বিজেআরআই উদ্ভাবিত প্রযুক্তি হস্তান্তর কর্মশালা 

বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিজেআরআই) উদ্ভাবিত কৃষি, কারিগরি ও জুট-টেক্সটাইল প্রযুক্তির সম্প্রসারণ এবং মাঠপর্যায়ে কার্যকর হস্তান্তরের লক্ষ্যে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিজেআরআইয়ের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এ কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন প্রতিষ্ঠানটির মহাপরিচালক ড. নার্গীস আক্তার। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সেলিম খান। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. সেলিম খান বলেন, দেশের অর্থনীতি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং পরিবেশবান্ধব শিল্পায়নে পাটের গুরুত্ব অপরিসীম। গবেষণার মাধ্যমে উদ্ভাবিত প্রযুক্তি দ্রুত মাঠপর্যায়ে পৌঁছে দেওয়া গেলে কৃষক, উদ্যোক্তা ও শিল্পখাত সমানভাবে উপকৃত হবে।  তিনি পাটভিত্তিক বহুমুখী পণ্যের উৎপাদন ও ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি গবেষণালব্ধ প্রযুক্তির কার্যকর সম্প্রসারণের মাধ্যমে পাটখাতের সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান। কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম এবং বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মো. আব্দুছ ছালাম। কর্মশালায় বিজেআরআই উদ্ভাবিত কৃষি, কার

বিজেআরআই উদ্ভাবিত প্রযুক্তি হস্তান্তর কর্মশালা 
বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিজেআরআই) উদ্ভাবিত কৃষি, কারিগরি ও জুট-টেক্সটাইল প্রযুক্তির সম্প্রসারণ এবং মাঠপর্যায়ে কার্যকর হস্তান্তরের লক্ষ্যে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিজেআরআইয়ের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এ কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন প্রতিষ্ঠানটির মহাপরিচালক ড. নার্গীস আক্তার। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সেলিম খান। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. সেলিম খান বলেন, দেশের অর্থনীতি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং পরিবেশবান্ধব শিল্পায়নে পাটের গুরুত্ব অপরিসীম। গবেষণার মাধ্যমে উদ্ভাবিত প্রযুক্তি দ্রুত মাঠপর্যায়ে পৌঁছে দেওয়া গেলে কৃষক, উদ্যোক্তা ও শিল্পখাত সমানভাবে উপকৃত হবে।  তিনি পাটভিত্তিক বহুমুখী পণ্যের উৎপাদন ও ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি গবেষণালব্ধ প্রযুক্তির কার্যকর সম্প্রসারণের মাধ্যমে পাটখাতের সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান। কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম এবং বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মো. আব্দুছ ছালাম। কর্মশালায় বিজেআরআই উদ্ভাবিত কৃষি, কারিগরি ও জুট-টেক্সটাইল খাতের বিভিন্ন প্রযুক্তি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এসব প্রযুক্তি মাঠপর্যায়ে সম্প্রসারণ ও হস্তান্তরের মাধ্যমে কৃষক, উদ্যোক্তা এবং শিল্পখাতের সঙ্গে কার্যকর সংযোগ স্থাপনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা। বক্তারা বলেন, পাটের বহুমুখী ব্যবহার নিশ্চিত করার পাশাপাশি গবেষণালব্ধ প্রযুক্তির দ্রুত সম্প্রসারণ ও কার্যকর হস্তান্তরের মাধ্যমে দেশের পাটখাতকে আরও শক্তিশালী ও প্রতিযোগিতামূলক করা সম্ভব। এ জন্য গবেষণা প্রতিষ্ঠান, সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, উদ্যোক্তা, শিল্পখাত ও কৃষকদের মধ্যে সমন্বিত কার্যক্রম আরও জোরদার করা প্রয়োজন। কর্মশালা শেষে প্রধান অতিথি বিজেআরআই উদ্ভাবিত বিভিন্ন প্রযুক্তি ও পণ্য প্রদর্শনের জন্য স্থাপিত স্টল পরিদর্শন করেন এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. রফিকুল ইসলাম, মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. আফছার আলী, তুলা উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী পরিচালক মো. রেজাউল আমিন, কৃষি তথ্য সার্ভিসের পরিচালক মো. মসীহুর রহমান, বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. মাহফুজ বাজ্জাজ, বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. কবির উদ্দিন আহমেদ, বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সির পরিচালক মো. রফিকুল ইসলামসহ বিভিন্ন গবেষণা ও সম্প্রসারণ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া বিজেআরআইয়ের পরিচালক (জুট-টেক্সটাইল) ড. ফেরদৌস আরা দিলরুবা, পরিচালক (পিটিসি) ড. মো. গোলাম মোস্তফা, পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) ড. মো. ইয়ারউদ্দিন সরকারসহ প্রতিষ্ঠানের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, বিজ্ঞানী ও কর্মকর্তারা কর্মশালায় অংশ নেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow