বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা পেয়ে খুশি গরিব-দুস্থরা
ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ-২০২৬ চলাকালীন ৪০৩ ব্যাটল গ্রুপ আর্টডকের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় শতাধিক অসহায় দুস্থকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ঔষধ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত উপজেলা সদর ইউনিয়নের ছনকান্দা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে স্থাপিত মেডিক্যাল ক্যাম্পে এ সেবা কার্যক্রম চলে।
সেনাবাহিনী পক্ষ থেকে জানানো হয়, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সব সময় জনগণের সেবায় রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। আমাদের ৪০৩ ব্যাটল গ্রুপ আর্টডকের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের মাধ্যমে ১০০ রোগীকে এখানে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ সহায়তা দেওয়া হলো।
এ দিকে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা গ্রহীতারা বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ঔষধ পেয়ে খুশি।
সেবা নিতে আসা কমলা খাতুন বলেন, আমরা অসহায় গরিব মানুষ। শহরে গিয়ে ভালো ডাক্তার দেখাতে পারি না। বাড়ির কাছে সেনাবাহিনীর এই চিকিৎসা ও ওষুধ পেয়ে অনেক উপকার হলো। মাঝে মধ্যে এ ধরনের মেডিকেল ক্যাম্প চাই।
সেনাবাহিনীর চিকিৎসক ডাক্তার ল্যাফটেন্যান্ট কর্নেল হাজি শ
ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ-২০২৬ চলাকালীন ৪০৩ ব্যাটল গ্রুপ আর্টডকের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় শতাধিক অসহায় দুস্থকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ঔষধ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত উপজেলা সদর ইউনিয়নের ছনকান্দা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে স্থাপিত মেডিক্যাল ক্যাম্পে এ সেবা কার্যক্রম চলে।
সেনাবাহিনী পক্ষ থেকে জানানো হয়, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সব সময় জনগণের সেবায় রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। আমাদের ৪০৩ ব্যাটল গ্রুপ আর্টডকের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের মাধ্যমে ১০০ রোগীকে এখানে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ সহায়তা দেওয়া হলো।
এ দিকে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা গ্রহীতারা বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ঔষধ পেয়ে খুশি।
সেবা নিতে আসা কমলা খাতুন বলেন, আমরা অসহায় গরিব মানুষ। শহরে গিয়ে ভালো ডাক্তার দেখাতে পারি না। বাড়ির কাছে সেনাবাহিনীর এই চিকিৎসা ও ওষুধ পেয়ে অনেক উপকার হলো। মাঝে মধ্যে এ ধরনের মেডিকেল ক্যাম্প চাই।
সেনাবাহিনীর চিকিৎসক ডাক্তার ল্যাফটেন্যান্ট কর্নেল হাজি শফিকুল আলম ও মেজর মনয়ুর উল করিমসহ সেনাবাহিনীর বিভিন্ন পদস্থ কর্মকর্তা ও সৈনিক এ প্রোগ্রামকে বাস্তবায়ন করার কাজ করেছেন। এ সময় সেনাবাহিনীর বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।