বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক ও মদ্যপানের দায়ে ইন্দোনেশিয়ায় যুগলকে বেত্রাঘাত

ইন্দোনেশিয়ার আচেহ প্রদেশে বিবাহবহির্ভূত শারীরিক সম্পর্ক ও মদ্যপানের দায়ে এক যুগলকে প্রকাশ্যে ১৪০ বার করে বেত্রাঘাত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) শরিয়া পুলিশের তত্ত্বাবধানে এই শাস্তি দেওয়া হয়। অঞ্চলটিতে ইসলামী আইন (শরিয়া) কার্যকর হওয়ার পর এটিকে সবচেয়ে কঠোর শাস্তিগুলোর একটি বলে মনে করা হচ্ছে। আচেহ হলো ইন্দোনেশিয়ার একমাত্র প্রদেশ, যেখানে শরিয়ার একটি সংস্করণ চালু রয়েছে। এখানে অবিবাহিত নারী-পুরুষের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। একটি পাবলিক পার্কে বহু মানুষের সামনে বেত দিয়ে এই যুগলের পিঠে আঘাত করা হয়। শাস্তি সহ্য করতে না পেরে ওই নারী একপর্যায়ে অজ্ঞান হয়ে পড়েন এবং তাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। বান্দা আচেহ শরিয়া পুলিশের প্রধান মুহাম্মদ রিজাল জানান, ওই দম্পতিকে বিয়ের বাইরে সম্পর্কের জন্য ১০০ বার এবং মদ্যপানের জন্য ৪০ বার—মোট ১৪০ বার বেত্রাঘাত করা হয়েছে। ২০০১ সালে আচেহকে বিশেষ স্বায়ত্তশাসন দেওয়ার পর সেখানে শরিয়া আইন কার্যকর হয়। এরপর থেকে এটিই অন্যতম সর্বোচ্চ সংখ্যক বেত্রাঘাতের ঘটনা বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই ঘটনায় মোট ছয়জনকে শাস্তি দেওয়া হয়। তাদের মধ্যে একজন শরিয়া পুল

বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক ও মদ্যপানের দায়ে ইন্দোনেশিয়ায় যুগলকে বেত্রাঘাত

ইন্দোনেশিয়ার আচেহ প্রদেশে বিবাহবহির্ভূত শারীরিক সম্পর্ক ও মদ্যপানের দায়ে এক যুগলকে প্রকাশ্যে ১৪০ বার করে বেত্রাঘাত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) শরিয়া পুলিশের তত্ত্বাবধানে এই শাস্তি দেওয়া হয়। অঞ্চলটিতে ইসলামী আইন (শরিয়া) কার্যকর হওয়ার পর এটিকে সবচেয়ে কঠোর শাস্তিগুলোর একটি বলে মনে করা হচ্ছে।

আচেহ হলো ইন্দোনেশিয়ার একমাত্র প্রদেশ, যেখানে শরিয়ার একটি সংস্করণ চালু রয়েছে। এখানে অবিবাহিত নারী-পুরুষের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।

একটি পাবলিক পার্কে বহু মানুষের সামনে বেত দিয়ে এই যুগলের পিঠে আঘাত করা হয়। শাস্তি সহ্য করতে না পেরে ওই নারী একপর্যায়ে অজ্ঞান হয়ে পড়েন এবং তাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বান্দা আচেহ শরিয়া পুলিশের প্রধান মুহাম্মদ রিজাল জানান, ওই দম্পতিকে বিয়ের বাইরে সম্পর্কের জন্য ১০০ বার এবং মদ্যপানের জন্য ৪০ বার—মোট ১৪০ বার বেত্রাঘাত করা হয়েছে।

২০০১ সালে আচেহকে বিশেষ স্বায়ত্তশাসন দেওয়ার পর সেখানে শরিয়া আইন কার্যকর হয়। এরপর থেকে এটিই অন্যতম সর্বোচ্চ সংখ্যক বেত্রাঘাতের ঘটনা বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এই ঘটনায় মোট ছয়জনকে শাস্তি দেওয়া হয়। তাদের মধ্যে একজন শরিয়া পুলিশের সদস্য ও তার নারী সঙ্গীও ছিলেন। তাদের ব্যক্তিগত স্থানে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় ধরা পড়ায় ২৩ বার করে বেত্রাঘাত করা হয়।

আচেহতে জুয়া, মদ্যপান, সমকামী সম্পর্ক ও বিয়ের বাইরে শারীরিক সম্পর্কসহ নানা অপরাধে বেত্রাঘাতের শাস্তি এখনও ব্যাপক সমর্থন পেয়ে থাকে।

গত বছরও দুই ব্যক্তিকে সমকামী সম্পর্কের দায়ে শরিয়া আদালতের রায়ে প্রকাশ্যে ৭৬ বার করে বেত্রাঘাত করা হয়েছিল।

সূত্র: এএফপি

এমএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow