বিদ্যুৎহীন সাজেকে আজও আটকা ৬০০ পর্যটক

টানা বর্ষণ আর পাহাড়ি ঢলে খাগড়াছড়ির দিঘীনালা ও রাঙ্গামাটির-বাঘাইহাট-মাচালং সড়ক ডুবে যাওয়ায় সাজেক পর্যটনকেন্দ্রে আটকা পড়েছেন ছয় শতাধিক পর্যটক। বুধবার (৮ জুলাই) থেকে পর্যটকরা আটকে আছেন সাজেকে। সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বিদ্যুৎ না থাকার বিড়ম্বনা। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাজেক রিসোর্ট মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক রাহুল চাকমা। আরও পড়ুন আশ্রয়কেন্দ্রে ছুটছেন পাহাড়ের বাসিন্দারা রাহুল চাকমা জাগো নিউজকে বলেন, গত কয়েকদিনের টানা ভারি বৃষ্টিতে দিঘীনালা-বাঘাইহাট-মাচালং সড়ক পানিতে ডুবে গেছে। এই পথে স্রোত থাকায় যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। গত রোববার ও সোমবার সাজেকে সব মিলে ৬ শতাধিক পর্যটক ভ্রমণে এসেছিলেন। তারা সবাই নিরাপদ আছেন। আজ বিকেলের মধ্যে সড়কের পানি কমে গেলে পর্যটকরা গন্তব্যে ফিরে যেতে পারবেন। পর্যটকরা ফিরতে না পারলে তারা কটেজগুলোতে আজও বিনামূল্যে থাকতে পারবেন। এটা বৈরী আবহাওয়া ও দুর্যোগের কারণে কটেজ মালিক সমিতির মানবিক উদ্যোগ। এদিকে খাগড়াছড়ির দিঘীনালা বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রে পানি ওঠায় দিঘীনালা ও সাজেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে বুধবার বিকেল থেকে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন

বিদ্যুৎহীন সাজেকে আজও আটকা ৬০০ পর্যটক

টানা বর্ষণ আর পাহাড়ি ঢলে খাগড়াছড়ির দিঘীনালা ও রাঙ্গামাটির-বাঘাইহাট-মাচালং সড়ক ডুবে যাওয়ায় সাজেক পর্যটনকেন্দ্রে আটকা পড়েছেন ছয় শতাধিক পর্যটক। বুধবার (৮ জুলাই) থেকে পর্যটকরা আটকে আছেন সাজেকে। সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বিদ্যুৎ না থাকার বিড়ম্বনা।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাজেক রিসোর্ট মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক রাহুল চাকমা।

রাহুল চাকমা জাগো নিউজকে বলেন, গত কয়েকদিনের টানা ভারি বৃষ্টিতে দিঘীনালা-বাঘাইহাট-মাচালং সড়ক পানিতে ডুবে গেছে। এই পথে স্রোত থাকায় যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। গত রোববার ও সোমবার সাজেকে সব মিলে ৬ শতাধিক পর্যটক ভ্রমণে এসেছিলেন। তারা সবাই নিরাপদ আছেন। আজ বিকেলের মধ্যে সড়কের পানি কমে গেলে পর্যটকরা গন্তব্যে ফিরে যেতে পারবেন। পর্যটকরা ফিরতে না পারলে তারা কটেজগুলোতে আজও বিনামূল্যে থাকতে পারবেন। এটা বৈরী আবহাওয়া ও দুর্যোগের কারণে কটেজ মালিক সমিতির মানবিক উদ্যোগ।

বিদ্যুৎহীন সাজেকে আজও আটকা ৬০০ পর্যটক

এদিকে খাগড়াছড়ির দিঘীনালা বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রে পানি ওঠায় দিঘীনালা ও সাজেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে বুধবার বিকেল থেকে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাজেকের কটেজ মালিকরা।

কটেজ মালিক যুবরাজ বলেন, বিদ্যুৎ না থাকায় জেনারেটর ব্যবহার করে পানি তোলা ও মোবাইল চার্জ করতে হচ্ছে। তেল শেষ হলে অন্ধকারে থাকতে হবে আমাদের। সড়কে এখনো ৭ ফুট পর্যন্ত পানি আছে। পানি আজ নামার সম্ভাবনা খুবই কম। আজও পর্যটকরা গন্তব্যে যেতে পারবে বলে মনে হয় না। এখনো থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে।

দিঘীনালা বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রের আবাসিক প্রকৌশলী হিল্লোল বড়ুয়া জাগো নিউজকে বলেন, বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র থেকে পানি কিছুটা নেমে গেছে। আমরা সরবরাহ সচল রাখতে কাজ করছি। সাজেকসহ দিঘীনালার বেশ কিছু এলাকায় সরবরাহ সচল করেছি। তবে যেসব এলাকায় পানি আছে সেখানে নিরাপত্তার স্বার্থে সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে।

অন্যদিকে গত ৭ জুলাই সন্ধ্যায় রাঙ্গামাটিতে ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ধসের শঙ্কায় পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাজেক পর্যটন কেন্দ্র ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে জেলা প্রশাসন। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নাজমা আশরাফী স্বাক্ষরিত এক জরুরি গণবিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

আবু দারদা খান আরমান/এফএ/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow