বিওয়াইডি’র সঙ্গে রানারের চুক্তি: আর্থিক প্রভাব এখনো নির্ধারণ হয়নি 

চীনের বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বিওয়াইডি’র সঙ্গে মাস্টার সাপ্লাই অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারিং অ্যাগ্রিমেন্ট (এমএসএমএ) সংক্রান্ত চূড়ান্ত বিনিয়োগ ও আর্থিক প্রভাব এখনো নির্ধারিত হয়নি। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) অনুসন্ধানের জবাবে এ তথ্য জানিয়েছে রানার অটোমোবাইলস পিএলসি। রোববার (২৯ মার্চ) ডিএসই থেকে বিনিয়োগকারীদের এ তথ্য জানানো হয়েছে।  এর আগে কোম্পানিটি ডিএসইকে জানায়, রানার অটোমোবাইলসের পরিচালনা পর্ষদ বিওয়াইডি চীনের সঙ্গে একটি এমএসএমএ অনুমোদন দিয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ডিএসই কোম্পানিটির কাছে চুক্তির কপি ও সম্ভাব্য আর্থিক প্রভাব সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চায়। এর জবাবে পাঠানো চিঠিতে কোম্পানিটি জানায়, এমএসএমএ মূলত একটি কাঠামোগত চুক্তি, যার ভিত্তিতে সিকেডি (কমপ্লিটলি নকড ডাউন) পদ্ধতিতে যানবাহন উৎপাদনের পরিকল্পনা এগোচ্ছে। বর্তমানে এই চুক্তির ওপর ভিত্তি করেই প্রকল্পের বিনিয়োগযোগ্যতা, বাস্তবায়ন সময়সূচি এবং সম্ভাব্য আর্থিক ফলাফল মূল্যায়ন করা হচ্ছে। কোম্পানিটি আরও জানিয়েছে, প্রতিটি গাড়ির মডেলের জন্য আলাদা করে টেকনিক্যাল লাইসেন্স অ্যাগ্রিমেন্ট (টিএলএ) করা হবে। এসব পৃথক চুক্তির মাধ্যমেই বাণিজ

বিওয়াইডি’র সঙ্গে রানারের চুক্তি: আর্থিক প্রভাব এখনো নির্ধারণ হয়নি 

চীনের বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বিওয়াইডি’র সঙ্গে মাস্টার সাপ্লাই অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারিং অ্যাগ্রিমেন্ট (এমএসএমএ) সংক্রান্ত চূড়ান্ত বিনিয়োগ ও আর্থিক প্রভাব এখনো নির্ধারিত হয়নি।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) অনুসন্ধানের জবাবে এ তথ্য জানিয়েছে রানার অটোমোবাইলস পিএলসি। রোববার (২৯ মার্চ) ডিএসই থেকে বিনিয়োগকারীদের এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

এর আগে কোম্পানিটি ডিএসইকে জানায়, রানার অটোমোবাইলসের পরিচালনা পর্ষদ বিওয়াইডি চীনের সঙ্গে একটি এমএসএমএ অনুমোদন দিয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ডিএসই কোম্পানিটির কাছে চুক্তির কপি ও সম্ভাব্য আর্থিক প্রভাব সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চায়।

এর জবাবে পাঠানো চিঠিতে কোম্পানিটি জানায়, এমএসএমএ মূলত একটি কাঠামোগত চুক্তি, যার ভিত্তিতে সিকেডি (কমপ্লিটলি নকড ডাউন) পদ্ধতিতে যানবাহন উৎপাদনের পরিকল্পনা এগোচ্ছে। বর্তমানে এই চুক্তির ওপর ভিত্তি করেই প্রকল্পের বিনিয়োগযোগ্যতা, বাস্তবায়ন সময়সূচি এবং সম্ভাব্য আর্থিক ফলাফল মূল্যায়ন করা হচ্ছে।

কোম্পানিটি আরও জানিয়েছে, প্রতিটি গাড়ির মডেলের জন্য আলাদা করে টেকনিক্যাল লাইসেন্স অ্যাগ্রিমেন্ট (টিএলএ) করা হবে। এসব পৃথক চুক্তির মাধ্যমেই বাণিজ্যিক, পরিচালনাগত ও আর্থিক বিষয়গুলোর বিস্তারিত নির্ধারণ করা হবে।

চুক্তিটি ২০২৫ সালের ২০ মার্চ চীনের শেনঝেনে অনুষ্ঠিত বিওয়াইডি’র এক সম্মেলনে স্বাক্ষরিত হয়। তবে এখনো বিওয়াইডি’র পক্ষ থেকে কিছু আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন বাকি রয়েছে। এসব আনুষ্ঠানিকতা শেষ হতে আরও ৫ থেকে ৬ কার্যদিবস সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছে কোম্পানিটি।

চুক্তির স্বাক্ষরিত কপি হাতে পাওয়ার পর তা ডিএসইকে সরবরাহ করা হবে বলেও জানিয়েছে রানার অটোমোবাইল।

এদিকে, প্রকল্পের চূড়ান্ত বিনিয়োগ, সম্ভাব্য আর্থিক প্রভাব এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট বিষয় এখনো মূল্যায়নাধীন রয়েছে। এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান বিওয়াইডি এবং রানার অটোমোবাইলসের পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন প্রয়োজন হবে।

চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়ার পর বিনিয়োগের আকার, আর্থিক প্রভাবসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য যথাসময়ে প্রকাশ করা হবে বলে ডিএসইকে জানিয়েছে কোম্পানিটি।

এমএএস/এমএমকে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow