বিমা-আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ভর করে ঊর্ধ্বমুখী শেয়ারবাজার, বেড়েছে লেনদেন
সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস বুধবার (২০ মে) দেশের শেয়ারবাজারে দাম বাড়ার ক্ষেত্রে দাপট দেখিয়েছে বিমা ও আর্থিক খাতের প্রতিষ্ঠানগুলো। এতে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দাম বাড়ার তালিকায় বেশি প্রতিষ্ঠান থাকার পাশাপাশি বেড়েছে মূল্য সূচক। সেই সঙ্গে বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ। অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) বেশি সংখ্যক প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। ফলে বেড়েছে মূল্য সূচক। সেই সঙ্গে বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ। এর মাধ্যমে টানা দুই কার্যদিবস শেয়ারবাজার ঊর্ধ্বমুখী থাকলো। এদিন ডিএসইতে লেনদেন শুরু থেকেই দাম বাড়ার ক্ষেত্রে দাপট দেখাতে থাকে বিমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো। যার ইতিবাচক প্রভাব পড়ে অন্য খাতেও। ফলে লেনদেনের শুরুতে সূচকের ঊর্ধ্বমুখীতার দেখা মিলে। লেনদেনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অধিকাংশ বিমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম বাড়ার প্রবণতা অব্যাহত থাকে। কিন্তু লেনদেনের শেষ দিকে অন্য খাতের বেশকিছু প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম কমে যায়। ফলে সূচকের ঊর্ধ্বমুখীও কমে। অবশ্য বিমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কল্যাণে দাম বাড়ার তালিকা বড় হওয়ার পাশাপাশি মূল্য সূচক
সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস বুধবার (২০ মে) দেশের শেয়ারবাজারে দাম বাড়ার ক্ষেত্রে দাপট দেখিয়েছে বিমা ও আর্থিক খাতের প্রতিষ্ঠানগুলো। এতে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দাম বাড়ার তালিকায় বেশি প্রতিষ্ঠান থাকার পাশাপাশি বেড়েছে মূল্য সূচক। সেই সঙ্গে বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ।
অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) বেশি সংখ্যক প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। ফলে বেড়েছে মূল্য সূচক। সেই সঙ্গে বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ। এর মাধ্যমে টানা দুই কার্যদিবস শেয়ারবাজার ঊর্ধ্বমুখী থাকলো।
এদিন ডিএসইতে লেনদেন শুরু থেকেই দাম বাড়ার ক্ষেত্রে দাপট দেখাতে থাকে বিমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো। যার ইতিবাচক প্রভাব পড়ে অন্য খাতেও। ফলে লেনদেনের শুরুতে সূচকের ঊর্ধ্বমুখীতার দেখা মিলে।
লেনদেনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অধিকাংশ বিমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম বাড়ার প্রবণতা অব্যাহত থাকে। কিন্তু লেনদেনের শেষ দিকে অন্য খাতের বেশকিছু প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম কমে যায়। ফলে সূচকের ঊর্ধ্বমুখীও কমে। অবশ্য বিমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কল্যাণে দাম বাড়ার তালিকা বড় হওয়ার পাশাপাশি মূল্য সূচক বেড়েই দিনের লেনদেন শেষ হয়।
দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইতে সব খাত মিলে দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে ১৯৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট। বিপরীতে দাম কমেছে ১৩১টির এবং ৫৬টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। অপরদিকে ৪৪টি বিমার শেয়ার দাম বাড়ার বিপরীতে ১১টির দাম কমেছে। আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ১৪টির দাম বেড়েছে এবং ৭টির দাম কমেছে।
এদিকে, ভালো কোম্পানি বা ১০ শতাংশ অথবা তার বেশি লভ্যাংশ দেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ৭৯টির শেয়ার দাম বেড়েছে। বিপরীতে ৭৫টির দাম কমেছে এবং ৩৪টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। মাঝারি মানের বা ১০ শতাংশের কম লভ্যাংশ দেওয়া ৩৭টি কোম্পানির শেয়ার দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ৩৩টির এবং ৪টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ না দেওয়ার কারণে ‘জেড’ গ্রুপে স্থান হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ৭৮টির শেয়ার দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ২২টির এবং ১৮টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। আর তালিকাভুক্ত মিউচুয়াল ফান্ডগুলোর মধ্যে ৬টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে ৮টির দাম কমেছে এবং ২০টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
দাম বাড়ার তালিকা বড় হওয়ায় ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ১০ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ২২২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্য দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই শরিয়াহ সূচক ২ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৬১ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আর বাছাই করা ভালো ৩০ কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক আগের দিনের তুলনায় ৪ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৯৭৪ পয়েন্টে উঠে এসেছে।
মূল্য সূচক বাড়ার পাশাপাশি ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণও বেড়েছে। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ৮৪১ কোটি ১২ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ৬৭৫ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। এ হিসাবে আগের কার্যদিবসের তুলনায় লেনদেন বেড়েছে ১৬৫ কোটি ৩৯ লাখ টাকা।
এই লেনদেনে সব থেকে বড় ভূমিকা রেখেছে এনসিসি ব্যাংকের শেয়ার। কোম্পানিটির ৪২ কোটি ৩৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা আরডি ফুডের শেয়ার লেনদেন হয়েছে ২৮ কোটি ৩৩ লাখ টাকার। ২৫ কোটি ৪০ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে টেকনো ড্রাগস।
এছাড়া ডিএসইতে লেনদেনের দিক থেকে শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে- মীর আখতার হোসেন লিমিটেড, ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং, এশিয়াটিক ল্যাবরেটরি, প্রভাতী ইন্স্যুরেন্স, ব্রাক ব্যাংক, নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালস এবং বিডি থাই ফুড।
অন্য শেয়ারবাজার সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই বেড়েছে ২৪ পয়েন্ট। বাজারটিতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ২১০ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১০৭টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ৮৭টির এবং ১৬টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। লেনদেন হয়েছে ৪৬ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ১৯ কোটি ৮২ লাখ টাকা।
এমএএস/এসএনআর
What's Your Reaction?