বিদায়ের মঞ্চে দাঁড়িয়ে ফুটবলের মহাতারকারা

আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরই পর্দা উঠবে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের। তবে এবারের আসর শুধু নতুন চ্যাম্পিয়নের লড়াই নয়, বিশ্ব ফুটবলে হতে পারে এক স্বর্ণযুগের অবসানেরও। কারণ গত দুই দশক ধরে ফুটবলকে শাসন করা কয়েকজন মহাতারকার জন্য এটি হতে পারে শেষ বিশ্বকাপ। ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ হবে ইতিহাসে প্রথমবারে মতো ৪৮ দল নিয়ে। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে বসছে আসর। আর এই আসরেই নিজেদের ক্যারিয়ারের শেষ অধ্যায় লিখতে পারেন ফুটবলের সাত কিংবদন্তি। উত্তর আমেরিকার বিশ্বকাপেই শেষবারের মতো দেখা যেতে পারে মেসি, রোনালদো, নেইমার, মদরিচ, সালাহ, সন ও ডি ব্রুইনাকে। এদের মধ্যে কেউ কেউ ইতিমধ্যেই গৌরবের স্বাদ পেয়েছেন, আবার অন্যরা সেই অধরা স্বপ্নের পেছনে ছুটছেন, তবে তাদের সবার লক্ষ্য একটাই: ‘শীর্ষে থেকে শেষ করা।’ পর্তুগালের ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ইতোমধ্যেই ইঙ্গিত দিয়েছেন, এটিই হবে তার শেষ বিশ্বকাপ। বিশ্বকাপ ইতিহাসে ছয়টি আসরে খেলা প্রথম ফুটবলার হওয়ার পাশাপাশি ২০০৬ সাল থেকে অধরা থাকা শিরোপা জয়ের শেষ সুযোগও হবে তার সামনে। অন্যদিকে আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত না করলেও তিনিও একই পথেই হাঁটতে পারেন। এই বিশ্বকাপে অংশ

বিদায়ের মঞ্চে দাঁড়িয়ে ফুটবলের মহাতারকারা

আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরই পর্দা উঠবে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের। তবে এবারের আসর শুধু নতুন চ্যাম্পিয়নের লড়াই নয়, বিশ্ব ফুটবলে হতে পারে এক স্বর্ণযুগের অবসানেরও। কারণ গত দুই দশক ধরে ফুটবলকে শাসন করা কয়েকজন মহাতারকার জন্য এটি হতে পারে শেষ বিশ্বকাপ।

২০২৬ সালের বিশ্বকাপ হবে ইতিহাসে প্রথমবারে মতো ৪৮ দল নিয়ে। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে বসছে আসর। আর এই আসরেই নিজেদের ক্যারিয়ারের শেষ অধ্যায় লিখতে পারেন ফুটবলের সাত কিংবদন্তি। উত্তর আমেরিকার বিশ্বকাপেই শেষবারের মতো দেখা যেতে পারে মেসি, রোনালদো, নেইমার, মদরিচ, সালাহ, সন ও ডি ব্রুইনাকে। এদের মধ্যে কেউ কেউ ইতিমধ্যেই গৌরবের স্বাদ পেয়েছেন, আবার অন্যরা সেই অধরা স্বপ্নের পেছনে ছুটছেন, তবে তাদের সবার লক্ষ্য একটাই: ‘শীর্ষে থেকে শেষ করা।’

পর্তুগালের ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ইতোমধ্যেই ইঙ্গিত দিয়েছেন, এটিই হবে তার শেষ বিশ্বকাপ। বিশ্বকাপ ইতিহাসে ছয়টি আসরে খেলা প্রথম ফুটবলার হওয়ার পাশাপাশি ২০০৬ সাল থেকে অধরা থাকা শিরোপা জয়ের শেষ সুযোগও হবে তার সামনে।

অন্যদিকে আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত না করলেও তিনিও একই পথেই হাঁটতে পারেন। এই বিশ্বকাপে অংশ নিয়ে তিনিও রোনালদোর মতো ছয়টি বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া খেলোয়াড় হবেন। ২০২২ সালে জেতা শিরোপা ধরে রাখার মিশনও থাকবে তার সামনে।

ব্রাজিলের নেইমারের ভবিষ্যত নির্ভর করছে ফিটনেসের ওপর। ২০২৩ সালের গুরুতর হাঁটুর চোটের পর জাতীয় দলের হয়ে আর মাঠে নামেননি তিনি। ব্রাজিলের স্কোয়াডে রাখা হয়েছে তাকে। তবে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে মাঠে নামলেও এটিই হতে পারে তার শেষ বিশ্বকাপ।

ক্রোয়েশিয়ার লুকা মদরিচ, বেলজিয়ামের কেভিন ডি ব্রুইনা, দক্ষিণ কোরিয়ার সন হিউং-মিন এবং মিশরের মোহাম্মদ সালাহও রয়েছেন একই তালিকায়। বয়স, শারীরিক সামর্থ্য এবং জাতীয় দলের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বিবেচনায় তাদের জন্যও ২০২৬ বিশ্বকাপ হতে পারে শেষ আন্তর্জাতিক মহাযজ্ঞ।

ফুটবলের ইতিহাসে অনেক বিদায় এসেছে, অনেক কিংবদন্তি মঞ্চ ছেড়েছেন। তবে ২০২৬ বিশ্বকাপ সত্যিই যদি মেসি-রোনালদো-নেইমারদের শেষ মঞ্চ হয়, তাহলে উত্তর আমেরিকা সাক্ষী থাকবে এক যুগের অবসানের।

টিটিটি/আইএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow