বিক্ষোভে উসকানিদাতাদের প্রতি কোনো দয়া দেখানো হবে না : ইরান

ইরানের বিচার বিভাগের প্রধান ঘোলামহোসেন মোহসেনি এজেই জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক সরকারবিরোধী বিক্ষোভের পেছনে যাদের ভূমিকা রয়েছে, তাদের শাস্তির ক্ষেত্রে একচুল পরিমাণ ছাড় দেওয়া হবে না। রোববার (২৫ জানুয়ারি) ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম মিজান অনলাইনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই হুঁশিয়ারি দেন। খবর জিউ নিউজের। চলতি মাসের শুরুতে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি নিয়ে শুরু হওয়া বিক্ষোভ দ্রুতই সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ নেয়, যা সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে দেশটির জন্য সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে এবং দেশজুড়ে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরেছে বলে দাবি করেছে কর্তৃপক্ষ। মোহসেনি এজেই বলেন, জনগণ ন্যায্যভাবেই দাবি করছে দাঙ্গা, সন্ত্রাস ও সহিংসতার মূল অভিযুক্তদের দ্রুত বিচারের আওতায় এনে দোষী প্রমাণিত হলে কঠোর শাস্তি দিতে হবে। তিনি আরও বলেন, তদন্তের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ কঠোরতা অনুসরণ করা হবে এবং যারা অস্ত্র হাতে নিয়েছে, মানুষ হত্যা করেছে কিংবা অগ্নিসংযোগ ও ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে; তাদের প্রতি কোনো ধরনের দয়া দেখানো হবে না। ইরান সরকার জানিয়েছে, বিক্ষোভে মোট ৩ হাজার ১১৭ জন নিহত হয়েছেন

বিক্ষোভে উসকানিদাতাদের প্রতি কোনো দয়া দেখানো হবে না : ইরান

ইরানের বিচার বিভাগের প্রধান ঘোলামহোসেন মোহসেনি এজেই জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক সরকারবিরোধী বিক্ষোভের পেছনে যাদের ভূমিকা রয়েছে, তাদের শাস্তির ক্ষেত্রে একচুল পরিমাণ ছাড় দেওয়া হবে না। রোববার (২৫ জানুয়ারি) ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম মিজান অনলাইনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই হুঁশিয়ারি দেন। খবর জিউ নিউজের।

চলতি মাসের শুরুতে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি নিয়ে শুরু হওয়া বিক্ষোভ দ্রুতই সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ নেয়, যা সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে দেশটির জন্য সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে এবং দেশজুড়ে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরেছে বলে দাবি করেছে কর্তৃপক্ষ।

মোহসেনি এজেই বলেন, জনগণ ন্যায্যভাবেই দাবি করছে দাঙ্গা, সন্ত্রাস ও সহিংসতার মূল অভিযুক্তদের দ্রুত বিচারের আওতায় এনে দোষী প্রমাণিত হলে কঠোর শাস্তি দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, তদন্তের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ কঠোরতা অনুসরণ করা হবে এবং যারা অস্ত্র হাতে নিয়েছে, মানুষ হত্যা করেছে কিংবা অগ্নিসংযোগ ও ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে; তাদের প্রতি কোনো ধরনের দয়া দেখানো হবে না।

ইরান সরকার জানিয়েছে, বিক্ষোভে মোট ৩ হাজার ১১৭ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ২ হাজার ৪২৭ জনকে শহীদ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে যাদের মধ্যে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও সাধারণ নাগরিকরা রয়েছেন। সরকার পক্ষ থেকে নিহত অন্যদের দাঙ্গাকারী হিসেবে আখ্যা দিয়ে দাবি করা হয়েছে, তারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের উসকানিতে সহিংসতায় জড়িয়েছিল।

এদিকে, বিক্ষোভে আটক ব্যক্তিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হলে সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যদিও সাম্প্রতিক সময়ে তিনি কিছুটা নরম সুরে কথা বলেছেন এবং দাবি করেছেন, তেহরান পরিকল্পিত মৃত্যুদণ্ড কার্যকর স্থগিত রেখেছে।

সুইজারল্যান্ডের দাভোস থেকে ফেরার পথে সাংবাদিকদের ট্রাম্প জানান, যে কোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের দিকে একটি বিশাল নৌবহর পাঠাচ্ছে।

উল্লেখ্য, গত জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে ১২ দিনের যুদ্ধে যুক্ত হয়ে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র।
 
ইরানের বিশেষ পুলিশ বাহিনীর কমান্ডার কর্নেল মেহদি শরিফ কাজেমি দাবি করেছেন, বিক্ষোভ দমনে পুলিশ প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার করেনি।

তিনি বলেন, এই অভিযানে পুলিশের অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ উঠলেও বাস্তবে কোনো আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করা হয়নি। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং প্রাণহানি এড়াতে আমরা কেবল পানি কামানের মতো অপ্রাণঘাতী পদ্ধতি ব্যবহার করেছি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow