বিটিটিবির কোটি টাকা আত্মসাৎ, ২৭ বছর পর সাবেক তিন কর্মকর্তার কারাদণ্ড

বাংলাদেশ টেলিফোন ও টেলিগ্রাফ বোর্ডের (বিটিটিবি) চট্টগ্রাম কার্যালয়ের অর্থ আত্মসাতের ২৭ বছর পুরোনো মামলায় তিন সাবেক কর্মকর্তাকে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার (২২ জুন) চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. মিজানুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন বিটিটিবির সাবেক বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. কামরুল আলম ও সাদিকুর রহমান খান এবং সাবেক উচ্চমান সহকারী কাম ক্যাশিয়ার মোহাম্মদ হোসেন। তারা পলাতক আছেন। আদালত সূত্র জানায়, দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারায় তিনজনকে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া ৪২০ ধারায় সাত বছর, ৪৬৭ ধারায় ১০ বছর, ৪৬৮ ও ৪৭১ ধারায় পাঁচ বছর এবং ৪৭৭(এ) ধারায় পাঁচ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় আরও সাত বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সব দণ্ড একসঙ্গে কার্যকর হবে। আরও পড়ুন চট্টগ্রামে শপিং কমপ্লেক্সে ব্যবসায়ীকে হত্যার মামলায় আসামির যাবজ্জীবন দুর্নীতি দমন কমিশনের আইনজীবী রেজাউল করিম রনি বলেন, মামলায় ১৩ সাক্ষীর সাক্ষ্য ও অন্যান্য প্রমাণে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এ রায় দিয়েছেন। আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ

বিটিটিবির কোটি টাকা আত্মসাৎ, ২৭ বছর পর সাবেক তিন কর্মকর্তার কারাদণ্ড

বাংলাদেশ টেলিফোন ও টেলিগ্রাফ বোর্ডের (বিটিটিবি) চট্টগ্রাম কার্যালয়ের অর্থ আত্মসাতের ২৭ বছর পুরোনো মামলায় তিন সাবেক কর্মকর্তাকে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (২২ জুন) চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. মিজানুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন বিটিটিবির সাবেক বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. কামরুল আলম ও সাদিকুর রহমান খান এবং সাবেক উচ্চমান সহকারী কাম ক্যাশিয়ার মোহাম্মদ হোসেন। তারা পলাতক আছেন।

আদালত সূত্র জানায়, দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারায় তিনজনকে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া ৪২০ ধারায় সাত বছর, ৪৬৭ ধারায় ১০ বছর, ৪৬৮ ও ৪৭১ ধারায় পাঁচ বছর এবং ৪৭৭(এ) ধারায় পাঁচ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় আরও সাত বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সব দণ্ড একসঙ্গে কার্যকর হবে।

দুর্নীতি দমন কমিশনের আইনজীবী রেজাউল করিম রনি বলেন, মামলায় ১৩ সাক্ষীর সাক্ষ্য ও অন্যান্য প্রমাণে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এ রায় দিয়েছেন। আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, ১৯৯৪ সালে বিটিটিবির বিভাগীয় প্রকৌশলী (ইমারত নির্মাণ) কার্যালয়ে কর্মরত অবস্থায় মোহাম্মদ হোসেন ২৪টি চেকের অঙ্ক পরিবর্তন করে অনুমোদিত অর্থের অতিরিক্ত এক কোটি ৬৬ লাখ টাকা উত্তোলন করেন। ওই অর্থ ক্যাশবুকে দেখানো হয়নি এবং সরকারি কোষাগারেও জমা দেওয়া হয়নি। তদন্তে তৎকালীন বিভাগীয় প্রকৌশলী কামরুল আলম ও সাদিকুর রহমান খানের সহযোগিতার তথ্য পাওয়া যায়।

এ ঘটনায় ১৯৯৯ সালের ৩১ অক্টোবর নগরের ডবলমুরিং থানায় মামলা হয়। পরে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তদন্ত শেষে ২০১৩ সালে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। ২০১৪ সালের ৮ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে মামলার বিচার শুরু হয়।

এমআরএএইচ/একিউএফ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow