বিমানের আয় বাড়াতে নতুন উড়োজাহাজ সংযোজন করতে চায় সরকার

বাংলাদেশ বিমানকে লাভজনক প্রতিষ্ঠান উল্লেখ করে বিমানের আয় বাড়াতে নতুন উড়োজাহাজ সংযোজনের সুযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা। তিনি বলেন, বিমান বর্তমানে একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে। তবে এই লাভের ধারা আরও সুসংহত করতে এবং সেবার মান আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিতে বহরে নতুন উড়োজাহাজ সংযোজনসহ বেশ কিছু বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। বুধবার (১৫ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে চট্টগ্রাম-১৩ আসনের সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজামের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। মন্ত্রী জানান, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স শুধু ফ্লাইট পরিচালনা করেই ক্ষান্ত নয়, বরং দেশি-বিদেশি বিভিন্ন এয়ারলাইনসকে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং পরিষেবা দেওয়ার মাধ্যমেও বড় অংকের রাজস্ব আয় করছে। সার্বিকভাবে বিমান এখন একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠান। তবে প্রতিষ্ঠানটিকে পুরোপুরি আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার জন্য এর অপারেশনাল কার্যক্রম ও ব্যবস্থাপনায় আরও আধুনিকায়নের সুযোগ রয়েছে। তিনি বলেন, বিমানের বর্তমান সংকটগুলোর মধ্যে প্রধান হলো উড়োজাহাজের স্বল্পতা। এই সম

বিমানের আয় বাড়াতে নতুন উড়োজাহাজ সংযোজন করতে চায় সরকার

বাংলাদেশ বিমানকে লাভজনক প্রতিষ্ঠান উল্লেখ করে বিমানের আয় বাড়াতে নতুন উড়োজাহাজ সংযোজনের সুযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা।

তিনি বলেন, বিমান বর্তমানে একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে। তবে এই লাভের ধারা আরও সুসংহত করতে এবং সেবার মান আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিতে বহরে নতুন উড়োজাহাজ সংযোজনসহ বেশ কিছু বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে চট্টগ্রাম-১৩ আসনের সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজামের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী জানান, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স শুধু ফ্লাইট পরিচালনা করেই ক্ষান্ত নয়, বরং দেশি-বিদেশি বিভিন্ন এয়ারলাইনসকে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং পরিষেবা দেওয়ার মাধ্যমেও বড় অংকের রাজস্ব আয় করছে। সার্বিকভাবে বিমান এখন একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠান। তবে প্রতিষ্ঠানটিকে পুরোপুরি আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার জন্য এর অপারেশনাল কার্যক্রম ও ব্যবস্থাপনায় আরও আধুনিকায়নের সুযোগ রয়েছে।

তিনি বলেন, বিমানের বর্তমান সংকটগুলোর মধ্যে প্রধান হলো উড়োজাহাজের স্বল্পতা। এই সমস্যা সমাধানে সরকার কাজ করছে। বিমানের ‘নেটওয়ার্ক ও ফ্লিট প্ল্যান’ অনুযায়ী নতুন উড়োজাহাজ কেনার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

‘পাশাপাশি পুরোনো উড়োজাহাজগুলো পর্যায়ক্রমে বহর থেকে সরিয়ে ফেলা হচ্ছে এবং নতুন নিজস্ব উড়োজাহাজ আসার আগ পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে লিজ ভিত্তিতে উড়োজাহাজ সংগ্রহ করে ফ্লাইট শিডিউল ঠিক রাখার চেষ্টা চলছে।’

মন্ত্রী আরও বলেন, নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী যাত্রীসেবা নিশ্চিত করতে সরকার বিশেষ জোর দিচ্ছে। এর অংশ হিসেবে অনলাইন টিকিটিং ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে, যা টিকিট সংগ্রহে যাত্রীদের দীর্ঘদিনের হয়রানি অনেকখানি কমিয়ে এনেছে। এছাড়া গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং ও ফ্লাইটে সেবার মান বাড়াতে কর্মীদের আচরণগত প্রশিক্ষণ ও নিবিড় তদারকির ব্যবস্থা করা হয়েছে।

বিমানমন্ত্রী বলেন, উড়োজাহাজ স্বল্পতা থাকা সত্ত্বেও বিমান তাদের ফ্লাইটের সময়ানুবর্তিতা বা অন টাইম পারফরম্যান্স (ওটিপি) বজায় রাখতে সচেষ্ট। বর্তমানে আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ উভয় রুটে বিমান গড়ে ৮০ শতাংশ ওটিপি অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। বিমানকে আরও শক্তিশালী করতে বহর বৃদ্ধি ও সেবার আধুনিকায়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার।

নতুন উড়োজাহাজ বহরে যুক্ত হলে বিমানের আয় আরও কয়েকগুণ বাড়বে বলেও জানান তিনি।

এমওএস/এমকেআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow