সংরক্ষিত আসনে ৯০০ নারী নেত্রীর সাড়ে ৪ কোটি টাকা জামানত

সংরক্ষিত মহিলা আসনের মনোনয়নের লক্ষ্যে গত শুক্রবার থেকে মনোনয়নপত্র বিতরণ কার্যক্রম শুরু করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। টানা তিন দিনব্যাপী এ কর্মসূচির রোববার ছিল শেষ দিন। বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানিয়েছেন, প্রথম দুই দিনে ১ হাজার ২৫টি মনোনয়নপত্র বিক্রি হয়েছে। তবে শেষ দিনের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা পাওয়া যায়নি। তিনি জানান, তিন দিন মিলিয়ে মোট বিক্রি হয়েছে এক হাজারের বেশি এবং জমা পড়েছে প্রায় ৯০০টি মনোনয়নপত্র। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে পারবেন দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তথ্য অনুযায়ী, প্রতিটি ফরমের মূল্য ২ হাজার টাকা হিসেবে মোট বিক্রয়মূল্য দাঁড়িয়েছে আনুমানিক ২০ লাখ টাকারও বেশি (ন্যূনতম হিসাব অনুযায়ী)। অন্যদিকে, জমা পড়া প্রায় ৯০০টি মনোনয়নপত্রের প্রতিটির সঙ্গে ৫০ হাজার টাকা করে জমা দেওয়ার বিধান থাকায়, এ খাতে জমা পড়েছে প্রায় ৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা। ফলে ফরম বিক্রি ও জমা—দুই মিলিয়ে মোট আর্থিক লেনদেন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪ কোটি ৭০ লাখ টাকার বেশি। তবে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে নির্ধারিত ৫০ হাজার টাকা নিয়ে অসন্তোষের কথাও শোনা যাচ্ছে। বেশ কয়েকজন মনোনয়নপ্রত্যাশী মনে করছ

বিএনপির সংরক্ষিত আসনে ৯০০ নারী নেত্রীর সাড়ে ৪ কোটি টাকা জামানত

সংরক্ষিত মহিলা আসনের মনোনয়নের লক্ষ্যে গত শুক্রবার থেকে মনোনয়নপত্র বিতরণ কার্যক্রম শুরু করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। টানা তিন দিনব্যাপী এ কর্মসূচির রোববার ছিল শেষ দিন।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানিয়েছেন, প্রথম দুই দিনে ১ হাজার ২৫টি মনোনয়নপত্র বিক্রি হয়েছে। তবে শেষ দিনের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা পাওয়া যায়নি।

তিনি জানান, তিন দিন মিলিয়ে মোট বিক্রি হয়েছে এক হাজারের বেশি এবং জমা পড়েছে প্রায় ৯০০টি মনোনয়নপত্র। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে পারবেন দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

তথ্য অনুযায়ী, প্রতিটি ফরমের মূল্য ২ হাজার টাকা হিসেবে মোট বিক্রয়মূল্য দাঁড়িয়েছে আনুমানিক ২০ লাখ টাকারও বেশি (ন্যূনতম হিসাব অনুযায়ী)।

অন্যদিকে, জমা পড়া প্রায় ৯০০টি মনোনয়নপত্রের প্রতিটির সঙ্গে ৫০ হাজার টাকা করে জমা দেওয়ার বিধান থাকায়, এ খাতে জমা পড়েছে প্রায় ৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা। ফলে ফরম বিক্রি ও জমা—দুই মিলিয়ে মোট আর্থিক লেনদেন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪ কোটি ৭০ লাখ টাকার বেশি।

তবে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে নির্ধারিত ৫০ হাজার টাকা নিয়ে অসন্তোষের কথাও শোনা যাচ্ছে। বেশ কয়েকজন মনোনয়নপ্রত্যাশী মনে করছেন, এই অঙ্কটি অনেকের জন্যই অতিরিক্ত এবং এতে আর্থিক চাপ তৈরি হচ্ছে। তাদের ভাষ্য, সংরক্ষিত নারী আসনে অংশ নিতে আগ্রহ থাকলেও এত বড় অঙ্কের টাকা জমা দেওয়া সবার পক্ষে সহজ নয়।

এ বিষয়ে শায়রুল কবির খান বলেন, নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুযায়ীই মনোনয়ন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে এবং ব্যাপক সাড়া পাওয়া গেছে।

কেএইচ/এমআরএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow