বিএনপি ক্ষমতায় গেলে যোগ্যতায় চাকরি হবে : অমিত
যশোর-৩ (সদর) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে চাকরি পাওয়ার জন্য দলীয় পরিচয় লাগবে না, যোগ্যতাই হবে একমাত্র মাপকাঠি। আমরা চাকরির বাজারকে উন্মুক্ত করতে চাই, যেখানে মেধাবীরা তাদের প্রাপ্য সম্মান পাবেন।
সোমবার (০৯ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১২টায় যশোর পৌর উদ্যানে আয়োজিত নতুন ও তরুণ ভোটারদের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, বিগত আমলে প্রশ্নফাঁস ও নকলের মহোৎসব হয়েছিল। যার দরুণ মেধাবীদের মেরুদণ্ড ভেঙে গেছে। অতীতে বিএনপির সময় নকল ও প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছিল।
তিনি আরও বলেন, নারীকে ঘরে আটকে রেখে বা তাদের শিক্ষার পথ বাধাগ্রস্ত করে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। বাংলাদেশের ৫০ শতাংশ জনগোষ্ঠী নারী। তাদের মধ্যে মোট ভোটারের ৫১ শতাংশ নারী। এই অংশকে বাদ দিয়ে উন্নয়ন সম্ভব নয়। বিএনপি, পুরুষের পাশাপাশি নারীদের সর্বোচ্চ সুযোগ সুবিধা প্রদান করে।
তিনি বলেন, আমরা মেধার সর্বোচ্চ মূল্যায়ন নিশ্চিত করব। মাস্টার্স পর্যন্ত মেয়েদের পড়ালেখা অবৈতনিক করা হবে। কর্মক্ষেত্রে নারীদের নিরাপত্তা ও সুযোগ বৃদ্ধিতে কাজ করা হবে।
বিএনপির এ প্র
যশোর-৩ (সদর) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে চাকরি পাওয়ার জন্য দলীয় পরিচয় লাগবে না, যোগ্যতাই হবে একমাত্র মাপকাঠি। আমরা চাকরির বাজারকে উন্মুক্ত করতে চাই, যেখানে মেধাবীরা তাদের প্রাপ্য সম্মান পাবেন।
সোমবার (০৯ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১২টায় যশোর পৌর উদ্যানে আয়োজিত নতুন ও তরুণ ভোটারদের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, বিগত আমলে প্রশ্নফাঁস ও নকলের মহোৎসব হয়েছিল। যার দরুণ মেধাবীদের মেরুদণ্ড ভেঙে গেছে। অতীতে বিএনপির সময় নকল ও প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছিল।
তিনি আরও বলেন, নারীকে ঘরে আটকে রেখে বা তাদের শিক্ষার পথ বাধাগ্রস্ত করে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। বাংলাদেশের ৫০ শতাংশ জনগোষ্ঠী নারী। তাদের মধ্যে মোট ভোটারের ৫১ শতাংশ নারী। এই অংশকে বাদ দিয়ে উন্নয়ন সম্ভব নয়। বিএনপি, পুরুষের পাশাপাশি নারীদের সর্বোচ্চ সুযোগ সুবিধা প্রদান করে।
তিনি বলেন, আমরা মেধার সর্বোচ্চ মূল্যায়ন নিশ্চিত করব। মাস্টার্স পর্যন্ত মেয়েদের পড়ালেখা অবৈতনিক করা হবে। কর্মক্ষেত্রে নারীদের নিরাপত্তা ও সুযোগ বৃদ্ধিতে কাজ করা হবে।
বিএনপির এ প্রার্থী বলেন, বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগে দেশকে এগিয়ে নিতে আইটি সেক্টরে বিশেষ প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, ‘আমার পিতা যবিপ্রবি ও মেডিকেল কলেজসহ যশোরের বহু উন্নয়ন করে গেছেন। সেই ধারাবাহিকতায় আমরা ক্ষমতায় এলে যশোরে একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করব।’
তিনি হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘যশোর সীমান্তবর্তী জেলা হওয়ায় মাদক ও সন্ত্রাস একটি বড় সমস্যা। আমি নির্বাচিত হলে যশোরকে মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত করব। এতে আমার দল বা পরিবারের কেউ জড়িত থাকলে তাকেও ছাড় দেওয়া হবে না। তাদের জায়গা হবে জেলখানা।’
সভায় যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর মেডিকেল কলেজ, এম এম কলেজসহ জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। এ সময় জুলাই যোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় শিক্ষার্থীরা অনিন্দ্য ইসলাম অমিতকে শিক্ষাব্যবস্থার সংকট, ক্যাম্পাসে শিক্ষার পরিবেশ, কর্মসংস্থান এবং নির্বাচনী এলাকার উন্নয়ন নিয়ে প্রশ্ন করেন। তাদের প্রশ্নের জবাবে তিনি ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরে বলেন, প্রতিটি তরুণ যাতে পরনির্ভরশীল না হয়ে নিজেই উদ্যোক্তা হতে পারে, সে পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে। তারেক রহমান ২০১৪ সালে বলেছিলেন, মেধা কখনো কোটার চেয়ে কম হতে পারে না।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন যশোর জেলা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ওমর ফারুক তারেক, সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান বাপ্পি, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহনেওয়াজ ইমরান এবং এম এম কলেজের সাবেক আহ্বায়ক হাসান ইমাম।