বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে কর ছাড়ের প্রস্তাব, উৎপাদন ব্যয় কমানোর আশা

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ উৎসাহিত করা এবং উৎপাদন ব্যয় কমানোর লক্ষ্যে উৎসে কর কর্তনের হার কমানোর প্রস্তাব দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় তিনি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এবং জ্বালানি তেল সরবরাহকারী রিফাইনারিগুলোর জন্য কর রেয়াতের এই প্রস্তাব তুলে ধরেন। বাজেট প্রস্তাব অনুযায়ী, বিদ্যুৎ উৎপাদনকারীদের কাছ থেকে বিদ্যুৎ ক্রয়ের ওপর উৎসে কর কর্তনের হার বর্তমান ৪ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৩ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। একই সঙ্গে রিফাইনারি কর্তৃক জ্বালানি তেল সরবরাহের ক্ষেত্রে উৎসে কর কর্তনের হার ১ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১ শতাংশ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, উৎসে করের হার কমানো হলে বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলোর নগদ প্রবাহ (ক্যাশ ফ্লো) উন্নত হবে এবং পরিচালন ব্যয় হ্রাসে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। একইভাবে রিফাইনারিগুলোর ক্ষেত্রে কর কর্তনের হার কমানো হলে জ্বালানি তেল সরবরাহ ব্যবস্থাপনায় আর্থিক চাপ কিছুটা কমবে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি মূল্য ওঠানামা এবং ডলার সংকটের প্রেক্ষাপটে বিদ্যুৎ ও জ

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে কর ছাড়ের প্রস্তাব, উৎপাদন ব্যয় কমানোর আশা

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ উৎসাহিত করা এবং উৎপাদন ব্যয় কমানোর লক্ষ্যে উৎসে কর কর্তনের হার কমানোর প্রস্তাব দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় তিনি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এবং জ্বালানি তেল সরবরাহকারী রিফাইনারিগুলোর জন্য কর রেয়াতের এই প্রস্তাব তুলে ধরেন।

বাজেট প্রস্তাব অনুযায়ী, বিদ্যুৎ উৎপাদনকারীদের কাছ থেকে বিদ্যুৎ ক্রয়ের ওপর উৎসে কর কর্তনের হার বর্তমান ৪ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৩ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। একই সঙ্গে রিফাইনারি কর্তৃক জ্বালানি তেল সরবরাহের ক্ষেত্রে উৎসে কর কর্তনের হার ১ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১ শতাংশ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, উৎসে করের হার কমানো হলে বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলোর নগদ প্রবাহ (ক্যাশ ফ্লো) উন্নত হবে এবং পরিচালন ব্যয় হ্রাসে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। একইভাবে রিফাইনারিগুলোর ক্ষেত্রে কর কর্তনের হার কমানো হলে জ্বালানি তেল সরবরাহ ব্যবস্থাপনায় আর্থিক চাপ কিছুটা কমবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি মূল্য ওঠানামা এবং ডলার সংকটের প্রেক্ষাপটে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন আর্থিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। এমন পরিস্থিতিতে উৎসে কর কমানোর উদ্যোগ খাতটির জন্য ইতিবাচক বার্তা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

তবে অর্থনীতিবিদদের একটি অংশের মতে, কর রেয়াতের সুফল ভোক্তা পর্যায়ে পৌঁছাতে হলে উৎপাদন ব্যয় কমার প্রতিফলন বিদ্যুতের সামগ্রিক ব্যয় কাঠামোতে দেখা যেতে হবে। পাশাপাশি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে দক্ষতা বৃদ্ধি, সুশাসন নিশ্চিতকরণ এবং দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারের উদ্যোগও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

বাজেট প্রস্তাব অনুমোদিত হলে আগামী অর্থবছর থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ও রিফাইনারিগুলো কম হারে উৎসে কর কর্তনের সুবিধা পাবে, যা খাত দুটির আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এনএস/এসএনআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow