বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি নয়, পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় পাচ্ছে বগুড়াবাসী

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় নয়, তার পরিবর্তে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় পেতে যাচ্ছে বগুড়ার মানুষ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ইচ্ছায় বগুড়ায় একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। এ লক্ষ্যে আইন সংশোধনে ছয় সদস্যের কমিটিও গঠন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বগুড়া শহরের টিটু মিলনায়তনে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ৫ দিনব্যাপী মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। জানা গেছে, ২০২৩ সালের ১০ মে বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বাস্তবায়নের জন্য সরকার এসআরও জারি করে। পরে রাষ্ট্রপতি গত বছরের ৩ জুন ড. মো. কুদরত-ই-জাহানকে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেন। বর্তমানে বগুড়া শহরের উপশহরে বিশ্ববিদ্যালয়টির কার্যক্রম পরিচালিত করার জন্য অস্থায়ী কার্যালয় করা হয়েছে। চলতি বছরের ২০ জানুয়ারি বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) বিশ্ববিদ্যালয়টিতে একটি অনুষদের অধীনে দুটি বিভাগ চালুর প্রাথমিক প্রশাসনিক অনুমোদন প্রদান করে। এর আগে ২০০১ সালের ১৫ জুলাই জাতীয় সংসদে বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যা

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি নয়, পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় পাচ্ছে বগুড়াবাসী

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় নয়, তার পরিবর্তে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় পেতে যাচ্ছে বগুড়ার মানুষ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ইচ্ছায় বগুড়ায় একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। এ লক্ষ্যে আইন সংশোধনে ছয় সদস্যের কমিটিও গঠন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বগুড়া শহরের টিটু মিলনায়তনে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ৫ দিনব্যাপী মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

জানা গেছে, ২০২৩ সালের ১০ মে বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বাস্তবায়নের জন্য সরকার এসআরও জারি করে। পরে রাষ্ট্রপতি গত বছরের ৩ জুন ড. মো. কুদরত-ই-জাহানকে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেন। বর্তমানে বগুড়া শহরের উপশহরে বিশ্ববিদ্যালয়টির কার্যক্রম পরিচালিত করার জন্য অস্থায়ী কার্যালয় করা হয়েছে।

চলতি বছরের ২০ জানুয়ারি বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) বিশ্ববিদ্যালয়টিতে একটি অনুষদের অধীনে দুটি বিভাগ চালুর প্রাথমিক প্রশাসনিক অনুমোদন প্রদান করে। এর আগে ২০০১ সালের ১৫ জুলাই জাতীয় সংসদে বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন পাস হয়।

বগুড়াবাসী আগে থেকেই একটি পূর্ণাঙ্গ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবি জানিয়ে আসছিল। সেই দাবি পূরণ করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেজন্য বগুড়ায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবর্তে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় করার জন্য কমিটিও গঠন করা হয়েছে। ইতোমধ্যে এই কমিটি কাজ শুরু করে দিয়েছে। ৬ সদস্যের এই কমিটিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (বিশ্ববিদ্যালয়) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ আলিফ রুদাবাকে সভাপতি করা হয়েছে।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড. মাছুমা হাবিব, নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহা. হাছানাত আলী, যুগ্ম সচিব (নিরীক্ষা ও আইন অনুবিভাগ) জহিরুল ইসলাম, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের আইন কর্মকর্তা ফাহিম ফয়সাল এবং কমিটির সদস্য সচিব সিনিয়র সহকারী সচিব, (মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ) নাঈম খন্দকার।

বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সহকারী সচিব মো. শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই কমিটি গঠনের কথা জানানো হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ৩১ মার্চ সই করা চিঠিতে বলা হয়েছে, বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০০১ সংশোধন করার লক্ষে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।

কমিটি বিদ্যমান আইন বাস্তব চাহিদার ভিত্তিতে সংশোধন, পরিবর্তন, পরিবর্ধন, পরিমার্জন করবে। ৬ সদস্যের কমিটিকে ৮ কর্মদিবসের মধ্যে আইন সংশোধন করে শিক্ষামন্ত্রী সমীপে উপস্থাপন করতে বলা হয়েছে।

এই কমিটির সদস্যরা ইতোমধ্যে অনেক অগ্রসর হয়েছে বলে জানা গেছে।

এ প্রসঙ্গে পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, ‘বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় আইন আগে পাশ হয়েছিল। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম হবে এখন বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয়। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে বিজ্ঞান, কলা বিভাগ, অন্যান্য বিভাগে সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে কৃষি, প্রকৌশল এবং চিকিৎসা উপনিষদ চালু করা হবে। যেন ভবিষ্যতে বগুড়ায় আর কোনো কৃষি বা প্রকৌশলী বিশ্ববিদ্যালয় আলাদা করে করতে না হয়। একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে যেন সব কিছু থাকে। আমরা আশা করছি এটি ক্যাবিনেটে অনুমোদন হলেই খুব স্বল্প সময়ের মধ্যেই কাজ শুরু শুরু করা হবে।

তিনি আরও বলেন, ১২ এপ্রিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন। সেখানে আইন সংশোধনের প্রয়োজনীয়তা, কাঠামো ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।  

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow